ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

মৃত্যুই যেখানে অমোঘ নিয়তি!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সেদিন গভীর রাতে একজন সাত মাসের গর্ভবতী মা প্রচুর পরিমাণে রক্তপাত আর প্রসব বেদনা নিয়ে আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত। রক্তপাত সন্ধ্যার দিকে শুরু হলেও তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে রাত সাড়ে তিনটায়। এর মাঝে বিভিন্ন ঝাড়ফুঁক আর বৈদ্যের মাধ্যমে চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এদিকে রক্তপাত হতে হতে মায়ের শরীরে রক্ত আর নেই বললেই চলে। বোকামি আর কাকে বলে!

রোগ যতো জটিলই হোক না কেন পরিস্থিতি একেবারে নাগালের বাইরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কেন যেন তারা রোগীকে হাসপাতালে আনতে চান না।

এই ১০ শয্যার হাসপাতালে চাইলেই সব ধরণের চিকিৎসা দেয়া যায় না। হাসপাতালে যেমন সব ধরণের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ নাই ঠিক তেমনি আশেপাশের ফার্মেসিতেও তা পাওয়া যায় না। কারণ স্বাভাবিক। যে ওষুধ তেমন বেশি বিক্রি হয় না সেগুলো রাখলে লাভের বদলে ক্ষতিই হবে তাদের। ফলাফল একটা জরুরি মুহূর্তে ওষুধ জোগার করতেই যে নাকানি চুবানি খেতে হয় তার কথা নাই বা বললাম। রোগীর রক্তপাত বন্ধের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে যা যা করণীয় তার সবটুকু করে আর দেরি করলাম না।

রেফার করলাম রাঙামাটি সদর হাসপাতালে। বিলাইছড়ি সাথে রাঙামাটির কোনদিক দিয়েই কোন সড়ক যোগাযোগ নেই। ইঞ্জিন বোটই এখানকার একমাত্র ভরসা। বোটে করে এখান থেকে জেলা শহরে যেতে সময় লাগবে ন্যূনতম তিন ঘন্টা। এর মাঝে শিরাপথে স্যালাইন হয়তো চলবে; তারপরও এই দীর্ঘ সময়ের মাঝে যে কোন সময়েই রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয় মোটেই।

একজন বিপদগ্রস্থ গর্ভবতী মায়ের জন্য যেখানে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ সেখানে সময়ের এই দীর্ঘ ফারাকটা একজন চিকিৎসক হিসেবে আমাকে মোটেও স্বস্তিতে থাকতে দেয় না।

আগত সন্তান যদি নৌকাতেই জন্মায় আর মায়ের প্রসব পরবর্তী রক্তপাত থামানো না যায় তাহলে কী হবে!

ভয়ে আমার শিরদাঁড়া বেয়ে একটা শীতল স্রোত নেমে যায়। সাত মাসের এই নবজাতককে আমরা অনেক চেষ্টা করলেও হয়তো বাঁচাতে পারবো না। কিন্তু সঙ্গে যদি মায়েরও মৃত্যু হয় তবে তাদের পরিবারটির কী হবে? তাদের আগের বাচ্চাটিকে কে দেখবে? আমি কেবল অসহায় বোধ করতে থাকি।

অনেক বছর ধরেই কথা হচ্ছে বিলাইছড়ির সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক পথে সংযোগ স্থাপনের। সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেও এ উদ্যোগের ব্যাপারে যথেষ্ঠ আগ্রহী মনে হয়েছে।

সমস্যাটা নাকি হচ্ছে অন্য একটি দিক থেকে। স্থানীয়দেরই একটি অংশ নাকি কোনভাবেই চাচ্ছে না এ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হোক। এই ‘অভিনব’ চাওয়া কোন কারণের ওপর ভিত্তি করে এবং তাতে কারা লাভবান হচ্ছে তা বোদ্ধাজনেরাই ভালো বলতে পারবেন।

একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি কেবল দেখে যাচ্ছি, এই ‘বিপরীত মুখী’ অবস্থানের খেসারত দিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার অসহায় সাধারণ মানুষ। প্রতি বছর শত শত মূল্যবান জীবন চলে যাচ্ছে সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথের দীর্ঘ সময়ের মারপ্যাঁচে পড়ে।

রোগীকে ব্যক্তিগতভাবে বোট ভাড়া করে নিতে গেলে টাকা খরচ হয় হাজারেরও উপরে। আর হাসপাতালের একমাত্র ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে বছরের পর বছর। বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও তেমন কিছু করতে পারিনি এটি সারানোর ব্যাপারে। স্পিডবোটে যেতে সময় লাগে তুললামূল কম। তিন ঘন্টার পথ হয়তো এক ঘন্টাতেই পৌঁছানো যাবে। কিন্তু খরচ যে বড্ড বেশি! শুধু তেলের খরচই পড়বে রিজার্ভ বোটের মোট ভাড়ার কয়েকগুণ।

সরকার যদি এই তেল খরচের প্রায় পুরোটাই ভর্তুকি না দেয় তাহলে এ এলাকার মানুষের অধিকাংশেরই এই ওয়াটার এম্বুলেন্স ব্যবহারের সামর্থ্য নেই।

যেখানে এই হাসপাতালের আনা নেয়ার এক দুশো টাকা জোগার করতেই এই অসহায় মানুষগুলো জান বের হয়ে যায় সেখানে এই হাজার হাজার টাকা যোগার করা তো রীতিমতো অসম্ভব ব্যাপার। সীমিত আয়ের আমরা কতো টাকাই বা ওদের শূন্য পকেটে গুজে দেয়ার সামর্থ রাখি।

তাই জরুরি সময়ে যথাযথ চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিয়ে দ্রুত রেফার করলেও অর্থাভাবে জেলা সদর হাসপাতালে যেতে পারেন না অসংখ্য রোগী। এর মধ্যে কেউ কেউ আছেন যাদেরকে রোগীর খারাপ অবস্থার দরুণ রাঙামাটি যেতে বেশি জোরাজুরি করলে তারা নীরবে মালপত্র নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে গিয়ে স্বেচ্ছা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন বা ঝাঁড়ফুক আর কবিরাজের চিকিৎসাতেই নির্ভরতা খোঁজেন ফের। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে আর কিছু না থাকলেও এ ধরনের অপচিকিৎসার সুযোগ অবারিত।

মাঝে মাঝে নিজেকে ঢাল তলোয়ার ছাড়া নিধিরাম সর্দার মনে হয়। চিকিৎসা বিদ্যার যতোটুকু শিখেছি উপযুক্ত সরঞ্জাম আর পরিবেশের অভাবে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার প্রয়োগ এখানে করা প্রায় অসম্ভবই বলা চলে।

মাঝে মধ্যে মনে হয় এতো সহস্র মানুষের যে কষ্ট আর অসহায়ত্ব তা কী তাদের স্বেচ্ছাবরণ করে নেয়া কোন অভিশাপ নাকি অন্য কারও পাপের ফল? এর দায় কার? উত্তরণের উপায়টাই বা কোথায়? এ থেকে মুক্তি আসবে কার দ্বারা? আসলেই কী কখনো আসবেন এমন কোনও ত্রাতা?

লেখক: চিকিৎসক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিলাইছড়ি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুই যেখানে অমোঘ নিয়তি!

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সেদিন গভীর রাতে একজন সাত মাসের গর্ভবতী মা প্রচুর পরিমাণে রক্তপাত আর প্রসব বেদনা নিয়ে আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত। রক্তপাত সন্ধ্যার দিকে শুরু হলেও তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে রাত সাড়ে তিনটায়। এর মাঝে বিভিন্ন ঝাড়ফুঁক আর বৈদ্যের মাধ্যমে চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এদিকে রক্তপাত হতে হতে মায়ের শরীরে রক্ত আর নেই বললেই চলে। বোকামি আর কাকে বলে!

রোগ যতো জটিলই হোক না কেন পরিস্থিতি একেবারে নাগালের বাইরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কেন যেন তারা রোগীকে হাসপাতালে আনতে চান না।

এই ১০ শয্যার হাসপাতালে চাইলেই সব ধরণের চিকিৎসা দেয়া যায় না। হাসপাতালে যেমন সব ধরণের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ নাই ঠিক তেমনি আশেপাশের ফার্মেসিতেও তা পাওয়া যায় না। কারণ স্বাভাবিক। যে ওষুধ তেমন বেশি বিক্রি হয় না সেগুলো রাখলে লাভের বদলে ক্ষতিই হবে তাদের। ফলাফল একটা জরুরি মুহূর্তে ওষুধ জোগার করতেই যে নাকানি চুবানি খেতে হয় তার কথা নাই বা বললাম। রোগীর রক্তপাত বন্ধের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে যা যা করণীয় তার সবটুকু করে আর দেরি করলাম না।

রেফার করলাম রাঙামাটি সদর হাসপাতালে। বিলাইছড়ি সাথে রাঙামাটির কোনদিক দিয়েই কোন সড়ক যোগাযোগ নেই। ইঞ্জিন বোটই এখানকার একমাত্র ভরসা। বোটে করে এখান থেকে জেলা শহরে যেতে সময় লাগবে ন্যূনতম তিন ঘন্টা। এর মাঝে শিরাপথে স্যালাইন হয়তো চলবে; তারপরও এই দীর্ঘ সময়ের মাঝে যে কোন সময়েই রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয় মোটেই।

একজন বিপদগ্রস্থ গর্ভবতী মায়ের জন্য যেখানে প্রতিটি মিনিট গুরুত্বপূর্ণ সেখানে সময়ের এই দীর্ঘ ফারাকটা একজন চিকিৎসক হিসেবে আমাকে মোটেও স্বস্তিতে থাকতে দেয় না।

আগত সন্তান যদি নৌকাতেই জন্মায় আর মায়ের প্রসব পরবর্তী রক্তপাত থামানো না যায় তাহলে কী হবে!

ভয়ে আমার শিরদাঁড়া বেয়ে একটা শীতল স্রোত নেমে যায়। সাত মাসের এই নবজাতককে আমরা অনেক চেষ্টা করলেও হয়তো বাঁচাতে পারবো না। কিন্তু সঙ্গে যদি মায়েরও মৃত্যু হয় তবে তাদের পরিবারটির কী হবে? তাদের আগের বাচ্চাটিকে কে দেখবে? আমি কেবল অসহায় বোধ করতে থাকি।

অনেক বছর ধরেই কথা হচ্ছে বিলাইছড়ির সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক পথে সংযোগ স্থাপনের। সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেও এ উদ্যোগের ব্যাপারে যথেষ্ঠ আগ্রহী মনে হয়েছে।

সমস্যাটা নাকি হচ্ছে অন্য একটি দিক থেকে। স্থানীয়দেরই একটি অংশ নাকি কোনভাবেই চাচ্ছে না এ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হোক। এই ‘অভিনব’ চাওয়া কোন কারণের ওপর ভিত্তি করে এবং তাতে কারা লাভবান হচ্ছে তা বোদ্ধাজনেরাই ভালো বলতে পারবেন।

একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি কেবল দেখে যাচ্ছি, এই ‘বিপরীত মুখী’ অবস্থানের খেসারত দিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার অসহায় সাধারণ মানুষ। প্রতি বছর শত শত মূল্যবান জীবন চলে যাচ্ছে সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথের দীর্ঘ সময়ের মারপ্যাঁচে পড়ে।

রোগীকে ব্যক্তিগতভাবে বোট ভাড়া করে নিতে গেলে টাকা খরচ হয় হাজারেরও উপরে। আর হাসপাতালের একমাত্র ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে বছরের পর বছর। বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও তেমন কিছু করতে পারিনি এটি সারানোর ব্যাপারে। স্পিডবোটে যেতে সময় লাগে তুললামূল কম। তিন ঘন্টার পথ হয়তো এক ঘন্টাতেই পৌঁছানো যাবে। কিন্তু খরচ যে বড্ড বেশি! শুধু তেলের খরচই পড়বে রিজার্ভ বোটের মোট ভাড়ার কয়েকগুণ।

সরকার যদি এই তেল খরচের প্রায় পুরোটাই ভর্তুকি না দেয় তাহলে এ এলাকার মানুষের অধিকাংশেরই এই ওয়াটার এম্বুলেন্স ব্যবহারের সামর্থ্য নেই।

যেখানে এই হাসপাতালের আনা নেয়ার এক দুশো টাকা জোগার করতেই এই অসহায় মানুষগুলো জান বের হয়ে যায় সেখানে এই হাজার হাজার টাকা যোগার করা তো রীতিমতো অসম্ভব ব্যাপার। সীমিত আয়ের আমরা কতো টাকাই বা ওদের শূন্য পকেটে গুজে দেয়ার সামর্থ রাখি।

তাই জরুরি সময়ে যথাযথ চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিয়ে দ্রুত রেফার করলেও অর্থাভাবে জেলা সদর হাসপাতালে যেতে পারেন না অসংখ্য রোগী। এর মধ্যে কেউ কেউ আছেন যাদেরকে রোগীর খারাপ অবস্থার দরুণ রাঙামাটি যেতে বেশি জোরাজুরি করলে তারা নীরবে মালপত্র নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে গিয়ে স্বেচ্ছা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন বা ঝাঁড়ফুক আর কবিরাজের চিকিৎসাতেই নির্ভরতা খোঁজেন ফের। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে আর কিছু না থাকলেও এ ধরনের অপচিকিৎসার সুযোগ অবারিত।

মাঝে মাঝে নিজেকে ঢাল তলোয়ার ছাড়া নিধিরাম সর্দার মনে হয়। চিকিৎসা বিদ্যার যতোটুকু শিখেছি উপযুক্ত সরঞ্জাম আর পরিবেশের অভাবে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার প্রয়োগ এখানে করা প্রায় অসম্ভবই বলা চলে।

মাঝে মধ্যে মনে হয় এতো সহস্র মানুষের যে কষ্ট আর অসহায়ত্ব তা কী তাদের স্বেচ্ছাবরণ করে নেয়া কোন অভিশাপ নাকি অন্য কারও পাপের ফল? এর দায় কার? উত্তরণের উপায়টাই বা কোথায়? এ থেকে মুক্তি আসবে কার দ্বারা? আসলেই কী কখনো আসবেন এমন কোনও ত্রাতা?

লেখক: চিকিৎসক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিলাইছড়ি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।