ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ত্বকের বলিরেখা কমাতে উপকারী যেসব তেল

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, কিন্তু সঠিক তেল দিয়ে যত্ন নিলে ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করা যায়। প্রাকৃতিক এই তেলগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন রয়েছে যা ত্বকের বলিরেখা কমায় এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

জোজোবা তেল:
যেহেতু জোজোবা তেল ত্বকের প্রাকৃতিক সিবামের মতো, তাই সব ধরনের ত্বকের জন্য এই তেল উপকারী। জোজোবা তেল ত্বককে হাইড্রেট করে, তেল উৎপাদনে ভারসাম্য রক্ষা করে। এই তেলে প্রাকৃতিকভাবে থাকা ভিটামিন ই অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এর ফলে ত্বকের বলিরেখা রোধ হয়।

এসেনশিয়াল অয়েল:
কিছু এসেনশিয়াল অয়েলের বার্ধক্য রোধ করার অসাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ল্যাভেন্ডার তেল ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করে,রোজমেরি অয়েল ত্বকের রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে, চন্দন তেল ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট করে তোলে। এসব তেল ত্বকে সারাসরি দেওয়া ঠিক নয়। বরং নারকেল বা অন্য ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগানো ভালো।

অলিভ অয়েল:
শুধু রান্নার জন্য নয় পলিফেনল, বিশেষ করে ওলিওক্যান্থাল এবং ওলিএসিনে পূর্ণ অলিভ অয়েল ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং ত্বকের চেহারা উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি গভীরভাবে ত্বককে হাইড্রেট করে।

ভিটামিন ই তেল:
ত্বকের জন্য ভিটামিন ই তেল সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির মধ্যে একটি। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে, কোষ মেরামতে সহায়তা করে এবং অকাল বার্ধক্য রোধ করে। ভিটামিন ই তেল সাধারণত অন্যান্য ক্যারিয়ার তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। এই তেল ত্বকের পুষ্টি জোগায়। রাতে ঘুমানোর আগে ভিটামিন ই তেল ব্যবহার করা ভালো, কারণ এটি তেলকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হতে দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্বকের বলিরেখা কমাতে উপকারী যেসব তেল

আপডেট সময় ১০:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, কিন্তু সঠিক তেল দিয়ে যত্ন নিলে ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করা যায়। প্রাকৃতিক এই তেলগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন রয়েছে যা ত্বকের বলিরেখা কমায় এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

জোজোবা তেল:
যেহেতু জোজোবা তেল ত্বকের প্রাকৃতিক সিবামের মতো, তাই সব ধরনের ত্বকের জন্য এই তেল উপকারী। জোজোবা তেল ত্বককে হাইড্রেট করে, তেল উৎপাদনে ভারসাম্য রক্ষা করে। এই তেলে প্রাকৃতিকভাবে থাকা ভিটামিন ই অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এর ফলে ত্বকের বলিরেখা রোধ হয়।

এসেনশিয়াল অয়েল:
কিছু এসেনশিয়াল অয়েলের বার্ধক্য রোধ করার অসাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ল্যাভেন্ডার তেল ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করে,রোজমেরি অয়েল ত্বকের রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে, চন্দন তেল ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট করে তোলে। এসব তেল ত্বকে সারাসরি দেওয়া ঠিক নয়। বরং নারকেল বা অন্য ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগানো ভালো।

অলিভ অয়েল:
শুধু রান্নার জন্য নয় পলিফেনল, বিশেষ করে ওলিওক্যান্থাল এবং ওলিএসিনে পূর্ণ অলিভ অয়েল ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং ত্বকের চেহারা উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি গভীরভাবে ত্বককে হাইড্রেট করে।

ভিটামিন ই তেল:
ত্বকের জন্য ভিটামিন ই তেল সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির মধ্যে একটি। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে, কোষ মেরামতে সহায়তা করে এবং অকাল বার্ধক্য রোধ করে। ভিটামিন ই তেল সাধারণত অন্যান্য ক্যারিয়ার তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। এই তেল ত্বকের পুষ্টি জোগায়। রাতে ঘুমানোর আগে ভিটামিন ই তেল ব্যবহার করা ভালো, কারণ এটি তেলকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হতে দেয়।