আকাশ নিউজ ডেস্ক:
ক্রিকেট, ফুটবল যেমন দুনিয়া কাঁপানো খেলা। সেদিক থেকে অনেক পিছিয়ে ‘পুল’ বা ‘বিলিয়ার্ড’। রাজধানী ঢাকায় যেখানে পা ফেলার জায়গা পাওয়া যায় না, সেখানে খেলার মাঠ মানে বিলাসিতা। তাই অনেকেই ঝুঁকছেন ইনডোর গেমসে। ইনডোর গেমসগুলোর মধ্যে বিলিয়ার্ড অন্যতম। তবে, সবাই যে বিলিয়ার্ড খেলছেন তা নয়। কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে খেলাটির জনপ্রিয়তা না থাকলেও, বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় খেলা। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে।
অবসরে, কখনো বা স্কুল ফাঁকি দিয়ে কিংবা যখনি সময় মেলে অনিকের ঠিকানা তাসকিন’স টেরিটরি। উদ্দেশ্য এক গেম বিলিয়ার্ড। অনিক খান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘সব সময় তো স্কুলে ক্লাস হয় না। যেদিন স্কুলে না যাই সেদিন এখানে আসি। মাঝে মধ্যে সুযোগ পেলে বিকেলেও আসি। ৩৫ টাকা এক গেম। রাস্তায় ঘুরলেও তো পঞ্চাশ টাকা চলে যায়। তার উপর রাস্তায় নানা ঝামেলা। তার চাইতে এটা ভাল। এখানকার পরিবেশটা ঠিক আছে। খেলাটা শিখতেছি। আমার ভালই লাগে।’
মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ মোড়েই তাসকিন’স টেরিটরি। গত বছরের শুরুর দিকে ৫টি টেবিল নিয়ে যাত্রা শুরু করে তাসকিস’স টেরিটরি। খেলোয়ারদের চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ানো হয় আরো দুটি টেবিল।
মাত্র ৩৫ টাকায় এক গেম ‘বিলিয়ার্ড’। হয়ত একারণেই তাসকিন’স টেরিটরি’তে বিলিয়ার্ড খেলোয়াড়ের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
ক্রিকেট ছেড়ে বিলিয়ার্ডে নিয়মিত সিফাত রাব্বানী। দৈনিক আকাশকে তিনি বলেন ‘আজকাল সবাই ক্রিকেটার। যদিও খেলার জায়গাই নাই। তাই আর ক্রিকেট খেলি না। তাসকিন ভাই পুলটা দেয়ার পর থেকে এখানে মাঝে মধ্যে এসে খেলি। সত্যি বলতে প্রথমে তাসকিন ভাইকে দেখতে আসতাম আর খেলতাম। খেলতে খেলতে খেলাটা হাতে চলে আসলো। যেহেতু খরচটাও কম, তাই নিয়মিত খেলতেও সমস্যা হয় না।
এক গেম বিলিয়ার্ড ৩৫ টাকা। এ নিয়ম খোদ পুল ফেডারেশনের হলেও, নবীন খেলোয়ার তৈরির পেছনে ফেডারেশনের চাইতে বিলিয়ার্ড ক্লাবগুলোর অবদানই বেশি। মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় তৈরি হচ্ছে বিলিয়ার্ড প্রেমী। ক্রিকেটের পর তাসকিনের প্রিয় খেলা বিলিয়ার্ড। বিষয়টা বেশ জোরালো ভাবেই মনে রাখেন তাসকিন ভক্তরা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























