ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা ও দুই সন্তানসহ ৪ জনের দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনা কারাগারে যাবেন: চিফ প্রসিকিউটর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে মানসম্মত পাঠ্যবই তৈরির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার ‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’:গাজী আতাউর রহমান ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত

নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে। ভালো নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই সরকার আর খুব বেশিদিন নেই। এক মাসেরও কম সময় আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের। জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পরপরই দেশে একটি সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার যদি দেশপ্রেমিক হয়, যদি মানুষের অনুভূতি ধরতে পারে, তাহলে দেশ সমৃদ্ধিশালী হবে, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা পাবে। এই কারণে আগামী ১২ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই নির্বাচনে যদি আমরা ভুল করি, তাহলে সরকার ভুলের খেসারত দেবে, দেশবাসী ভুলের খেসারত দেবে, দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে বলেও জানান তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, ভোট হয়ে গেছে আগেই। শেখ হাসিনা দাবি করতেন তিনি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। আমরা বলি, সেই তিনটি নির্বাচন ছিল তামাশার নির্বাচন। দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব দেখেছে, ওগুলো কোনো নির্বাচনই ছিল না।

তিনি আরও বলেন, একমাত্র শেখ হাসিনা আর তার প্রিয় বন্ধু মোদি কিংবা ভারত এই নির্বাচনগুলোকে অনুমোদন করেছে। আজও সেই মোদির দেশেই বাংলাদেশের গণহত্যাকারী, গণধিকৃত শেখ হাসিনা আশ্রয় নিয়েছে।

দুদু বলেন, নির্বাচনের জন্য জরুরি হলো তড়িৎভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। আইনশৃঙ্খলা যেন ভালো থাকে-এটা দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা। সেই কারণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার জানে বিষয়টি, তারপরেও এখনো পর্যন্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০০ কোটির ক্লাবে সামান্থার সিনেমা, গড়ল নতুন ইতিহাস

নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

আপডেট সময় ০৫:২৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে। ভালো নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই সরকার আর খুব বেশিদিন নেই। এক মাসেরও কম সময় আছে জাতীয় সংসদের নির্বাচনের। জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পরপরই দেশে একটি সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার যদি দেশপ্রেমিক হয়, যদি মানুষের অনুভূতি ধরতে পারে, তাহলে দেশ সমৃদ্ধিশালী হবে, শত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা পাবে। এই কারণে আগামী ১২ তারিখে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই নির্বাচনে যদি আমরা ভুল করি, তাহলে সরকার ভুলের খেসারত দেবে, দেশবাসী ভুলের খেসারত দেবে, দেশের স্বাধীনতা সর্বসম্মতভাবে হুমকির মুখে পড়বে বলেও জানান তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, ভোট হয়ে গেছে আগেই। শেখ হাসিনা দাবি করতেন তিনি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। আমরা বলি, সেই তিনটি নির্বাচন ছিল তামাশার নির্বাচন। দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব দেখেছে, ওগুলো কোনো নির্বাচনই ছিল না।

তিনি আরও বলেন, একমাত্র শেখ হাসিনা আর তার প্রিয় বন্ধু মোদি কিংবা ভারত এই নির্বাচনগুলোকে অনুমোদন করেছে। আজও সেই মোদির দেশেই বাংলাদেশের গণহত্যাকারী, গণধিকৃত শেখ হাসিনা আশ্রয় নিয়েছে।

দুদু বলেন, নির্বাচনের জন্য জরুরি হলো তড়িৎভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা। আইনশৃঙ্খলা যেন ভালো থাকে-এটা দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা। সেই কারণে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার জানে বিষয়টি, তারপরেও এখনো পর্যন্ত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি।