ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

কেউ আমাকে বোঝায়নি, আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলা থেকে পিছিয়ে আসার বিষয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য কোনো দেশের প্রভাবে নয় বরং নিজের বিবেচনা থেকেই তিনি ইরান আক্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সম্প্রতি সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলো ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিল বলে গুঞ্জন ওঠে। তবে ফ্লোরিডায় যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেন যে কেউ তাকে বোঝায়নি এবং এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নাটকীয় সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে ইরানের সাম্প্রতিক একটি পদক্ষেপ। ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া বাতিল করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ইরানে বিক্ষোভ দমনে ব্যাপক সহিংসতা ও আটকের ঘটনা ঘটেছিল এবং শত শত মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর ছড়িয়েছিল। কিন্তু ইরানের নেতৃত্ব সেই কঠোর পথ থেকে সরে আসায় ট্রাম্পের মনোভাবে পরিবর্তন আসে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি লেখেন যে গত বৃহস্পতিবার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষের যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল, তা বাতিল করার সিদ্ধান্তকে তিনি অত্যন্ত সম্মান করেন। মানবাধিকার রক্ষা এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়ানোর এই পদক্ষেপটি ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত ইতিবাচক মনে হয়েছে। মূলত এই মানবিক দিকটিই তার যুদ্ধবিরোধী সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করেছে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের চলমান বিক্ষোভ দমনে সহিংসতার অভিযোগ তুলে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর, বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটন বেশ কঠোর অবস্থানে ছিল। তবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ট্রাম্প জানতে পারেন যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। এরপরই তিনি সামরিক হস্তক্ষেপের পথ থেকে সরে এসে কূটনৈতিক ও সমঝোতামূলক সুর গ্রহণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

কেউ আমাকে বোঝায়নি, আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৫:৫৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলা থেকে পিছিয়ে আসার বিষয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য কোনো দেশের প্রভাবে নয় বরং নিজের বিবেচনা থেকেই তিনি ইরান আক্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সম্প্রতি সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলো ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিল বলে গুঞ্জন ওঠে। তবে ফ্লোরিডায় যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেন যে কেউ তাকে বোঝায়নি এবং এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নাটকীয় সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে ইরানের সাম্প্রতিক একটি পদক্ষেপ। ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া বাতিল করেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ইরানে বিক্ষোভ দমনে ব্যাপক সহিংসতা ও আটকের ঘটনা ঘটেছিল এবং শত শত মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর ছড়িয়েছিল। কিন্তু ইরানের নেতৃত্ব সেই কঠোর পথ থেকে সরে আসায় ট্রাম্পের মনোভাবে পরিবর্তন আসে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি লেখেন যে গত বৃহস্পতিবার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষের যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল, তা বাতিল করার সিদ্ধান্তকে তিনি অত্যন্ত সম্মান করেন। মানবাধিকার রক্ষা এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়ানোর এই পদক্ষেপটি ট্রাম্পের কাছে অত্যন্ত ইতিবাচক মনে হয়েছে। মূলত এই মানবিক দিকটিই তার যুদ্ধবিরোধী সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করেছে।

এর আগে গত দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের চলমান বিক্ষোভ দমনে সহিংসতার অভিযোগ তুলে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর, বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটন বেশ কঠোর অবস্থানে ছিল। তবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ট্রাম্প জানতে পারেন যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে। এরপরই তিনি সামরিক হস্তক্ষেপের পথ থেকে সরে এসে কূটনৈতিক ও সমঝোতামূলক সুর গ্রহণ করেন।