ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাতীয়তাবাদী তরুণরা দুর্ধর্ষ ক্রোধে জ্বলে উঠছে: রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অভিশপ্ত দুঃশাসন’কে উপড়ে ফেলতে তরুণরা জ্বলে উঠছে বলে সরকারকে সতর্ক করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষিপ্রগতি অশ্বের হ্রেষাধ্বণি যেমন শত্রুর বক্ষে কম্পন তোলে ঠিক তেমনি জাতীয়তাবাদী শক্তির তরুণরা দুর্ধর্ষ ক্রোধে জ্বলে উঠছে, অভিশপ্ত এই দু:শাসনকে শেঁকড়সহ উপড়ে ফেলার জন্য।’

কারা হেফাজেত মারা যাওয়া ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনকে হত্যার অভিযোগ এনে রবিবার দেশব্যাপী কালো ব্যাচ পরে বিক্ষোভের ডাক দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সরকারকে এই সতর্ক করেন। রাজধানীতেও থানায় থানায় এই বিক্ষোভ হবে।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন রিজভী।

গত ৬ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল এর সহ-সভাপতি ও তেজগাঁও থানা ছাত্রদল এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হেসেন মিলন। গত ১২ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। তবে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিএনপির অভিযোগ, মিলন মারা গেছেন পুলিশি নির্যাতনে। এ কারণে তারা একে হত্যা বলছেন। আর এর প্রতিবাদেই ঘোষণা করা হয়েছে কর্মসূচি।

এ ছাড়া সরকারের ‘পরিকল্পিত হত্যা’, খুনের যারা শিকার হয়েছেন তাদের আত্মার শান্তি কামনায়ও শুক্রবার জুমার নামাজের পর দেশব্যাপী মসজিদে দোয়া করারও ঘোষণা দেন রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘হত্যা আর ঘাতকের মাঝখানে এখন বিএনপিসহ বিরোধী দল, মত ও বিশ্বাসের মানুষদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে। অত্যাচার-নিপীড়ন-লুন্ঠনের প্রতিনিয়ত সম্প্রসারণ হচ্ছে। নির্বিচার নিপীড়নে নারীরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। শিশুরা পিতৃমাতৃহীন হয়ে পড়ছে।’

‘দেশের প্রতিটি মানুষই পুলিশি নজরদারির মধ্যে রয়েছে, যেন কেউ সরকারবিরোধী আওয়াজ তুলতে না পারে। এটিই হচ্ছে অভিশপ্ত দু:শাসনের নাৎসীবাদী দৃষ্টান্ত।’

‘বাংলাদেশে বহু ক্ষতির জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ। সরকারের অত্যাচারে মানুষের মধ্যে ধুমায়িত বহ্নির উত্তাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য জনগণ ক্রমান্বয়ে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হচ্ছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয়তাবাদী তরুণরা দুর্ধর্ষ ক্রোধে জ্বলে উঠছে: রিজভী

আপডেট সময় ০৫:১২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অভিশপ্ত দুঃশাসন’কে উপড়ে ফেলতে তরুণরা জ্বলে উঠছে বলে সরকারকে সতর্ক করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষিপ্রগতি অশ্বের হ্রেষাধ্বণি যেমন শত্রুর বক্ষে কম্পন তোলে ঠিক তেমনি জাতীয়তাবাদী শক্তির তরুণরা দুর্ধর্ষ ক্রোধে জ্বলে উঠছে, অভিশপ্ত এই দু:শাসনকে শেঁকড়সহ উপড়ে ফেলার জন্য।’

কারা হেফাজেত মারা যাওয়া ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনকে হত্যার অভিযোগ এনে রবিবার দেশব্যাপী কালো ব্যাচ পরে বিক্ষোভের ডাক দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সরকারকে এই সতর্ক করেন। রাজধানীতেও থানায় থানায় এই বিক্ষোভ হবে।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন রিজভী।

গত ৬ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল এর সহ-সভাপতি ও তেজগাঁও থানা ছাত্রদল এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হেসেন মিলন। গত ১২ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। তবে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিএনপির অভিযোগ, মিলন মারা গেছেন পুলিশি নির্যাতনে। এ কারণে তারা একে হত্যা বলছেন। আর এর প্রতিবাদেই ঘোষণা করা হয়েছে কর্মসূচি।

এ ছাড়া সরকারের ‘পরিকল্পিত হত্যা’, খুনের যারা শিকার হয়েছেন তাদের আত্মার শান্তি কামনায়ও শুক্রবার জুমার নামাজের পর দেশব্যাপী মসজিদে দোয়া করারও ঘোষণা দেন রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘হত্যা আর ঘাতকের মাঝখানে এখন বিএনপিসহ বিরোধী দল, মত ও বিশ্বাসের মানুষদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে। অত্যাচার-নিপীড়ন-লুন্ঠনের প্রতিনিয়ত সম্প্রসারণ হচ্ছে। নির্বিচার নিপীড়নে নারীরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। শিশুরা পিতৃমাতৃহীন হয়ে পড়ছে।’

‘দেশের প্রতিটি মানুষই পুলিশি নজরদারির মধ্যে রয়েছে, যেন কেউ সরকারবিরোধী আওয়াজ তুলতে না পারে। এটিই হচ্ছে অভিশপ্ত দু:শাসনের নাৎসীবাদী দৃষ্টান্ত।’

‘বাংলাদেশে বহু ক্ষতির জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ। সরকারের অত্যাচারে মানুষের মধ্যে ধুমায়িত বহ্নির উত্তাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য জনগণ ক্রমান্বয়ে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হচ্ছে।’