ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ত্রিপুরায় বামদের বিদায় যুগান্তকারী: মোদি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে নিজ দল বিজেপির বড় জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে দেওয়া সিরিজ পোস্টে বুঝিয়ে দিয়েছেন এই জয় তার দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, ‘মেঘালয়, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরার মানুষ গণরায় দিয়েছেন। বিজেপির অ্যাক্ট ইস্ট নীতিকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মানুষের স্বপ্ন পূরণে আমরা বদ্ধপরিকর।’

ত্রিপুরার জয়কে যুগান্তকারী আখ্যা দিয়ে মোদি বলেন, ‘অসাধারণ কাজ করেছেন ত্রিপুরার ভাই-বোনেরা। তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানানোর কোনও ভাষা নেই। ত্রিপুরার পরিবর্তনে চেষ্টার কমতি রাখবো না।’

শুধু ইভিএম নয়, এটা বামদের সঙ্গে আদর্শের লড়াই ছিল বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বলেছেন, ‘এটা অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জয়। আজ থেকে ত্রিপুরায় শান্তি ও অহিংসা প্রতিষ্ঠিত হলো।’

নাগাল্যান্ডে বিজেপির সাফল্যের জন্যও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘নাগাল্যান্ডের অগ্রগতির জন্য পরিশ্রম করবো। পোক্ত সংগঠন ও উন্নয়ন দিয়ে শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছেছি আমরা।’

বর্তমানে ভারতের ১৯টি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এবার উত্তর-পূর্বেও ডালাপালা ছড়ালো তারা। টুইটারে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘ভারতের মানুষ একের পর এক নির্বাচনে এনডিএ সরকারের ওপর ভরসা রাখছেন। ইতিবাচক কাজ ও উন্নয়ন চাইছেন তারা। নেতিবাচক, ধ্বংসাত্মক রাজনীতিকে মানুষ সম্মান করে না।’

এদিকে ত্রিপুরার বিদায়ী বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে বাংলাদেশের প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ অথবা দক্ষিণের কেরালা রাজ্যে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান কৌশলপ্রণেতা হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, মানিক সরকারের সামনে মাত্র তিনটি পথ খোলা আছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারেন। সেখানে এখনও সিপিআই-এম দলের কিছু উপস্থিতি রয়েছে। অথবা কেরালায় চলে যেতে পারেন। সেখানে দলটি এখন ক্ষমতায় আছে। আরও তিন বছর থাকবে। নয়তো তিনি প্রতিবেশী বাংলাদেশে চলে যেতে পারেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সীমান্ত অপরাধ বৃদ্ধির জন্যও বামফ্রন্টকে দায়ী করেন এই বিজেপি নেতা।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরার বিধানসভায় মোট আসন ৬০টি। এরমধ্যে ৫৯টিতে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ৪৩টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি জোট। বামফ্রন্ট পেয়েছে ১৬টি আসন। একটি কেন্দ্রে বামফ্রন্ট প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। সেটিতে পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: জি নিউজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ত্রিপুরায় বামদের বিদায় যুগান্তকারী: মোদি

আপডেট সময় ০৩:০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে নিজ দল বিজেপির বড় জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে দেওয়া সিরিজ পোস্টে বুঝিয়ে দিয়েছেন এই জয় তার দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, ‘মেঘালয়, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরার মানুষ গণরায় দিয়েছেন। বিজেপির অ্যাক্ট ইস্ট নীতিকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মানুষের স্বপ্ন পূরণে আমরা বদ্ধপরিকর।’

ত্রিপুরার জয়কে যুগান্তকারী আখ্যা দিয়ে মোদি বলেন, ‘অসাধারণ কাজ করেছেন ত্রিপুরার ভাই-বোনেরা। তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানানোর কোনও ভাষা নেই। ত্রিপুরার পরিবর্তনে চেষ্টার কমতি রাখবো না।’

শুধু ইভিএম নয়, এটা বামদের সঙ্গে আদর্শের লড়াই ছিল বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বলেছেন, ‘এটা অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জয়। আজ থেকে ত্রিপুরায় শান্তি ও অহিংসা প্রতিষ্ঠিত হলো।’

নাগাল্যান্ডে বিজেপির সাফল্যের জন্যও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘নাগাল্যান্ডের অগ্রগতির জন্য পরিশ্রম করবো। পোক্ত সংগঠন ও উন্নয়ন দিয়ে শূন্য থেকে শিখরে পৌঁছেছি আমরা।’

বর্তমানে ভারতের ১৯টি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। এবার উত্তর-পূর্বেও ডালাপালা ছড়ালো তারা। টুইটারে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘ভারতের মানুষ একের পর এক নির্বাচনে এনডিএ সরকারের ওপর ভরসা রাখছেন। ইতিবাচক কাজ ও উন্নয়ন চাইছেন তারা। নেতিবাচক, ধ্বংসাত্মক রাজনীতিকে মানুষ সম্মান করে না।’

এদিকে ত্রিপুরার বিদায়ী বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে বাংলাদেশের প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ অথবা দক্ষিণের কেরালা রাজ্যে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান কৌশলপ্রণেতা হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, মানিক সরকারের সামনে মাত্র তিনটি পথ খোলা আছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গে চলে যেতে পারেন। সেখানে এখনও সিপিআই-এম দলের কিছু উপস্থিতি রয়েছে। অথবা কেরালায় চলে যেতে পারেন। সেখানে দলটি এখন ক্ষমতায় আছে। আরও তিন বছর থাকবে। নয়তো তিনি প্রতিবেশী বাংলাদেশে চলে যেতে পারেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সীমান্ত অপরাধ বৃদ্ধির জন্যও বামফ্রন্টকে দায়ী করেন এই বিজেপি নেতা।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরার বিধানসভায় মোট আসন ৬০টি। এরমধ্যে ৫৯টিতে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে ৪৩টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি জোট। বামফ্রন্ট পেয়েছে ১৬টি আসন। একটি কেন্দ্রে বামফ্রন্ট প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। সেটিতে পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: জি নিউজ।