ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

দীর্ঘ নাটকীয়তার পর মাঠে ফেরা বিপিএলের দিনে প্রথম ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে শেখ মেহেদী হাসানের দল। এই হারের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।

টস জিতে আগে নোয়াখালীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম। শুরুতে সৌম্য সরকার ও হাসান ইসাখিলের ব্যাটে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় নোয়াখালী। সৌম্য ৮ বলে ১৪ রান করে ফিরলেও, ইসাখিল ২০ বলে ২৫ রান করে পাওয়ারপ্লের শেষ বলে আউট হন। ৬ ওভারে নোয়াখালীর স্কোর দাঁড়ায় ৪৯/২।

এরপরই ছন্দ হারায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। জাকের আলী অনিক ২২ বলে ২৩ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। অধিনায়ক হায়দার আলি (১১ বলে ১২), সোহান (১৫ বলে ১১) ও মুনিম শাহরিয়ার (১ বলে ১) ব্যর্থ হন। শেষ দিকে সাব্বির হোসেন ১৯ বলে ২২ রান করলেও ইনিংস বড় করা সম্ভব হয়নি। ১৮.৫ ওভারে ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী।

চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে ম্যাচের নায়ক ছিলেন শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ৩টি এবং আমির জামাল ১টি উইকেট শিকার করেন।

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্রথম ওভারেই মাহমুদুল হাসান জয় শূন্য রানে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ হারিস (৫ বলে ৭) ও মাহফিজুল ইসলাম (৮ বলে ০) দ্রুত ফিরে যান। নাঈম শেখ ৮ বলে ১৭ রানের ক্যামিও খেললেও তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২৯ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে চট্টগ্রাম।

পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৪৪/৪। সেখান থেকে ইনিংস গুছিয়ে নেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নওয়াজ। নওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরলেও এরপর মেহেদীর সঙ্গে জুটি বাঁধেন আসিফ আলী। দুজনই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

শেষ পর্যন্ত মেহেদীর ছক্কায় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের জয়। শেখ মেহেদী ৩৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন, আর আসিফ আলী ৩০ বলে ৩৬ রান করে ম্যাচ শেষ করেন। ১৮ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস।

নোয়াখালীর হয়ে ইহসানউল্লাহ ২টি এবং হাসান মাহমুদ, জাহির খান ও সাব্বির হোসেন ১টি করে উইকেট নেন।

এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস, আর বিপিএল অভিযান শেষ হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস

আপডেট সময় ০৬:১৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

দীর্ঘ নাটকীয়তার পর মাঠে ফেরা বিপিএলের দিনে প্রথম ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে শেখ মেহেদী হাসানের দল। এই হারের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।

টস জিতে আগে নোয়াখালীকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় চট্টগ্রাম। শুরুতে সৌম্য সরকার ও হাসান ইসাখিলের ব্যাটে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় নোয়াখালী। সৌম্য ৮ বলে ১৪ রান করে ফিরলেও, ইসাখিল ২০ বলে ২৫ রান করে পাওয়ারপ্লের শেষ বলে আউট হন। ৬ ওভারে নোয়াখালীর স্কোর দাঁড়ায় ৪৯/২।

এরপরই ছন্দ হারায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। জাকের আলী অনিক ২২ বলে ২৩ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। অধিনায়ক হায়দার আলি (১১ বলে ১২), সোহান (১৫ বলে ১১) ও মুনিম শাহরিয়ার (১ বলে ১) ব্যর্থ হন। শেষ দিকে সাব্বির হোসেন ১৯ বলে ২২ রান করলেও ইনিংস বড় করা সম্ভব হয়নি। ১৮.৫ ওভারে ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী।

চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে ম্যাচের নায়ক ছিলেন শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ৩টি এবং আমির জামাল ১টি উইকেট শিকার করেন।

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্রথম ওভারেই মাহমুদুল হাসান জয় শূন্য রানে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ হারিস (৫ বলে ৭) ও মাহফিজুল ইসলাম (৮ বলে ০) দ্রুত ফিরে যান। নাঈম শেখ ৮ বলে ১৭ রানের ক্যামিও খেললেও তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২৯ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে চট্টগ্রাম।

পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৪৪/৪। সেখান থেকে ইনিংস গুছিয়ে নেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নওয়াজ। নওয়াজ ১৪ বলে ১১ রান করে ফিরলেও এরপর মেহেদীর সঙ্গে জুটি বাঁধেন আসিফ আলী। দুজনই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

শেষ পর্যন্ত মেহেদীর ছক্কায় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের জয়। শেখ মেহেদী ৩৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন, আর আসিফ আলী ৩০ বলে ৩৬ রান করে ম্যাচ শেষ করেন। ১৮ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস।

নোয়াখালীর হয়ে ইহসানউল্লাহ ২টি এবং হাসান মাহমুদ, জাহির খান ও সাব্বির হোসেন ১টি করে উইকেট নেন।

এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস, আর বিপিএল অভিযান শেষ হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।