ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়: খালেদার আইনজীবী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আদালত যুক্তিযুক্ত সময়ের মধ্যে রায়ের কপি সরবরাহ করবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দেয়া এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রোববার একথা বলেন খালেদা জিয়ার এ আইনজীবী। তিনি বলেন, ক্রিমিনাল রুলস অনুযায়ী রায় ঘোষণার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহ করতে হবে। তিনি (আইনমন্ত্রী) হয়তো এ আইনটি খেয়াল করেননি।

উল্লেখ্য, রোববার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, একটা রায়ের কপি পেতে হলে রায়টা কত বড় সেটার ওপর নির্ভর করে কত তাড়াতাড়ি রায়ের কপি দেয়া হবে। একটা ক্ষেত্রেই শুধু এই আইন ও এই পদ্ধতির ব্যতয় ঘটে, সেটা হচ্ছে কোনো আসামিকে যদি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। তাহলে বলাই আছে, তিনিই একমাত্র দাবিদার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রায়ের কপি পাওয়ার। আর আসামিকে অন্যান্য সাজা দেয়া হলে তখন একটা যুক্তিসঙ্গত সময়ে রায়ের সার্টিফাইড কপি দেয়া হয় তাকে।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেয়া রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি রোববারও পাওয়া যায়নি। এ অনুলিপি সোমবার পাওয়া যেতে পারে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া রায়ের অনুলিপির বিষয়ে আদালতে শুনানি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান সোমবার রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি দেয়ার আশ্বাস দেন। সানাউল্লাহ মিয়া রোববার বিকালেই অনুলিপি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আইনজীবীর অনুরোধের জবাব দেননি বিচারক। পরে আদালত থেকে বের হয়ে সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, রায়ের কপি চেয়ে আমরা আদালতে শুনানি করেছি। প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায়ের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করা হয়। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুলিপির জন্য ৩ হাজার পৃষ্ঠার কোর্টফোলিও আদালতে দাখিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

মামলাটিতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৫ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডিত অপর চার আসামি হলেন কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। দণ্ডিতদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়: খালেদার আইনজীবী

আপডেট সময় ১১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আদালত যুক্তিযুক্ত সময়ের মধ্যে রায়ের কপি সরবরাহ করবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দেয়া এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রোববার একথা বলেন খালেদা জিয়ার এ আইনজীবী। তিনি বলেন, ক্রিমিনাল রুলস অনুযায়ী রায় ঘোষণার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহ করতে হবে। তিনি (আইনমন্ত্রী) হয়তো এ আইনটি খেয়াল করেননি।

উল্লেখ্য, রোববার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, একটা রায়ের কপি পেতে হলে রায়টা কত বড় সেটার ওপর নির্ভর করে কত তাড়াতাড়ি রায়ের কপি দেয়া হবে। একটা ক্ষেত্রেই শুধু এই আইন ও এই পদ্ধতির ব্যতয় ঘটে, সেটা হচ্ছে কোনো আসামিকে যদি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। তাহলে বলাই আছে, তিনিই একমাত্র দাবিদার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রায়ের কপি পাওয়ার। আর আসামিকে অন্যান্য সাজা দেয়া হলে তখন একটা যুক্তিসঙ্গত সময়ে রায়ের সার্টিফাইড কপি দেয়া হয় তাকে।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দেয়া রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি রোববারও পাওয়া যায়নি। এ অনুলিপি সোমবার পাওয়া যেতে পারে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া রায়ের অনুলিপির বিষয়ে আদালতে শুনানি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান সোমবার রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি দেয়ার আশ্বাস দেন। সানাউল্লাহ মিয়া রোববার বিকালেই অনুলিপি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আইনজীবীর অনুরোধের জবাব দেননি বিচারক। পরে আদালত থেকে বের হয়ে সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, রায়ের কপি চেয়ে আমরা আদালতে শুনানি করেছি। প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ড হয় এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায়ের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করা হয়। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুলিপির জন্য ৩ হাজার পৃষ্ঠার কোর্টফোলিও আদালতে দাখিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

মামলাটিতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৫ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডিত অপর চার আসামি হলেন কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। দণ্ডিতদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক রয়েছেন।