ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পাননি চিকিৎসকরা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কারাফটকে হাজির হয়েছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। তবে তাদের কারাগারে ঢুকতে না দেয়ায় তারা সেখান থেকেই ফিরে আসেন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চিকিৎসকরা কারাগারে ঢুকতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভেতরে ঢোকার অনুমতি আনার পরামর্শ দেয়। পরে তারা কারা অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ তাদের আবেদন নাকচ করে দেয়।

কারাফটকে আসা চিকিৎসকরা হচ্ছেন অধ্যাপক ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, ডা. মো. ফাওয়াজ হোসেন শুভ, ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু, অধ্যাপক ডা. সাহাব উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস এবং অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

কারাফটক ছেড়ে যাওয়ার সময় চিকিৎসক দলের একজন ডা. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘কারা অধিদপ্তর বরাবর খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করেছি। কারা মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শকের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারা অনুমতি দিতে অপারগতা জানিয়েছেন।’

ডা. আব্দুল কুদ্দস বলেন, ‘আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে বলেছি, সারাদেশের মানুষ যেমন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন আমরাও তেমনি উদ্বিগ্ন। তাই আমরা ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসেছি। একটি নির্জন কারাগারে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে। এমন অবস্থায় তার কিছু হলে এর দায় কারা কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।’

ডা. মো. ফাওয়াজ হোসেন শুভ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমরা বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। আমরা সাক্ষাতের জন্য একটি আবেদন রেখে এসেছি। তারা অনুমতি দিলে আমরা আবার যাবো।’

আব্দুল কুদ্দুস খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বলেছে, খালেদার চিকিৎসায় যা প্রয়োজন তার সব ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজন হলে খালেদার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হবে বলেও জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই সাত চিকিৎসকের কারা অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ নেই। কারণ, কারাগারে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রয়েছেন, তারা নিয়মিত উনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। আর জেল বিধি অনুযায়ী সপ্তাহে একদিন স্বজনরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। এরইমধ্যে স্বজনরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী আর কারও তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পাননি চিকিৎসকরা

আপডেট সময় ০৩:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কারাফটকে হাজির হয়েছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। তবে তাদের কারাগারে ঢুকতে না দেয়ায় তারা সেখান থেকেই ফিরে আসেন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চিকিৎসকরা কারাগারে ঢুকতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভেতরে ঢোকার অনুমতি আনার পরামর্শ দেয়। পরে তারা কারা অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ তাদের আবেদন নাকচ করে দেয়।

কারাফটকে আসা চিকিৎসকরা হচ্ছেন অধ্যাপক ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, ডা. মো. ফাওয়াজ হোসেন শুভ, ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু, অধ্যাপক ডা. সাহাব উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস এবং অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

কারাফটক ছেড়ে যাওয়ার সময় চিকিৎসক দলের একজন ডা. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘কারা অধিদপ্তর বরাবর খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করেছি। কারা মহাপরিদর্শক ও অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শকের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারা অনুমতি দিতে অপারগতা জানিয়েছেন।’

ডা. আব্দুল কুদ্দস বলেন, ‘আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে বলেছি, সারাদেশের মানুষ যেমন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন আমরাও তেমনি উদ্বিগ্ন। তাই আমরা ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসেছি। একটি নির্জন কারাগারে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে। এমন অবস্থায় তার কিছু হলে এর দায় কারা কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।’

ডা. মো. ফাওয়াজ হোসেন শুভ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমরা বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। আমরা সাক্ষাতের জন্য একটি আবেদন রেখে এসেছি। তারা অনুমতি দিলে আমরা আবার যাবো।’

আব্দুল কুদ্দুস খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বলেছে, খালেদার চিকিৎসায় যা প্রয়োজন তার সব ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজন হলে খালেদার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হবে বলেও জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই সাত চিকিৎসকের কারা অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ নেই। কারণ, কারাগারে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রয়েছেন, তারা নিয়মিত উনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। আর জেল বিধি অনুযায়ী সপ্তাহে একদিন স্বজনরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। এরইমধ্যে স্বজনরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী আর কারও তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নেই।