ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জয় বাংলা কেন জাতীয় স্লোগান নয়: হাইকোর্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মাদ উল্লাহর সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রণধ্বনী ছিল ‘জয় বাংলা’। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তার স্লোগান হিসেবে এখনও এই স্লোগানটি ব্যবহার করে। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক দল তাদের পছন্দমতো স্লোগান ব্যবহার করে। ২০১৩ সালে যুদ্ধারপাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের গড়ে উঠা আন্দোলনের সময়ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের বহুল ব্যবহার হয়েছিল। সে সময়ই কথা উঠে, বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী বাদ দিয়ে কেন অন্য স্লোগান দেবে রাজনৈতিক দলগুলো।

গতকাল রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বশির আহমেদ ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন। এর আগে ২০ নভেম্বর আরেকটি রিট করা হয়। সেখানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ, জাতীয় জাদুঘর স্থাপন ও দিনটিকে ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আজ আদেশ জারির পর আইনজীবী বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে সরকারের প্রতি রুল জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী রবিবার মামলাটি আবারও কার্যতালিকায় থাকবে।

এই আইনজীবী বলেন, ‘পৃথিবীর সাতটি দেশে জাতীয় স্লোগান আছে। আমাদের দেশে কোনো জাতীয় স্লোগান নেই। জয় বাংলা স্লোগান আমাদের জাতীয় চেতনার স্লোগান। জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর্যন্ত এই স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে পায় নাই।’

বশির আহমেদ বলেন, “আমরা আদালতকে বলেছি, ‘জয় বাংলা’ হলো জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এই স্লোগন দিয়ে মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা আগামী ১৬ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করেই বিজয় দিবস পালন করতে চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জয় বাংলা কেন জাতীয় স্লোগান নয়: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৫:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মাদ উল্লাহর সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রণধ্বনী ছিল ‘জয় বাংলা’। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তার স্লোগান হিসেবে এখনও এই স্লোগানটি ব্যবহার করে। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক দল তাদের পছন্দমতো স্লোগান ব্যবহার করে। ২০১৩ সালে যুদ্ধারপাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের গড়ে উঠা আন্দোলনের সময়ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের বহুল ব্যবহার হয়েছিল। সে সময়ই কথা উঠে, বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী বাদ দিয়ে কেন অন্য স্লোগান দেবে রাজনৈতিক দলগুলো।

গতকাল রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বশির আহমেদ ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন। এর আগে ২০ নভেম্বর আরেকটি রিট করা হয়। সেখানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ, জাতীয় জাদুঘর স্থাপন ও দিনটিকে ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আজ আদেশ জারির পর আইনজীবী বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে সরকারের প্রতি রুল জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী রবিবার মামলাটি আবারও কার্যতালিকায় থাকবে।

এই আইনজীবী বলেন, ‘পৃথিবীর সাতটি দেশে জাতীয় স্লোগান আছে। আমাদের দেশে কোনো জাতীয় স্লোগান নেই। জয় বাংলা স্লোগান আমাদের জাতীয় চেতনার স্লোগান। জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর্যন্ত এই স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে পায় নাই।’

বশির আহমেদ বলেন, “আমরা আদালতকে বলেছি, ‘জয় বাংলা’ হলো জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এই স্লোগন দিয়ে মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা আগামী ১৬ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করেই বিজয় দিবস পালন করতে চাই।’