ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আপডেট সময় ১২:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।