ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

শরীরকে নিকোটিনের বিষ থেকে মুক্ত করার উপায়

আপডেট সময় ১২:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন স্নায়ু ও পেশীর কোষ ব্লক করে দেয়। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে এ নিকোটিন খারাপ প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ তালিকায় প্রথমেই আছে ব্রোকলি। এটি ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে এবং চাপ বৃদ্ধি করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

ধূমপায়ীদের ফলিক এসিডের সাপ্লাই কম থাকে। এই এসিড মাংসপেশি, স্নায়ু এবং ব্রেইন হেলথ ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। পালং শাকে যা প্রচুর পরিমাণে থাকে।

প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে তা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

নিকোটিন শরীরকে পানিশূন্য করে। আর নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি।   প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য বের হয়ে যায়।