ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেসব ফল খাবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস রোগ হলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কি খাবেন আর কি খাবেন না। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে নানান রকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে।

কোন ফলটি খাওয়া যাবে, কোনটি খাওয়া যাবে না, কোনটি খেলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকার হবে ইত্যাদি নানান চিন্তায় ফল খাওয়াই ছেড়ে দেন অনেক ডায়াবেটিস রোগী।

চিকিৎসকের পরামর্শে তা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিষ্কৃতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। রক্তে শর্করার মাত্রা সামলাতে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হয় প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতেই হবে এই ৬টি ফল।

আপেল
আপেলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম করতে ভালো কাজ দেয় এই ফাইবার। আপেলের মধ্যে রয়েছে পেকটিন। এটি ব্লাড সুগার কম করতে সাহা‌য্য করে।

বেরি
গ্লুকোজ ভেঙে তাকে শক্তিতে পরিণত করার ক্ষমতা রয়েছে বেরির।

ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে। পাশাপাশি রেরির মধ্যে থাকা একটি উপাদান ইনসুলিন ক্ষরণেও সাহা‌য্য করে। ফলে দেহে ইনসুলিন ক্ষরণ স্বাভাবিক রাখে।

পেয়ারা
ডায়াবেটিস রোগীদের একটি বড় সমস্যা হল কোষ্ঠকাঠিন্য। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কম করতে সাহা‌য্য করে। পাশাপাশি রোগীকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

পেঁপে
পেঁপের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। রক্তে গ্রুকোজের মাত্র বেড়ে গেলে রোগীর হার্ট, নার্ভের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে ‌যায়। নিয়মিত পেঁপে খেলে তা কিছুটা রুখে দেওয়া ‌যায়।

জাম
ডায়াবেটিসে জাম বিশেষ উপকারী। জামের মধ্যে থাকা একটি বিশেষ উপাদান খাবারের স্টার্চকে ভেঙে দেয়। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। সুগার রোগীদের ঘনঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

আমলকি
ক্রোমিয়ামের একটি বড়সড় উৎস হল আমলকি। অগ্নাশয়কে সুস্থ রাখতে ক্রেমিয়াম খুবই উপকারী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেসব ফল খাবেন

আপডেট সময় ১১:৪২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস রোগ হলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কি খাবেন আর কি খাবেন না। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে নানান রকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাজ করে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে।

কোন ফলটি খাওয়া যাবে, কোনটি খাওয়া যাবে না, কোনটি খেলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকার হবে ইত্যাদি নানান চিন্তায় ফল খাওয়াই ছেড়ে দেন অনেক ডায়াবেটিস রোগী।

চিকিৎসকের পরামর্শে তা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিষ্কৃতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। রক্তে শর্করার মাত্রা সামলাতে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হয় প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতেই হবে এই ৬টি ফল।

আপেল
আপেলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম করতে ভালো কাজ দেয় এই ফাইবার। আপেলের মধ্যে রয়েছে পেকটিন। এটি ব্লাড সুগার কম করতে সাহা‌য্য করে।

বেরি
গ্লুকোজ ভেঙে তাকে শক্তিতে পরিণত করার ক্ষমতা রয়েছে বেরির।

ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে। পাশাপাশি রেরির মধ্যে থাকা একটি উপাদান ইনসুলিন ক্ষরণেও সাহা‌য্য করে। ফলে দেহে ইনসুলিন ক্ষরণ স্বাভাবিক রাখে।

পেয়ারা
ডায়াবেটিস রোগীদের একটি বড় সমস্যা হল কোষ্ঠকাঠিন্য। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে। এই ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কম করতে সাহা‌য্য করে। পাশাপাশি রোগীকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

পেঁপে
পেঁপের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। রক্তে গ্রুকোজের মাত্র বেড়ে গেলে রোগীর হার্ট, নার্ভের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে ‌যায়। নিয়মিত পেঁপে খেলে তা কিছুটা রুখে দেওয়া ‌যায়।

জাম
ডায়াবেটিসে জাম বিশেষ উপকারী। জামের মধ্যে থাকা একটি বিশেষ উপাদান খাবারের স্টার্চকে ভেঙে দেয়। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। সুগার রোগীদের ঘনঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

আমলকি
ক্রোমিয়ামের একটি বড়সড় উৎস হল আমলকি। অগ্নাশয়কে সুস্থ রাখতে ক্রেমিয়াম খুবই উপকারী।