ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর বৈঠক ১৬ নভেম্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আদালতে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি গেজেট আকারে প্রকাশের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিদের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর বৈঠক হবে ১৬ নভেম্বর। সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রনালয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে। এর আগে গত ৫ নভেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম জানিয়েছিলেন ৯ নভেম্বর বৈঠকটি হতে পারে।

ওইদিন সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের করা চার সপ্তাহের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পায় সরকার। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ সময় মঞ্জুর করেন।

আর গত ৮ অক্টোবর আদালত গেজেট প্রকাশে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন। তার আগে একই বিষয়ে বহুবার সরকারকে সময় দেন আদালত। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারই আরো সময় চেয়ে বারবার আবেদন করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর বৈঠক ১৬ নভেম্বর

আপডেট সময় ০৫:১৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিম্ন আদালতে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি গেজেট আকারে প্রকাশের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিদের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর বৈঠক হবে ১৬ নভেম্বর। সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রনালয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে। এর আগে গত ৫ নভেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম জানিয়েছিলেন ৯ নভেম্বর বৈঠকটি হতে পারে।

ওইদিন সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের করা চার সপ্তাহের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পায় সরকার। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ সময় মঞ্জুর করেন।

আর গত ৮ অক্টোবর আদালত গেজেট প্রকাশে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন। তার আগে একই বিষয়ে বহুবার সরকারকে সময় দেন আদালত। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবারই আরো সময় চেয়ে বারবার আবেদন করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়।