ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলায় ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাস আমবাগান এলাকায় ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ার সময় পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে আসামিরা।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন- মো. জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল। এদের মধ্যে তপন চন্দ্র সরকার, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ জানান, হত্যার ঘটনায় সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় ১০ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা নিহতের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পলাতক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর খুলশী থানার টাইগারপাস আমবাগান এলাকার ডিআইজি বাংলোর সামনে ছুরিকাঘাতে কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম (২২) নিহত হন। ওইদিন একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা দেখে বাধা দিতে গেলে ছিনতাইকারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আরও তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। মামলার মোট ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন। নিহত কাইয়ুম চট্টগ্রামের সন্দীপ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। ২০১২ সালের ৬ অক্টোবর কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৬:১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলায় ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাস আমবাগান এলাকায় ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ার সময় পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে আসামিরা।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন- মো. জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল। এদের মধ্যে তপন চন্দ্র সরকার, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ জানান, হত্যার ঘটনায় সাক্ষ্য-প্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় ১০ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা নিহতের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পলাতক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর খুলশী থানার টাইগারপাস আমবাগান এলাকার ডিআইজি বাংলোর সামনে ছুরিকাঘাতে কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম (২২) নিহত হন। ওইদিন একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা দেখে বাধা দিতে গেলে ছিনতাইকারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আরও তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। মামলার মোট ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন। নিহত কাইয়ুম চট্টগ্রামের সন্দীপ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। ২০১২ সালের ৬ অক্টোবর কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।