ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের মামলার আদেশ ৯ নভেম্বর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ভ্রমণরত অবস্থায় বিভিন্ন দেশের অপশক্তিসহ পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন বলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে নালিশী মামলা হয়েছে।

গতকাল বুধবার মামলা দায়েরের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাসুদ বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে মামলার গ্রহনযোগ্যতা সম্পর্কে আদেশেল জন্য আগামি ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু ফাউণ্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক দণ্ডবিধির ১২১(ক)/১২৪(ক)/১২৫ ধারায় খালেদার বিরুদ্ধে এই নালিশী মামলা করেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়, চিকিৎসা ও লণ্ডনে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে গত ১৫ জুলাই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হয়ে তিন মাস পর গত ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন বিএনপি নেত্রী খালেদা। গত ১৮ জুলাই থেকে চলমান সময় পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বসে দেশের অপশক্তিসহ পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র লিপ্ত হন। গত ১৮ ও ১৯ জুলাই গভীর রাতে লণ্ডনের সেন্ট জেমস কোর্ট এলাকার তাজ হোটেলে বসে আইএসআইয়ের সদস্য জুনায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি’ করতে খালেদা জিয়া ওই বৈঠক করেন।

আরজিতে আরও বলা হয়, লণ্ডনের সেইন্ট হোটেল বসে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমান সরকার প্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। এ ছাড়া খালেদা বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা ও লুণ্ঠন পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে বৈরি সম্পর্ক এবং যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরির উদ্দেশে বিভিন্ন রকম গোপন বৈঠক করেন। যা যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একাধিক প্রচারমাধ্যমে গত ২০ জুলাই থেকে প্রচার ও প্রকাশিত হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই ও ২৮ জুলাই বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে ওই সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়, গণমাধ্যমে খবর আসার পর ‘দীর্ঘসময় ধরে’ বঙ্গবন্ধু ফাউণ্ডেশনের লণ্ডন শাখার মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে বৈঠকের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

মামলায় বাংলাদেশের দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার, পূর্ব পশ্চিম ডট বিডির বার্তা সম্পাদক এবং যুক্তরাষ্টের পরশ টিভির বার্তা সম্পাদকসহ সাতজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালেদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের মামলার আদেশ ৯ নভেম্বর

আপডেট সময় ০১:১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ভ্রমণরত অবস্থায় বিভিন্ন দেশের অপশক্তিসহ পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন বলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে নালিশী মামলা হয়েছে।

গতকাল বুধবার মামলা দায়েরের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাসুদ বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে মামলার গ্রহনযোগ্যতা সম্পর্কে আদেশেল জন্য আগামি ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু ফাউণ্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক দণ্ডবিধির ১২১(ক)/১২৪(ক)/১২৫ ধারায় খালেদার বিরুদ্ধে এই নালিশী মামলা করেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়, চিকিৎসা ও লণ্ডনে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে গত ১৫ জুলাই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হয়ে তিন মাস পর গত ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন বিএনপি নেত্রী খালেদা। গত ১৮ জুলাই থেকে চলমান সময় পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বসে দেশের অপশক্তিসহ পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র লিপ্ত হন। গত ১৮ ও ১৯ জুলাই গভীর রাতে লণ্ডনের সেন্ট জেমস কোর্ট এলাকার তাজ হোটেলে বসে আইএসআইয়ের সদস্য জুনায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি’ করতে খালেদা জিয়া ওই বৈঠক করেন।

আরজিতে আরও বলা হয়, লণ্ডনের সেইন্ট হোটেল বসে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমান সরকার প্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। এ ছাড়া খালেদা বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা ও লুণ্ঠন পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে বৈরি সম্পর্ক এবং যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরির উদ্দেশে বিভিন্ন রকম গোপন বৈঠক করেন। যা যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একাধিক প্রচারমাধ্যমে গত ২০ জুলাই থেকে প্রচার ও প্রকাশিত হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই ও ২৮ জুলাই বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে ওই সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়, গণমাধ্যমে খবর আসার পর ‘দীর্ঘসময় ধরে’ বঙ্গবন্ধু ফাউণ্ডেশনের লণ্ডন শাখার মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে বৈঠকের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

মামলায় বাংলাদেশের দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার, পূর্ব পশ্চিম ডট বিডির বার্তা সম্পাদক এবং যুক্তরাষ্টের পরশ টিভির বার্তা সম্পাদকসহ সাতজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।