ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

এআই দিয়ে আপত্তিকর ছবি, উদয়ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

রাজধানীর উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহপাঠী ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তৈরি, অশ্লীল বার্তা পাঠানো এবং ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় বিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী উল্টো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ তাদের। ঘটনার জেরে আজ মঙ্গলবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদের ডিনের ছেলে হওয়ায় বিদ্যালয় প্রশাসন শুরু থেকেই একপেশে ও পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ দমাতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে তালা ভেঙে বেরিয়ে শিক্ষার্থীরা ‘হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই’ ও ‘মেয়েদের নিরাপত্তা চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। বিশেষ করে ‘ওর বাবা ডিন হলে আমাদের বাবা কি রিকশাওয়ালা?’—এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ও ন্যায়বিচারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করা, পাঠদান থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফেরানো এবং ডিনের প্রভাবমুক্ত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন। সকাল আটটা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত তাদের লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া অভিযোগে ছাত্রীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে আসছে। এক ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, সে তাদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে এবং অনেককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে বিব্রত করে। আগেও একাধিকবার শিক্ষকদের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমনকি সম্প্রতি আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর আগে দুবার অভিযোগ জমা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা।

ঘটনার সূত্রপাত অক্টোবরের শুরুতে। সে সময় ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে আপত্তিকর তথ্য ও ছবি মুছে ফেলতে বাধ্য করে এবং তাকে সতর্ক করে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পরদিন ৭ অক্টোবর অভিযুক্তের বাবা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন সহকারী প্রক্টর বিদ্যালয়ে গিয়ে উল্টো প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নালিশ জানান। ৮ অক্টোবর পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকেরা ১০ শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রায় ছয় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাদের ডিজিটাল প্রমাণসম্বলিত মুঠোফোন কেড়ে নেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে সময় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জানাতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি।

শিক্ষার্থীরা জানায়, এই ঘটনার পর থেকে তাদের ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তদন্তের নামে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং অভিযুক্তকে মারধরের স্বীকারোক্তি দিতে জোরপূর্বক কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পূজার ছুটিসহ প্রায় ২৫ দিন তারা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত ছিল এবং টিসি দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের বাসায় গিয়েও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

তদন্ত কমিটির বিষয়ে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, তদন্তের স্বার্থেই শিক্ষার্থীদের আপাতত ক্লাসরুমের বাইরে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনাস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং এ নিয়ে আজই উপাচার্যের (ভিসি) সঙ্গে কথা বলে পুনরায় সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, তদন্ত রিপোর্টে কোনো অনিয়ম থাকলে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানাতে পারবে এবং কোনো ধরনের অবিচার হতে দেওয়া হবে না। অভিভাবকদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শিখন ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করে দেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন, সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, ৭ অক্টোবর কয়েকজন সহপাঠী তাঁর ছেলেকে বিদ্যালয় থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। এ ঘটনার তদন্তে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী ও এনামুল হক সজীব রয়েছেন। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ

এআই দিয়ে আপত্তিকর ছবি, উদয়ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:০৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহপাঠী ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তৈরি, অশ্লীল বার্তা পাঠানো এবং ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় বিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী উল্টো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ তাদের। ঘটনার জেরে আজ মঙ্গলবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদের ডিনের ছেলে হওয়ায় বিদ্যালয় প্রশাসন শুরু থেকেই একপেশে ও পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ দমাতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে তালা ভেঙে বেরিয়ে শিক্ষার্থীরা ‘হয়রানিমুক্ত স্কুল চাই’ ও ‘মেয়েদের নিরাপত্তা চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। বিশেষ করে ‘ওর বাবা ডিন হলে আমাদের বাবা কি রিকশাওয়ালা?’—এমন স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ও ন্যায়বিচারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করা, পাঠদান থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফেরানো এবং ডিনের প্রভাবমুক্ত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন। সকাল আটটা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত তাদের লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া অভিযোগে ছাত্রীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে আসছে। এক ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, সে তাদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে এবং অনেককে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে বিব্রত করে। আগেও একাধিকবার শিক্ষকদের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। এমনকি সম্প্রতি আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর আগে দুবার অভিযোগ জমা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা।

ঘটনার সূত্রপাত অক্টোবরের শুরুতে। সে সময় ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে আপত্তিকর তথ্য ও ছবি মুছে ফেলতে বাধ্য করে এবং তাকে সতর্ক করে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পরদিন ৭ অক্টোবর অভিযুক্তের বাবা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন সহকারী প্রক্টর বিদ্যালয়ে গিয়ে উল্টো প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নালিশ জানান। ৮ অক্টোবর পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকেরা ১০ শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রায় ছয় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাদের ডিজিটাল প্রমাণসম্বলিত মুঠোফোন কেড়ে নেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে সময় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জানাতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি।

শিক্ষার্থীরা জানায়, এই ঘটনার পর থেকে তাদের ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তদন্তের নামে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয় এবং অভিযুক্তকে মারধরের স্বীকারোক্তি দিতে জোরপূর্বক কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পূজার ছুটিসহ প্রায় ২৫ দিন তারা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত ছিল এবং টিসি দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের বাসায় গিয়েও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

তদন্ত কমিটির বিষয়ে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, তদন্তের স্বার্থেই শিক্ষার্থীদের আপাতত ক্লাসরুমের বাইরে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনাস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং এ নিয়ে আজই উপাচার্যের (ভিসি) সঙ্গে কথা বলে পুনরায় সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আশ্বাস দেন যে, তদন্ত রিপোর্টে কোনো অনিয়ম থাকলে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানাতে পারবে এবং কোনো ধরনের অবিচার হতে দেওয়া হবে না। অভিভাবকদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শিখন ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করে দেওয়া হবে।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন, সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, ৭ অক্টোবর কয়েকজন সহপাঠী তাঁর ছেলেকে বিদ্যালয় থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছে। এ ঘটনার তদন্তে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী ও এনামুল হক সজীব রয়েছেন। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন।