ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ডি-৮ জোটে বাণিজ্যিক চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশের

উন্নয়নশীল আট দেশের জোট ডি-৮-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাঝে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) রূপরেখা দ্রুত সম্পন্ন ও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির (কমসেক) ৪২তম মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকের এক ফাঁকে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই তাগিদ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বৈঠকে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, জোটের কার্যকারিতা বাড়াতে এর পুনর্গঠন প্রয়োজন এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য বাধাগুলো অপসারণ করতে হবে। এফটিএ ও পিটিএর মতো চুক্তিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ডি-৮ সচিবালয়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন ও সমন্বয় বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি। এ জন্য এফটিএ ও পিটিএর রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নে ডি-৮ সচিবালয়কে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। ডি-৮-কে আরও অর্থবহ করতে এর পুনর্গঠন এবং ফলাফলভিত্তিক কার্যক্রম নেওয়ার প্রয়োজনিয়তা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা বাড়ানো, বাণিজ্যের বাধা দূর এবং জোটকে আরও কার্যকর করতে এর পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা।

জবাবে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে ডি-৮ সচিবালয় কাজ করছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব সোহাইল মাহমুদ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মহাসচিবের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে জোটের সচিবালয় ইস্তাম্বুলেই অবস্থিত।

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত এই জোটে ২০২৪ সালে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয় আজারবাইজান। ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডি-৮ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে তুরস্ক সফর করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডি-৮ জোটে বাণিজ্যিক চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশের

আপডেট সময় ০১:১৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

উন্নয়নশীল আট দেশের জোট ডি-৮-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাঝে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (পিটিএ) রূপরেখা দ্রুত সম্পন্ন ও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির (কমসেক) ৪২তম মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকের এক ফাঁকে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই তাগিদ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বৈঠকে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, জোটের কার্যকারিতা বাড়াতে এর পুনর্গঠন প্রয়োজন এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য বাধাগুলো অপসারণ করতে হবে। এফটিএ ও পিটিএর মতো চুক্তিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ডি-৮ সচিবালয়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন ও সমন্বয় বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি। এ জন্য এফটিএ ও পিটিএর রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নে ডি-৮ সচিবালয়কে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। ডি-৮-কে আরও অর্থবহ করতে এর পুনর্গঠন এবং ফলাফলভিত্তিক কার্যক্রম নেওয়ার প্রয়োজনিয়তা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা বাড়ানো, বাণিজ্যের বাধা দূর এবং জোটকে আরও কার্যকর করতে এর পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা।

জবাবে ডি-৮ মহাসচিব সোহাইল মাহমুদ বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে ডি-৮ সচিবালয় কাজ করছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব সোহাইল মাহমুদ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মহাসচিবের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে জোটের সচিবালয় ইস্তাম্বুলেই অবস্থিত।

১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত এই জোটে ২০২৪ সালে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয় আজারবাইজান। ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডি-৮ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে তুরস্ক সফর করছেন।