ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রলি ও লাগেজ নিয়ে বিশৃঙ্খলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মেজর (অব.

আখতারুজ্জামান।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার গোলাম ফারুক তাঁর কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় কারাফটকে তাঁর পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১ অক্টোবর রাতে বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। পরদিন ২ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের নিজ বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাঁকে এক দিনের রিমান্ডেও পাঠিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারের পর আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। আখতারুজ্জামানের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে।

নিম্ন আদালতে জামিন পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর আখতারুজ্জামান হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত রোববার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করলে, গতকাল সোমবার চেম্বার আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করে ‘নো অর্ডার’ প্রদান করেন। ফলে আখতারুজ্জামানের কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক জীবনে আখতারুজ্জামান ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির টিকিটে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে টানা দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব ছিলেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে পরাজিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। সবশেষ গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। তবে তাঁর গ্রেপ্তারের পর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেওয়ার আক্রোশ থেকেই তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের এক মাস পর তিনি কারামুক্তি পেলেন। এমন অবস্থার মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন আখতারুজ্জামান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডি-৮ জোটে বাণিজ্যিক চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশের

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান

আপডেট সময় ১২:২৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রলি ও লাগেজ নিয়ে বিশৃঙ্খলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মেজর (অব.

আখতারুজ্জামান।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার গোলাম ফারুক তাঁর কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় কারাফটকে তাঁর পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১ অক্টোবর রাতে বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। পরদিন ২ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের নিজ বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাঁকে এক দিনের রিমান্ডেও পাঠিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারের পর আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। আখতারুজ্জামানের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে।

নিম্ন আদালতে জামিন পেতে ব্যর্থ হওয়ার পর আখতারুজ্জামান হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত রোববার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করলে, গতকাল সোমবার চেম্বার আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করে ‘নো অর্ডার’ প্রদান করেন। ফলে আখতারুজ্জামানের কারামুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক জীবনে আখতারুজ্জামান ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির টিকিটে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে টানা দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব ছিলেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে পরাজিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। সবশেষ গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। তবে তাঁর গ্রেপ্তারের পর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেওয়ার আক্রোশ থেকেই তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের এক মাস পর তিনি কারামুক্তি পেলেন। এমন অবস্থার মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন আখতারুজ্জামান।