ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধার পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল জড়িত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের অপকর্মের পরিণতি সংশ্লিষ্ট দলটিকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে। কোনো মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ সমাজের কেউ মেনে নেয় না। যারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবেন না।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি জানান, আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে, তা থেকে জানা যায় একটি পলিটিক্যাল পার্টি এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সরাসরি ইনভলভ ছিল। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, এই কাজের কনসিকুয়েন্স বা পরিণতি তারা খুব শিগগিরই ফিল করবে। কারণ দেশের সাধারণ মানুষ এবং সচেতন সমাজ এই বিষয়টিকে একেবারেই সঠিকভাবে গ্রহণ করেনি।

মৃতদেহের অধিকার ও অতীত প্রসঙ্গ

অতীতের কিছু দৃষ্টান্ত স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এর আগেও দেশে অনুরূপ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। অতীতে কিছু ব্যক্তির বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গেও বাজে আচরণ করা হয়েছিল। তখন এমনকি ওই বিচারগুলোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি। তিনি মনে করিয়ে দেন, একজন মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন লাশের প্রতি সম্মান পাওয়ার অধিকার তার থাকে। মানুষ মারা যাওয়ার পর তার পরবর্তী বিচার একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছেই হবে।

আইনি ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

ডা. জাহেদ উর রহমান জোর দিয়ে বলেন, সমাজে যারা মৃতদেহের সঙ্গে এসব অন্যায় কাজ করছেন, তারা আল্টিমেটলি সর্বস্তরে ধিকৃত হবেন। এ ধরনের আচরণ করে সমাজে কারও কাছে প্রশংসা বা কোনো প্রকার সমর্থন পাওয়ার সুযোগ নেই।

একই ব্রিফিংয়ে টঙ্গীতে এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা বলেন, সরকার সব ধরনের অপরাধ ও অন্যায়কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার বিবেচনা করছে। কোথাও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে সরকার সেটিকে আমলে নিচ্ছে না। টঙ্গীর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতোমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সরকার কঠোরভাবে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখলে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা সমাজ থেকে অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

ছিনতাইয়ের হুমকির মুখে মার্কিন বিমান, মাঝআকাশ থেকে ফিরে গ্রেপ্তার যাত্রী

মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধার পরিণতি ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান

আপডেট সময় ০১:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল জড়িত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের অপকর্মের পরিণতি সংশ্লিষ্ট দলটিকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে। কোনো মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ সমাজের কেউ মেনে নেয় না। যারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবেন না।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি জানান, আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে, তা থেকে জানা যায় একটি পলিটিক্যাল পার্টি এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সরাসরি ইনভলভ ছিল। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, এই কাজের কনসিকুয়েন্স বা পরিণতি তারা খুব শিগগিরই ফিল করবে। কারণ দেশের সাধারণ মানুষ এবং সচেতন সমাজ এই বিষয়টিকে একেবারেই সঠিকভাবে গ্রহণ করেনি।

মৃতদেহের অধিকার ও অতীত প্রসঙ্গ

অতীতের কিছু দৃষ্টান্ত স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এর আগেও দেশে অনুরূপ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। অতীতে কিছু ব্যক্তির বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গেও বাজে আচরণ করা হয়েছিল। তখন এমনকি ওই বিচারগুলোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি। তিনি মনে করিয়ে দেন, একজন মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন লাশের প্রতি সম্মান পাওয়ার অধিকার তার থাকে। মানুষ মারা যাওয়ার পর তার পরবর্তী বিচার একমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছেই হবে।

আইনি ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

ডা. জাহেদ উর রহমান জোর দিয়ে বলেন, সমাজে যারা মৃতদেহের সঙ্গে এসব অন্যায় কাজ করছেন, তারা আল্টিমেটলি সর্বস্তরে ধিকৃত হবেন। এ ধরনের আচরণ করে সমাজে কারও কাছে প্রশংসা বা কোনো প্রকার সমর্থন পাওয়ার সুযোগ নেই।

একই ব্রিফিংয়ে টঙ্গীতে এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা বলেন, সরকার সব ধরনের অপরাধ ও অন্যায়কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার বিবেচনা করছে। কোথাও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে সরকার সেটিকে আমলে নিচ্ছে না। টঙ্গীর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতোমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সরকার কঠোরভাবে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখলে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা সমাজ থেকে অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।