ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলার হুমকি দিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দরটি আংশিক সচল করার সিদ্ধান্তের পরপরই ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি বিদ্রোহীরা সেখানে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছে। এর ফলে ওই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ফ্লাইট চলাচলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সরাসরি সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, রিয়াদ বিমানবন্দর এখনো তাদের সামরিক লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত। তিনি বিমান সংস্থা, যাত্রী এবং বিমানবন্দরের কর্মীদের স্থাপনাটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরটির কার্যক্রম আংশিকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। নতুন এই ব্যবস্থাপনার আওতায় টার্মিনাল-১ থেকে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, টার্মিনাল-২ সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ হামলায় ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তার খাতিরে বিমানবন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার মেয়াদ পরবর্তীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের বিমান অবকাঠামোয় এটিই ছিল অন্যতম বড় এবং ধ্বংসাত্মক হামলার ঘটনা।

বর্তমানে বিমানবন্দরটি পুনরায় খোলার উদ্যোগ নেওয়া হলেও হুতিদের এই হুমকির ফলে পরিস্থিতি বেশ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ফ্লাইট পরিচালনা স্বাভাবিক করা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। বিশেষ করে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে নিজেদের সামরিক কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে জোটবাহিনীর বিমান হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর অভিযানও চলমান রয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি সামরিক কর্মকাণ্ডের কারণে সংঘাতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলার হুমকি দিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা

আপডেট সময় ০৮:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দরটি আংশিক সচল করার সিদ্ধান্তের পরপরই ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি বিদ্রোহীরা সেখানে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছে। এর ফলে ওই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ফ্লাইট চলাচলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সরাসরি সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, রিয়াদ বিমানবন্দর এখনো তাদের সামরিক লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত। তিনি বিমান সংস্থা, যাত্রী এবং বিমানবন্দরের কর্মীদের স্থাপনাটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরটির কার্যক্রম আংশিকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। নতুন এই ব্যবস্থাপনার আওতায় টার্মিনাল-১ থেকে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, টার্মিনাল-২ সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ হামলায় ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তার খাতিরে বিমানবন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার মেয়াদ পরবর্তীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের বিমান অবকাঠামোয় এটিই ছিল অন্যতম বড় এবং ধ্বংসাত্মক হামলার ঘটনা।

বর্তমানে বিমানবন্দরটি পুনরায় খোলার উদ্যোগ নেওয়া হলেও হুতিদের এই হুমকির ফলে পরিস্থিতি বেশ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ফ্লাইট পরিচালনা স্বাভাবিক করা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। বিশেষ করে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে।

আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে নিজেদের সামরিক কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে জোটবাহিনীর বিমান হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর অভিযানও চলমান রয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি সামরিক কর্মকাণ্ডের কারণে সংঘাতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।