ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেছেন, আমরা একটি গাড়ি নিয়ে ৫ জন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব যে এটি আমার ‘কামাই’।

বুধবার বিকালে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় তাদের পুলিশ আটকে দিলে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাদের মূলত আটকানো হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুসহ কয়েকজন বুধবার বিকালে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথম দফায় শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার পর তারা সেখান থেকে অতিক্রম করেন। এরপরই তাদের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় আবারও আটকে দেওয়া হয়। তখন ফের তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডা হয়।

এ সময় একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের মৌলভীবাজারে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন; কিন্তু এনসিপি নেতারা তাতে কোনোভাবেই সায় দিচ্ছেন না। তারা হবিগঞ্জে পৌঁছার দাবিতে অনড় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে জুলাই পদযাত্রার সভা শেষ করে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে সার্কিট হাউসে যাওয়ার পথে সবুজবাগ এলাকায় পৌঁছলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমের ওপর হামলা চালায় একদল যুবক। এ সময় তাদের বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে তারা সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখার ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেন। তখন দুইপক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

পরে পুলিশ গিয়ে রাত ৮টার দিকে তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। রাত ১১টায় সারজিস আলম মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং এনসিপি পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত

আপডেট সময় ১০:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেছেন, আমরা একটি গাড়ি নিয়ে ৫ জন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব যে এটি আমার ‘কামাই’।

বুধবার বিকালে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় তাদের পুলিশ আটকে দিলে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাদের মূলত আটকানো হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুসহ কয়েকজন বুধবার বিকালে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথম দফায় শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার পর তারা সেখান থেকে অতিক্রম করেন। এরপরই তাদের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় আবারও আটকে দেওয়া হয়। তখন ফের তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডা হয়।

এ সময় একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের মৌলভীবাজারে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন; কিন্তু এনসিপি নেতারা তাতে কোনোভাবেই সায় দিচ্ছেন না। তারা হবিগঞ্জে পৌঁছার দাবিতে অনড় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে জুলাই পদযাত্রার সভা শেষ করে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে সার্কিট হাউসে যাওয়ার পথে সবুজবাগ এলাকায় পৌঁছলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমের ওপর হামলা চালায় একদল যুবক। এ সময় তাদের বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে তারা সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখার ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেন। তখন দুইপক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

পরে পুলিশ গিয়ে রাত ৮টার দিকে তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। রাত ১১টায় সারজিস আলম মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং এনসিপি পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।