ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

যুবককে কুপিয়ে হত্যা: ২১ বছর পর ২ ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২১ বছর আগে রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- সোহেল রানা ওরফে কালু ও নাজিম উদ্দিন ওরফে নজু।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খলিলুর রহমান (খলিল) বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। তারা পলাতক রয়েছে। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোরে শফিক বগুড়া থেকে বাসে এসে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নামেন। সেখানে বন্ধুর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পথে এশিয়া সিনেমা হলের সামনে পৌঁছালে তিন ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শফিকের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। শফিক বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়।

স্থানীয় লোকজন শফিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আকবর আলী মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা হওয়ার পর পুলিশ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত সোহেল রানা ওরফে কালু ও নাজিমকে গ্রেফতার করে। হত্যার দায় স্বীকার করে কালু আদালতে জবানবন্দিও দেন। তবে পরে তারা জামিন নিয়ে বেরিয়ে পালিয়ে যান।

তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক রেজাউল করিম দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

তবে আসামিরা পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আসামিদের সাজার রায় এলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুবককে কুপিয়ে হত্যা: ২১ বছর পর ২ ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২১ বছর আগে রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- সোহেল রানা ওরফে কালু ও নাজিম উদ্দিন ওরফে নজু।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খলিলুর রহমান (খলিল) বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। তারা পলাতক রয়েছে। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোরে শফিক বগুড়া থেকে বাসে এসে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নামেন। সেখানে বন্ধুর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পথে এশিয়া সিনেমা হলের সামনে পৌঁছালে তিন ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শফিকের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। শফিক বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়।

স্থানীয় লোকজন শফিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আকবর আলী মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা হওয়ার পর পুলিশ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত সোহেল রানা ওরফে কালু ও নাজিমকে গ্রেফতার করে। হত্যার দায় স্বীকার করে কালু আদালতে জবানবন্দিও দেন। তবে পরে তারা জামিন নিয়ে বেরিয়ে পালিয়ে যান।

তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক রেজাউল করিম দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

তবে আসামিরা পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আসামিদের সাজার রায় এলো।