ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাকাশের ছবি তুলতে চিলির পাহাড়ে বসলো দানবীয় ক্যামেরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর ইতিহাসে তৈরি সবচেয়ে বড় বা বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তুলতে শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।

এই দানবীয় টেলিস্কোপটি আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে।

প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ক্যামেরা দিয়ে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে পারে। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার কারণে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, এখন সেগুলোও পরিষ্কার দেখা যাবে।

পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল বলেন, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন, যা তারা আগে কখনো পারেননি। এর আগে গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার বা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষ মানে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।

আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন ও জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি তৈরি হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামের একটি রহস্যময় উপাদান লুকিয়ে আছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান মিলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাকাশের ছবি তুলতে চিলির পাহাড়ে বসলো দানবীয় ক্যামেরা

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পৃথিবীর ইতিহাসে তৈরি সবচেয়ে বড় বা বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তুলতে শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।

এই দানবীয় টেলিস্কোপটি আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে।

প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ক্যামেরা দিয়ে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে পারে। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার কারণে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, এখন সেগুলোও পরিষ্কার দেখা যাবে।

পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল বলেন, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন, যা তারা আগে কখনো পারেননি। এর আগে গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার বা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষ মানে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।

আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন ও জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি তৈরি হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামের একটি রহস্যময় উপাদান লুকিয়ে আছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান মিলবে।