ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চুক্তি করতে ‌‘মরিয়া’ ইরান, কিন্তু ‘প্রাণভয়ে’ মুখ খুলছে না: ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চরমভাবে ‘মরিয়া’ হয়ে আছে, কিন্তু প্রাণনাশের ভয়ে তারা তা প্রকাশ্যে বলতে পারছে না।

বুধবার ওয়াশিংটনে হাউস রিপাবলিকান প্রচারণার এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তা নজিরবিহীন এবং এর ফলেই তেহরান আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমরা ইরানের সঙ্গে যা করছি তা আগে কেউ কখনো দেখেনি। তারা এখন আলোচনার পথে হাঁটছে এবং একটি চুক্তি করতে এতটাই আগ্রহী যে তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু তারা এটি সরাসরি বলতে ভয় পাচ্ছে, কারণ তারা মনে করছে যে নিজের দেশের জনগণ অথবা মার্কিন বাহিনীর হাতে তাদের মৃত্যু হতে পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছিল যে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। যদিও ইরান তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের ১৫ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি, তবু ওয়াশিংটন এই অচলাবস্থা নিরসনে পাকিস্তানের মাটিতে একটি বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে মার্কিন চাপের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করলেও সেটিকে প্রথাগত ‘আলোচনা’ হিসেবে মানতে নারাজ। আরাঘচি জোর দিয়ে বলেছেন যে, শুধুমাত্র বার্তার আদান-প্রদান মানেই এই নয় যে দুই পক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় পৌঁছেছে।

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের এই আবহে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে পর্দার আড়ালে চলা এই যোগাযোগের ফল শেষ পর্যন্ত কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান

চুক্তি করতে ‌‘মরিয়া’ ইরান, কিন্তু ‘প্রাণভয়ে’ মুখ খুলছে না: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:২০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চরমভাবে ‘মরিয়া’ হয়ে আছে, কিন্তু প্রাণনাশের ভয়ে তারা তা প্রকাশ্যে বলতে পারছে না।

বুধবার ওয়াশিংটনে হাউস রিপাবলিকান প্রচারণার এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তা নজিরবিহীন এবং এর ফলেই তেহরান আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমরা ইরানের সঙ্গে যা করছি তা আগে কেউ কখনো দেখেনি। তারা এখন আলোচনার পথে হাঁটছে এবং একটি চুক্তি করতে এতটাই আগ্রহী যে তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু তারা এটি সরাসরি বলতে ভয় পাচ্ছে, কারণ তারা মনে করছে যে নিজের দেশের জনগণ অথবা মার্কিন বাহিনীর হাতে তাদের মৃত্যু হতে পারে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছিল যে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। যদিও ইরান তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের ১৫ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি, তবু ওয়াশিংটন এই অচলাবস্থা নিরসনে পাকিস্তানের মাটিতে একটি বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে মার্কিন চাপের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করলেও সেটিকে প্রথাগত ‘আলোচনা’ হিসেবে মানতে নারাজ। আরাঘচি জোর দিয়ে বলেছেন যে, শুধুমাত্র বার্তার আদান-প্রদান মানেই এই নয় যে দুই পক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতায় পৌঁছেছে।

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের এই আবহে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে পর্দার আড়ালে চলা এই যোগাযোগের ফল শেষ পর্যন্ত কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।