ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।