ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: তাসনিম জারা

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

মঙ্গলে একসময় ছিল বড় হ্রদ, জানাল নাসা

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

মঙ্গল গ্রহে একসময় পানি ছিল এ কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছিলেন। এবার সেই ধারণা আরও শক্ত হলো। নাসার পাঠানো রোবট পারসিভিয়ারেন্স রোভার (মঙ্গল গ্রহে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করা যন্ত্র) মঙ্গলে একটি প্রাচীন সমুদ্রতট বা সৈকতের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলে একটি বড় হ্রদ ছিল। সেই হ্রদের পাড় বা তীরের অংশই এখন ধরা পড়েছে। এই আবিষ্কার হয়েছে মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটার এলাকায়। পারসিভিয়ারেন্স রোভার সেখানে ২০২১ সাল থেকে কাজ করছে।

গবেষকরা দেখেছেন, ওই এলাকায় ছোট গোলাকার বালুকণার মতো পাথর আছে। এসব পাথর সাধারণত পানির ঢেউয়ে তৈরি হয়। এতে বোঝা যায়, সেখানে একসময় শান্ত পানি ছিল। ঢেউ এসে পাথরগুলো ধীরে ধীরে ঘষে এমন আকার দিয়েছে। অর্থাৎ, মঙ্গলে একসময় দীর্ঘদিন ধরে পানি ছিল।

এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন–এর বিজ্ঞানীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, পৃথিবীতে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের পাড়ে প্রাণ সহজে জন্মায়। কারণ সেখানে পানি থাকে। মঙ্গলে যদি তেমন পরিবেশ থেকে থাকে, তাহলে সেখানে অতীতে খুব ছোট জীবাণু বা জীবনের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

আরও জানা গেছে, শুধু ওপরের অংশ নয়, মাটির নিচেও পানি চলাচল করত। দীর্ঘ সময় ধরে এই পানি পাথরের গঠন বদলে দিয়েছে। পৃথিবীতে এমন জায়গায় অনেক সময় জীবাণু বেঁচে থাকতে দেখা যায়।

পারসিভিয়ারেন্স রোভার এখন মঙ্গলের পাথর ও মাটি সংগ্রহ করছে। ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা হবে। তখন আরও ভালোভাবে পরীক্ষা করে জানা যাবে—মঙ্গলে সত্যিই একসময় প্রাণ ছিল কি না।