ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মরে যাওয়া তারার চারপাশে রহস্যময় মেঘ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এক তারার শেষ সময়। আর সেই শেষ যাত্রার ছবি তুলেছে নাসা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তারাটির চারপাশে গ্যাস ও ধুলোর উজ্জ্বল মেঘ। আকারে সেটি অনেকটা মানুষের মস্তিষ্কের মতো। তাই বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘এক্সপোজড ক্রেনিয়াম’ (অর্থাৎ খোলা খুলি)। এর সরকারি নাম পিএমআর–১।

নাসা জানিয়েছে, এই ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কোনো তারা যখন জীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন সে তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছুড়ে ফেলে। সেই গ্যাস ও ধুলো মিলেই তৈরি হয় নীহারিকা (আলোকিত গ্যাসের মেঘ)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নানা রঙ ও আকৃতি ধারণ করে।

নাসার বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিতে বাইরের যে খোলস দেখা যাচ্ছে, তা মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। এটি প্রথমে বাইরে ছিটকে গিয়েছিল। ভেতরের অংশে রয়েছে আরও জটিল গ্যাসের মেঘ। মাঝখানে যে কালো রেখা দেখা যায়, তা সম্ভবত কেন্দ্রে থাকা মরতে থাকা তারার শক্তিশালী বিস্ফোরণের (তীব্র শক্তি নির্গমন) ফল।

এই নীহারিকাটি প্রথম ১০ বছরেরও বেশি আগে স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলোতে শনাক্ত করেছিল। এখন জেমস ওয়েব আরও স্পষ্ট ও পরিষ্কার ছবি তুলেছে। এতে এর মস্তিষ্কের মতো গঠন পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে। এটি বিগ ব্যাংয়ের পর আলো থেকে শুরু করে তারা, গ্রহ ও সৌরজগতের সৃষ্টি পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি তারাটি খুব বড় হয়, তবে ভবিষ্যতে এটি সুপারনোভা (বিশাল বিস্ফোরণ) হিসেবেও ফেটে যেতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মরে যাওয়া তারার চারপাশে রহস্যময় মেঘ

আপডেট সময় ১০:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে এক তারার শেষ সময়। আর সেই শেষ যাত্রার ছবি তুলেছে নাসা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তারাটির চারপাশে গ্যাস ও ধুলোর উজ্জ্বল মেঘ। আকারে সেটি অনেকটা মানুষের মস্তিষ্কের মতো। তাই বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘এক্সপোজড ক্রেনিয়াম’ (অর্থাৎ খোলা খুলি)। এর সরকারি নাম পিএমআর–১।

নাসা জানিয়েছে, এই ছবি তুলেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। কোনো তারা যখন জীবনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন সে তার বাইরের স্তর মহাকাশে ছুড়ে ফেলে। সেই গ্যাস ও ধুলো মিলেই তৈরি হয় নীহারিকা (আলোকিত গ্যাসের মেঘ)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নানা রঙ ও আকৃতি ধারণ করে।

নাসার বিবৃতিতে বলা হয়, ছবিতে বাইরের যে খোলস দেখা যাচ্ছে, তা মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস। এটি প্রথমে বাইরে ছিটকে গিয়েছিল। ভেতরের অংশে রয়েছে আরও জটিল গ্যাসের মেঘ। মাঝখানে যে কালো রেখা দেখা যায়, তা সম্ভবত কেন্দ্রে থাকা মরতে থাকা তারার শক্তিশালী বিস্ফোরণের (তীব্র শক্তি নির্গমন) ফল।

এই নীহারিকাটি প্রথম ১০ বছরেরও বেশি আগে স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলোতে শনাক্ত করেছিল। এখন জেমস ওয়েব আরও স্পষ্ট ও পরিষ্কার ছবি তুলেছে। এতে এর মস্তিষ্কের মতো গঠন পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে। এটি বিগ ব্যাংয়ের পর আলো থেকে শুরু করে তারা, গ্রহ ও সৌরজগতের সৃষ্টি পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি তারাটি খুব বড় হয়, তবে ভবিষ্যতে এটি সুপারনোভা (বিশাল বিস্ফোরণ) হিসেবেও ফেটে যেতে পারে।