ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ওজন কমানোর ইনজেকশনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে: ইউসিএল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদির কারণে ওজন বাড়তে পারে।

ফাস্ট ফুডসহ মিষ্টি জাতীয় খাবারের ফলেও শরীরে মেদ জমে ওজন বাড়তে পারে। অনেকে পরিশ্রম কিংবা সঠিক নিয়ম না মেনে ওজন কমাতে ইনজেকশন নিয়ে থাকেন। কিন্তু, ওজন কমানোর এ ইনজেকশন শরীরের জন্য খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (UCL) এর গবেষকরা।

তারা বলছেন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ‘অফ-লেবেল’ ইনজেকশন ব্যবহার গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ইউসিএলের গবেষকরা ৫ হাজার ২৬০ জনের ওপর জরিপ চালান। সাম্প্রতিক সময়ে করা অন্য আরেক জরিপে দেখা যায়, গত বছর যুক্তরাজ্যে কমপক্ষে ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করেছেন। ব্যবহারকারীর প্রতি সাতজনে একজন ওজন কমানোর বিনা প্রেসক্রিপশনে ওষুধ গ্রহণ করেন।

তাদের জরিপে উঠে আসে, এ বছর আনুমানিক ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহার করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়েগোভি ও মুনজারোর (ক্ষুধা কমিয়ে পেট ভরা অনুভব করায়) মতো ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেক ব্যক্তি ওজন কমানোর জন্য প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এ ওষুধগুলি কিনছেন বলে জরিপে উঠে আসে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহারের ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, পেটের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, কিছু ক্ষেত্রে হরমোনজনিত সমস্যা। যাদের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা অন্য কোনো দীর্ঘ মেয়াদি রোগ আছে, এ ইনজেকশন ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সবচেয়ে ভালো উপায়। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা,চিনি ও প্রসেসড ফুড পরিহার করা, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিতের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওজন কমানোর ইনজেকশনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে: ইউসিএল

আপডেট সময় ১০:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মানসিক চাপ, অপর্যাপ্ত ঘুম, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদির কারণে ওজন বাড়তে পারে।

ফাস্ট ফুডসহ মিষ্টি জাতীয় খাবারের ফলেও শরীরে মেদ জমে ওজন বাড়তে পারে। অনেকে পরিশ্রম কিংবা সঠিক নিয়ম না মেনে ওজন কমাতে ইনজেকশন নিয়ে থাকেন। কিন্তু, ওজন কমানোর এ ইনজেকশন শরীরের জন্য খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (UCL) এর গবেষকরা।

তারা বলছেন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ‘অফ-লেবেল’ ইনজেকশন ব্যবহার গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ইউসিএলের গবেষকরা ৫ হাজার ২৬০ জনের ওপর জরিপ চালান। সাম্প্রতিক সময়ে করা অন্য আরেক জরিপে দেখা যায়, গত বছর যুক্তরাজ্যে কমপক্ষে ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করেছেন। ব্যবহারকারীর প্রতি সাতজনে একজন ওজন কমানোর বিনা প্রেসক্রিপশনে ওষুধ গ্রহণ করেন।

তাদের জরিপে উঠে আসে, এ বছর আনুমানিক ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন মানুষ ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহার করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওয়েগোভি ও মুনজারোর (ক্ষুধা কমিয়ে পেট ভরা অনুভব করায়) মতো ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অনেক ব্যক্তি ওজন কমানোর জন্য প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এ ওষুধগুলি কিনছেন বলে জরিপে উঠে আসে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহারের ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, পেটের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, কিছু ক্ষেত্রে হরমোনজনিত সমস্যা। যাদের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা অন্য কোনো দীর্ঘ মেয়াদি রোগ আছে, এ ইনজেকশন ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সবচেয়ে ভালো উপায়। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা,চিনি ও প্রসেসড ফুড পরিহার করা, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিতের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।