ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

কিছু হলেই লেজ তুলে পালিয়ে যাওয়াই আ.লীগের স্বভাব: টুকু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, গত ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের দোকান খুলে টোটকা মলম বিক্রি করেছে; কিন্তু ইতিহাস সেটা নয়। তাদের ইতিহাস পলায়নের। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর তারা পালিয়েছে। কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ৭১-এর পরে গাছের পাতাও বাকশাল ছিল; কিন্তু ১৫ আগস্টের পর তাদের নেতার লাশ পড়ে থাকলেও সবাই পালিয়ে গিয়েছিল। তাদের স্বভাব কিছু হলেই লেজ তুলে মামু বাড়িতে পালিয়ে যায়।

বুধবার বিকালে যশোর টাউন হল ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শেখ মুজিব ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। ওটা ছিল প্রধানমন্ত্রীত্ব প্রাপ্তির ভাষণ। তবে ওটা ওনার জীবনের শ্রেষ্ঠ বক্তৃতা ছিল। স্বাধীনতার ঘোষণা হলে ওই জনসভা থেকে মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত। স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছিল জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে। তার ঘোষণায় উদ্বেলিত হয়ে বাংলার জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি বলছে এ দেশের সাত কোটি মানুষের বিজয়ের ইতিহাস নাকি তাদের। মোদির এ ঔদ্ধত্যের দায় শুধু আওয়ামী লীগের।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সামনে অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী প্রকাশ্যে আসবে; কিন্তু তাদের জায়গা বিএনপিতে হবে না। আপনারা আনন্দ উল্লাস মেতেন না। ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে হবে। এজন্য মানুষের ভালোবাসা অর্জনের চেষ্টা করেন।

আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কিছু হলেই লেজ তুলে পালিয়ে যাওয়াই আ.লীগের স্বভাব: টুকু

আপডেট সময় ১১:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, গত ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের দোকান খুলে টোটকা মলম বিক্রি করেছে; কিন্তু ইতিহাস সেটা নয়। তাদের ইতিহাস পলায়নের। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর তারা পালিয়েছে। কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ৭১-এর পরে গাছের পাতাও বাকশাল ছিল; কিন্তু ১৫ আগস্টের পর তাদের নেতার লাশ পড়ে থাকলেও সবাই পালিয়ে গিয়েছিল। তাদের স্বভাব কিছু হলেই লেজ তুলে মামু বাড়িতে পালিয়ে যায়।

বুধবার বিকালে যশোর টাউন হল ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শেখ মুজিব ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। ওটা ছিল প্রধানমন্ত্রীত্ব প্রাপ্তির ভাষণ। তবে ওটা ওনার জীবনের শ্রেষ্ঠ বক্তৃতা ছিল। স্বাধীনতার ঘোষণা হলে ওই জনসভা থেকে মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত। স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছিল জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে। তার ঘোষণায় উদ্বেলিত হয়ে বাংলার জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি বলছে এ দেশের সাত কোটি মানুষের বিজয়ের ইতিহাস নাকি তাদের। মোদির এ ঔদ্ধত্যের দায় শুধু আওয়ামী লীগের।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সামনে অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী প্রকাশ্যে আসবে; কিন্তু তাদের জায়গা বিএনপিতে হবে না। আপনারা আনন্দ উল্লাস মেতেন না। ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে হবে। এজন্য মানুষের ভালোবাসা অর্জনের চেষ্টা করেন।

আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু প্রমুখ।