ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নভোচারীরা মহাকাশ ছেড়ে পালাচ্ছেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ছেড়ে পৃথিবীতে ফেরার অপেক্ষায় আছেন নভোচারীরা। পূর্ব কোনো ঘোষণা ছাড়াই সোমবার পরপর চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে দেশটি। সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একটি কৃত্রিম উপগ্রহকে। পরে সেই উপগ্রহের টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মহাকাশে। যা কক্ষপথে ২৭ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করে। এসব টুকরা একটু হলেই পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আঘাত লাগত। নাসার মিশন কন্ট্রোল রুম থেকে এ খবর পেয়ে মহাকাশচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রাণ বাঁচাতে মহাকাশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে ৭ জন মহাকাশচারী চেপে বসেন পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষারত মহাকাশযানে। নভোচারীদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকা, জাপান ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। চার দশক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে একটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘রসকসমস’। সেই উপগ্রহটির নাম ছিল ‘কসমস ১৪০৮’। সাবেক সোভিয়েত জামানায় উপগ্রহটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয় বিভিন্ন দেশের ওপর গোয়েন্দাগিরির জন্য। যদিও কয়েক দশক আগেই কার্যকালের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়ে অচল হয়ে পড়ে উপগ্রহটি। তা ধ্বংস করতেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।

নাসার অভিযোগ, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উপগ্রহটিকে উড়িয়ে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, চীন বা ইউরোপের কোনো দেশের মহাকাশ সংস্থাকেই জানায়নি রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এ ঘটনা আগামী দিনে মহাকাশে বিভিন্ন দেশের পেশি প্রদর্শন ও সমরসম্ভার পাঠানোর গোপন প্রস্তুতিতে আরও উৎসাহিত করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নভোচারীরা মহাকাশ ছেড়ে পালাচ্ছেন

আপডেট সময় ০৮:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহাকাশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ছেড়ে পৃথিবীতে ফেরার অপেক্ষায় আছেন নভোচারীরা। পূর্ব কোনো ঘোষণা ছাড়াই সোমবার পরপর চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে দেশটি। সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা একটি কৃত্রিম উপগ্রহকে। পরে সেই উপগ্রহের টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে মহাকাশে। যা কক্ষপথে ২৭ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করে। এসব টুকরা একটু হলেই পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আঘাত লাগত। নাসার মিশন কন্ট্রোল রুম থেকে এ খবর পেয়ে মহাকাশচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রাণ বাঁচাতে মহাকাশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে ৭ জন মহাকাশচারী চেপে বসেন পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষারত মহাকাশযানে। নভোচারীদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকা, জাপান ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। চার দশক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে একটি উপগ্রহ পাঠিয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘রসকসমস’। সেই উপগ্রহটির নাম ছিল ‘কসমস ১৪০৮’। সাবেক সোভিয়েত জামানায় উপগ্রহটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয় বিভিন্ন দেশের ওপর গোয়েন্দাগিরির জন্য। যদিও কয়েক দশক আগেই কার্যকালের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়ে অচল হয়ে পড়ে উপগ্রহটি। তা ধ্বংস করতেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।

নাসার অভিযোগ, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে উপগ্রহটিকে উড়িয়ে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, চীন বা ইউরোপের কোনো দেশের মহাকাশ সংস্থাকেই জানায়নি রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এ ঘটনা আগামী দিনে মহাকাশে বিভিন্ন দেশের পেশি প্রদর্শন ও সমরসম্ভার পাঠানোর গোপন প্রস্তুতিতে আরও উৎসাহিত করবে।