ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জাতীয় স্বার্থে স্যামসাংপ্রধানকে মুক্তি দিলো দ.কোরিয়া

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাংপ্রধান লি জে ইয়ং কে মুক্তি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাই’কে ঘুষ দেওয়া এবং অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আড়াই বছরের সাজা নিয়ে গেল জানুয়ারি থেকে বন্দি ছিলেন লি।

বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে লি’র মুক্তির খবর জানা যায়। প্যারোলে মুক্তি’র পর জেলের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন লি জে ইয়ং।

লি জে ইয়ং বলেন, জনগণের জন্য আমি অনেক উদ্বগের জন্ম দিয়েছি। এরজন্য আমি ক্ষমা চাইছি। আমি সেসব উদ্বেগের বিষয়ে অবগত আছি। আমার প্রতি সবার সমালোচনা এবং প্রত্যাশাও জানি। আমি কঠোর পরিশ্রম করবো।
লি জে ইয়ং স্যামসাং এর প্রতিষ্ঠাতা লি ইয়ং চুপের নাতি। আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ২০১৪ সাল থেকে স্যামসাংয়ের প্রধান হিসেবে রয়েছেন তিনি।

লি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, দক্ষিণ কোরিয়ার দু’টি অলাভজন প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ দশমিক সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন তিনি। এই দু’টি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক ছিল দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাই এর ঘনিষ্ঠ মিত্র চৌ সুন সিল। এ অনুদানের বিনিময়ে, স্যামসাং এর বিতর্কিত ‘মার্জিং ডিল’ (দুই বা একাধিক ব্যবসার একীভূত হওয়া) পেয়েছিল সরকারি সমর্থন। ফলে খুব সহজেই স্যামসাং এর প্রধান হতে পেরেছিলেন লি।

লি’কে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আদেশে দেশটির বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক বাজারে করোনা মহামারির প্রভাব দেখে লি’কে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তাকে জাতীয় স্বার্থে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে বিষয়টি বোঝার অনুরোধ করছি। তাকে মুক্তি দেওয়ার পক্ষে এবং বিপক্ষে উভয় দিকেই জন সমর্থন রয়েছে। যারা এর বিরোধিতা করছেন তারাও সঠিক। কিন্তু এমনও অনেকে আছেন যারা সরকারের কাছে তার প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করেছেন এবং বিশ্বাস রাখছেন যে, এ মহামারিতে তিনি সেমি-কন্ডাক্টর এবং টিকা নিয়ে দেশের জন্য অবদান রাখবেন।

আড়াই বছরের সাজার মধ্যে ২০৭ দিন জেল খেটেছেন লি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয় স্বার্থে স্যামসাংপ্রধানকে মুক্তি দিলো দ.কোরিয়া

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাংপ্রধান লি জে ইয়ং কে মুক্তি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাই’কে ঘুষ দেওয়া এবং অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আড়াই বছরের সাজা নিয়ে গেল জানুয়ারি থেকে বন্দি ছিলেন লি।

বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে লি’র মুক্তির খবর জানা যায়। প্যারোলে মুক্তি’র পর জেলের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন লি জে ইয়ং।

লি জে ইয়ং বলেন, জনগণের জন্য আমি অনেক উদ্বগের জন্ম দিয়েছি। এরজন্য আমি ক্ষমা চাইছি। আমি সেসব উদ্বেগের বিষয়ে অবগত আছি। আমার প্রতি সবার সমালোচনা এবং প্রত্যাশাও জানি। আমি কঠোর পরিশ্রম করবো।
লি জে ইয়ং স্যামসাং এর প্রতিষ্ঠাতা লি ইয়ং চুপের নাতি। আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ২০১৪ সাল থেকে স্যামসাংয়ের প্রধান হিসেবে রয়েছেন তিনি।

লি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, দক্ষিণ কোরিয়ার দু’টি অলাভজন প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ দশমিক সাত মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন তিনি। এই দু’টি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক ছিল দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন হাই এর ঘনিষ্ঠ মিত্র চৌ সুন সিল। এ অনুদানের বিনিময়ে, স্যামসাং এর বিতর্কিত ‘মার্জিং ডিল’ (দুই বা একাধিক ব্যবসার একীভূত হওয়া) পেয়েছিল সরকারি সমর্থন। ফলে খুব সহজেই স্যামসাং এর প্রধান হতে পেরেছিলেন লি।

লি’কে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আদেশে দেশটির বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক বাজারে করোনা মহামারির প্রভাব দেখে লি’কে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, তাকে জাতীয় স্বার্থে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে বিষয়টি বোঝার অনুরোধ করছি। তাকে মুক্তি দেওয়ার পক্ষে এবং বিপক্ষে উভয় দিকেই জন সমর্থন রয়েছে। যারা এর বিরোধিতা করছেন তারাও সঠিক। কিন্তু এমনও অনেকে আছেন যারা সরকারের কাছে তার প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করেছেন এবং বিশ্বাস রাখছেন যে, এ মহামারিতে তিনি সেমি-কন্ডাক্টর এবং টিকা নিয়ে দেশের জন্য অবদান রাখবেন।

আড়াই বছরের সাজার মধ্যে ২০৭ দিন জেল খেটেছেন লি।