আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খানের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।
সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালেন মাশরাফি বিন মুর্তজাও। এ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে উত্তপ্ত ছিল দেশের ক্রিকেটাঙ্গন।
এবার আকরাম খানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ালেন বিসিবির আরেক পরিচালক ও একসময়ের সতীর্থ খালেদ মাহমুদ সুজন।
আকরাম খানের দিকে সরাসরি আঙুল তুললেন জাতীয় দলের এ সাবেক তারকা।
ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের পদে থাকার পরও তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কমিটির মিটিংয়েও তাকে অগ্রাহ্য করা হয়। কমিটির কোনো মিটিংয়েই ডাকা হয় না তাকে।
আকরাম খানসহ ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির বিরুদ্ধে এমন সব অভিযোগ আনলেন সুজন।
বাংলাদেশ দলে যুক্ত হওয়া স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ ও ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সের নিয়োগ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সোমবার সাংবাদিকদের সামনে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন সুজন।
বলেন, ‘আমি এখনও ক্রিকেট অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান আছি কিনা, এটিই নিশ্চিত নই। নামে আছি, কিন্তু আমার কোনো মিটিংয়ে থাকা হয় না। আমাকে ডাকাও হয় না। মাঝখানে দুই বছর ইমেইলই পাইনি। এখন অবশ্য মাঝেমধ্যে পাই।’
‘এ’ দল থাকতে কেন বাংলাদেশ টাইগার্স নামে ছায়া দল করতে হলো— সেই প্রশ্নও তোলেন খালেদ মাহমুদ।
সুজন জানালেন, আকরামের অন্য ব্যবসার কারণে মাঠে আসারই সময় পান না, যে কারণে ক্রিকেটাররাও পান না আকরামের দেখা। তাই এমনটি হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আকরাম খানের সঙ্গে আসলে ক্রিকেটারদের সে রকম সম্পর্ক তৈরি হয়নি। বিসিবির পরিচালকদের কাজ বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন করা। খেলোয়াড়দের সঙ্গে হয়তো আকরাম ভাইয়ের সেভাবে দেখাও হয় না। কখন তিনি আসেন আবার বের হয়ে যান, জানি না। সবসময় যে আসেন তাও না। তিনি ব্যস্ত থাকেন, ব্যবসা আছে ওনার, এর পরও চেষ্টা করেন বিসিবিতে সময় দেওয়ার। সে কারণেই ক্রিকেটাররা দেখা পায় না তার। কারণ শ্রীলংকা সিরিজের পর আকরাম ভাইয়ের সঙ্গে আমার দেখাই হয়নি।’
খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিজের যোগাযোগ ভালো দাবি করে খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘আমি মাঠের লোক মাঠে থাকি। মাঠেই থাকি। বোর্ডে যাই, সবার সঙ্গেই আমার দেখা হয়। বোঝাপড়াটাও ভালো এ কারণে।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























