ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান

কিশোর গ্যাং নিয়ে র‌্যাব-২ অধিনায়কের কড়া হুঁশিয়ারি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ ও তালিকা তৈরি করে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম।

তিনি বলেছেন, ‘শুধু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যই নয়, তাদের পেছনে যারা ইন্ধনদাতা ও মদদদাতা তাদের প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

রবিবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ ও দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর’ ও ‘মুন্না গ্রুপ’ এর ১৬ সদস্যকে আটক করা হয়। অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের কাছ থেকে ১১টি ছুরি, একটি চাপাতি, তিনটি ফোল্ডিং চাকু ও একটি খুর জব্দ করা হয়েছে।

আটকরা হলেন- মো. রায়হান, মো. পলাশ হোসেন, মো. সাগর, মো. সরফরাজ আহমেদ রিমন, মো. মুন্না, মো. রাসেল, মো. উজ্জ্বল হোসেন, শাকিল হাওলাদার, মো. মুরাদ হোসেন, মো. মামুন খান, রিফাদ হোসেন, মো. রায়হান, হাসান শেখ, মো. হাসনাইন, মো. নাসির উদ্দিন আলবানী ও জয় চন্দ্র ঘোষ।

সোমবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের বছিলায় আটকদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে কিশোর গ্যাং নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক।

লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, ‘গত এক মাসে তালিকাভুক্ত ১১টি কিশোর গ্যাংয়ের মোট ৬২ জনকে আটক করা হয়েছে। শুধু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যই নয়, তাদের পেছনে যারা ইন্ধনদাতা ও মদদদাতা হিসেবে কাজ করে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।’

র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, ‘আটক হওয়া এসব কিশোর অপরাধী স্থানীয়ভাবে কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর গ্রুপ’ ও ‘মুন্না গ্রুপ’ এর সদস্য। তারা সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক সেবন, ইভটিজিং, চাঁদাবাজিসহ টিকটক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। প্রায়ই তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার জন্য দলবদ্ধ হয়ে সংঘাত সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে তারা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে। এরপর আশপাশে কেউ বুঝে ওঠার আগেই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে মানিব্যাগ, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেত।’

এক প্রশ্নের র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের ইন্ধনদাতা হিসেবে যদি প্রভাবশালী কেউ, এমনকি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কেউ জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আমরা এরই মধ্যে কমিয়ে এনেছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নিকলীতে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

কিশোর গ্যাং নিয়ে র‌্যাব-২ অধিনায়কের কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৪:৪৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ ও তালিকা তৈরি করে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম।

তিনি বলেছেন, ‘শুধু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যই নয়, তাদের পেছনে যারা ইন্ধনদাতা ও মদদদাতা তাদের প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

রবিবার রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ ও দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর’ ও ‘মুন্না গ্রুপ’ এর ১৬ সদস্যকে আটক করা হয়। অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের কাছ থেকে ১১টি ছুরি, একটি চাপাতি, তিনটি ফোল্ডিং চাকু ও একটি খুর জব্দ করা হয়েছে।

আটকরা হলেন- মো. রায়হান, মো. পলাশ হোসেন, মো. সাগর, মো. সরফরাজ আহমেদ রিমন, মো. মুন্না, মো. রাসেল, মো. উজ্জ্বল হোসেন, শাকিল হাওলাদার, মো. মুরাদ হোসেন, মো. মামুন খান, রিফাদ হোসেন, মো. রায়হান, হাসান শেখ, মো. হাসনাইন, মো. নাসির উদ্দিন আলবানী ও জয় চন্দ্র ঘোষ।

সোমবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের বছিলায় আটকদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে কিশোর গ্যাং নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক।

লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম বলেন, ‘গত এক মাসে তালিকাভুক্ত ১১টি কিশোর গ্যাংয়ের মোট ৬২ জনকে আটক করা হয়েছে। শুধু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যই নয়, তাদের পেছনে যারা ইন্ধনদাতা ও মদদদাতা হিসেবে কাজ করে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।’

র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, ‘আটক হওয়া এসব কিশোর অপরাধী স্থানীয়ভাবে কিশোর গ্যাং ‘ডন সাগর গ্রুপ’ ও ‘মুন্না গ্রুপ’ এর সদস্য। তারা সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক সেবন, ইভটিজিং, চাঁদাবাজিসহ টিকটক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। প্রায়ই তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার জন্য দলবদ্ধ হয়ে সংঘাত সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে তারা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে। এরপর আশপাশে কেউ বুঝে ওঠার আগেই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে মানিব্যাগ, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যেত।’

এক প্রশ্নের র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের ইন্ধনদাতা হিসেবে যদি প্রভাবশালী কেউ, এমনকি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কেউ জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আমরা এরই মধ্যে কমিয়ে এনেছি।’