ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

ভারতের ওষুধেই ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

৩-৪-৩ ফর্মেশনই বলে দিচ্ছে, বাংলাদেশের ওপর কতটা চড়াও হয়ে শুরু করেছিল ভারত। কখনো তাদের বিল্ডআপ ফুটবল, আবার কখনো ডিরেক্ট ফুটবলে নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবলারদের। আবার বাংলাদেশের পায়ে বল এলেই ‌‘হাই প্রেসিং’ করে কেড়ে নিয়েছে তারা। সবকিছু মিলিয়ে ভারতীয়দের সামনে বাংলাদেশের মাঝমাঠ ছিল বড্ড অসহায়। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর বোর্ডের ৩-০ গোলের ডিজিটই বলে দিচ্ছে সব।

মূলত ভারতীয়দের ‘হাই প্রেসিং’ কৌশলেই খেই হারিয়ে ফেলে লাল-সবুজ যুবারা। বাংলাদেশের তিন গোল হজমের প্রথম দুটি গোলের দৃশ্যই বলে দিচ্ছে তা। প্রথম গোলটিতে দুই সেন্টারব্যাক টুটুল হোসেন বাদশা ও মাহমুদুল হাসান কিরণ এরিয়াল বলের লাইন মিস করে। এরপরে তো পেনাল্টিই উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ অধিনায়ক টুটুল হোসেন বাদশা। স্পটকিক থেকে ব্যবধান ২-০ করেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকার। এরপর দূরপাল্লার ফ্রিকিকে ৩-০ করেছে রেবেলে আরনল্ড। এই হলো ভারতের তিন গোলের টাইমলাইন।

৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশের আর যখন হারানোর কিছু নেই, তখন দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশও ভারতের মতো ‘হাই প্রেসিং’ কৌশল বেছে নেয় । অর্থাৎ অ্যাটাকিং থার্ড থেকেই প্রতিপক্ষের ওপরে চাপ সৃষ্টি করা। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষরা এই চাপটা নিতে পারেনি বলেই বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ কোচ মাহবুব হোসেন রক্সি, ‘ওরা শুরু থেকেই আমাদের ওপর হাই প্রেসিং করে খেলে। দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা স্ট্র্যাটেজিতে আমরাও হাই প্রেসিং কৌশল নিই, যা ওদের ভাবনাতেই ছিল না। ফলে ওরা ভেঙে পড়ে।’ ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানান রক্সি। অর্থাৎ ভারতীয়দের ওষুধেই (হাই প্রেসিং) ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ফর্মেশন ছিল ৪-৩-৩। কিন্তু তিন গোল হজমের পরেই দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি আক্রমণের জন্য ৪-২-৪ ফর্মেশনে দল সাজান বাংলাদেশ কোচ। চার ফরোয়ার্ড জাফর ইকবাল, বিপলু আহমেদ, স্বাধীন ও সুশীল কোচের কৌশল অনুয়ায়ী অ্যাটাকিং থার্ডের মধ্যেই ভারতকে চেপে ধরে। পেছন থেকে দুই মিডফিল্ডারও যোগ দেয় তাদের সঙ্গে। যার ফলই পেয়েছে বাংলাদেশ।

তবে মধ্যাহ্নবিরতিতে কৌশল পরিবর্তনের সঙ্গে শিষ্যদের প্রতি রক্সির একটি টোটকাও ছিল। ছেলেদের উদেশে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের আর হারানোর কিছু নেই। তোমরাই পারো তোমাদের সম্মান রক্ষা করতে।’

অনূর্ধ্ব-১৮ সাফ ফুটবলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিন গোলে পিছিয়ে থেকে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে নিজেদের সম্মানটাই রক্ষা করেছে জাফর ইকবাল, রহমত মিয়ারা। ম্যাচে জোড়া গোল করেছে জাফর ইকবাল এবং একটি করে গোল করেছেন রহমত মিয়া ও সুফিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

ভারতের ওষুধেই ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:৪২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

৩-৪-৩ ফর্মেশনই বলে দিচ্ছে, বাংলাদেশের ওপর কতটা চড়াও হয়ে শুরু করেছিল ভারত। কখনো তাদের বিল্ডআপ ফুটবল, আবার কখনো ডিরেক্ট ফুটবলে নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবলারদের। আবার বাংলাদেশের পায়ে বল এলেই ‌‘হাই প্রেসিং’ করে কেড়ে নিয়েছে তারা। সবকিছু মিলিয়ে ভারতীয়দের সামনে বাংলাদেশের মাঝমাঠ ছিল বড্ড অসহায়। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর বোর্ডের ৩-০ গোলের ডিজিটই বলে দিচ্ছে সব।

মূলত ভারতীয়দের ‘হাই প্রেসিং’ কৌশলেই খেই হারিয়ে ফেলে লাল-সবুজ যুবারা। বাংলাদেশের তিন গোল হজমের প্রথম দুটি গোলের দৃশ্যই বলে দিচ্ছে তা। প্রথম গোলটিতে দুই সেন্টারব্যাক টুটুল হোসেন বাদশা ও মাহমুদুল হাসান কিরণ এরিয়াল বলের লাইন মিস করে। এরপরে তো পেনাল্টিই উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ অধিনায়ক টুটুল হোসেন বাদশা। স্পটকিক থেকে ব্যবধান ২-০ করেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকার। এরপর দূরপাল্লার ফ্রিকিকে ৩-০ করেছে রেবেলে আরনল্ড। এই হলো ভারতের তিন গোলের টাইমলাইন।

৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশের আর যখন হারানোর কিছু নেই, তখন দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশও ভারতের মতো ‘হাই প্রেসিং’ কৌশল বেছে নেয় । অর্থাৎ অ্যাটাকিং থার্ড থেকেই প্রতিপক্ষের ওপরে চাপ সৃষ্টি করা। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষরা এই চাপটা নিতে পারেনি বলেই বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ কোচ মাহবুব হোসেন রক্সি, ‘ওরা শুরু থেকেই আমাদের ওপর হাই প্রেসিং করে খেলে। দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা স্ট্র্যাটেজিতে আমরাও হাই প্রেসিং কৌশল নিই, যা ওদের ভাবনাতেই ছিল না। ফলে ওরা ভেঙে পড়ে।’ ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানান রক্সি। অর্থাৎ ভারতীয়দের ওষুধেই (হাই প্রেসিং) ভারতকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ফর্মেশন ছিল ৪-৩-৩। কিন্তু তিন গোল হজমের পরেই দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি আক্রমণের জন্য ৪-২-৪ ফর্মেশনে দল সাজান বাংলাদেশ কোচ। চার ফরোয়ার্ড জাফর ইকবাল, বিপলু আহমেদ, স্বাধীন ও সুশীল কোচের কৌশল অনুয়ায়ী অ্যাটাকিং থার্ডের মধ্যেই ভারতকে চেপে ধরে। পেছন থেকে দুই মিডফিল্ডারও যোগ দেয় তাদের সঙ্গে। যার ফলই পেয়েছে বাংলাদেশ।

তবে মধ্যাহ্নবিরতিতে কৌশল পরিবর্তনের সঙ্গে শিষ্যদের প্রতি রক্সির একটি টোটকাও ছিল। ছেলেদের উদেশে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের আর হারানোর কিছু নেই। তোমরাই পারো তোমাদের সম্মান রক্ষা করতে।’

অনূর্ধ্ব-১৮ সাফ ফুটবলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিন গোলে পিছিয়ে থেকে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে নিজেদের সম্মানটাই রক্ষা করেছে জাফর ইকবাল, রহমত মিয়ারা। ম্যাচে জোড়া গোল করেছে জাফর ইকবাল এবং একটি করে গোল করেছেন রহমত মিয়া ও সুফিল।