ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে কারণে ভারতের প্রশংসায় কামরান আকমল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ক্রিকেট বিশ্বে ভারতের উন্নতি চোখে পড়ার মতো। প্রতিবেশী দেশ হয়েও তেমন কোনো উন্নতি করতে পারেনি পাকিস্তান। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলটির আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার কামরান আকমল।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আক্ষেপের সুরে ভারতের প্রশংসা করে আকমল বলেন, ভারত কখনও টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে আপস করেনি। স্কুল ক্রিকেটেও তাদের দুই-তিন দিনের ম্যাচ হয়। ভারতে এখন ৫০ জন ক্রিকেটারের একটা পুল রয়েছে, তার প্রধান কারণ ওরা টেস্ট ক্রিকেটকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে।

পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলে ২৬৮ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১২টি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৬ হাজার ৮৬৯ রান সংগ্রহ করা আকমল বলেন, ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ছাড়া সব কিংবদন্তি ক্রিকেটার টেস্ট ম্যাচ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। এতেই বোঝ যায় ভারত কীভাবে দল তৈরি করে, কীভাবে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক সিস্টেমে নিয়ে আসে।

পাকিস্তানের এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আরও বলেন, ভারতের লিস্ট ‘এ’ প্লেয়াররা ৪০-৫০টা ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আসে। সূর্যকুমার যাদবের মতো ব্যাটসম্যান টানা দশ বছরে ৭৭টি প্রথম শ্রেণির এবং ৯৮টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলার পর অবশেষে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। ওরা পরিণত হওয়ার পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সুযোগ পায়।

আকমল আরও বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটের মাইন্ডসেটটাই প্রশংসনীয়। ৯০-এর দশকের সব কিংবদন্তির দিকে তাকালেই বোঝা যায়। রাহুল দ্রাবিড় থেকে শুরু করে অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণরা প্রত্যেকেই অবসরের পরও ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত। এটাই হলো নতুন প্রজন্মকে যথাযথ সাহায্য করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যে কারণে ভারতের প্রশংসায় কামরান আকমল

আপডেট সময় ০৯:৩০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ক্রিকেট বিশ্বে ভারতের উন্নতি চোখে পড়ার মতো। প্রতিবেশী দেশ হয়েও তেমন কোনো উন্নতি করতে পারেনি পাকিস্তান। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলটির আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার কামরান আকমল।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আক্ষেপের সুরে ভারতের প্রশংসা করে আকমল বলেন, ভারত কখনও টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে আপস করেনি। স্কুল ক্রিকেটেও তাদের দুই-তিন দিনের ম্যাচ হয়। ভারতে এখন ৫০ জন ক্রিকেটারের একটা পুল রয়েছে, তার প্রধান কারণ ওরা টেস্ট ক্রিকেটকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে।

পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলে ২৬৮ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১২টি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৬ হাজার ৮৬৯ রান সংগ্রহ করা আকমল বলেন, ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ছাড়া সব কিংবদন্তি ক্রিকেটার টেস্ট ম্যাচ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। এতেই বোঝ যায় ভারত কীভাবে দল তৈরি করে, কীভাবে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক সিস্টেমে নিয়ে আসে।

পাকিস্তানের এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আরও বলেন, ভারতের লিস্ট ‘এ’ প্লেয়াররা ৪০-৫০টা ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আসে। সূর্যকুমার যাদবের মতো ব্যাটসম্যান টানা দশ বছরে ৭৭টি প্রথম শ্রেণির এবং ৯৮টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলার পর অবশেষে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। ওরা পরিণত হওয়ার পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সুযোগ পায়।

আকমল আরও বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটের মাইন্ডসেটটাই প্রশংসনীয়। ৯০-এর দশকের সব কিংবদন্তির দিকে তাকালেই বোঝা যায়। রাহুল দ্রাবিড় থেকে শুরু করে অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণরা প্রত্যেকেই অবসরের পরও ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত। এটাই হলো নতুন প্রজন্মকে যথাযথ সাহায্য করা।