ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আমাজনের নদীতে তরল সোনার স্রোত!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে আমাজনের গভীর বনাঞ্চলের একটি অংশ থেকে বের হচ্ছে সোনার আলোর উজ্জ্বলতা। নদীগুলিতে বয়ে যাচ্ছে তরল সোনার স্রোত। পানির ধারার মতো। নদীগুলি যেন হয়ে উঠেছে ‘তরল সোনার নদী’!

ভূপৃষ্ঠের ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করতে করতে সেই তাক লাগানো ছবি তুলেছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। নাসার ‘আর্থ অবজারভেটরি’র ওয়েবসাইটে সেই সব ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

মহাকাশ স্টেশন থেকে পেরুর আমাজন বনাঞ্চলের যে অংশের (পেরুর ‘মাদ্রে দ্য দিয়স’ প্রদেশে) ছবি তোলা হয়েছে, সেই জায়গাটি মূলত সুউচ্চ পাহাড়ি এলাকা। সেখানে রয়েছে প্রচুর সোনার খনি। সেই খনিগুলি থেকে চোরাকারবারিরা লুকিয়ে লুকিয়ে বহু দিন ধরেই সোনা তুলে চলেছে বলে নাসার তরফে জানানো হয়েছে।

চোরাকারবারিরা সোনা তুলতে গিয়ে খনিগুলিতে পানি ঢুকে পড়ছে লাগোয়া নদীগুলি থেকে। মিশে যাচ্ছে নদীর পলিমাটি। সেই কাদার পানির স্রোতে মিশে থাকছে প্রচুর স্বর্ণকণিকা।

নাসার আর্থ অবজারভেটরির তরফে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাস্টিন উইলকিনসন লিখেছেন, ওই পানির উপরে পড়ে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হওয়ার জন্যই মহাকাশ স্টেশন থেকে তোলা ছবিতে মনে হচ্ছে যেন তরল সোনার স্রোত বয়ে যাচ্ছে পেরুর আমাজন বনাঞ্চলের ওই অংশের নদীগুলিতে।’’

উইলকিনসন জানিয়েছেন, পেরুর মাদ্রে দ্য দিয়স প্রদেশের ওই এলাকায় রয়েছে প্রচুর সোনার খনি। সেই খনিগুলি থেকে চোরাকারবারিরা সোনা তোলার কাজে জড়িত অন্তত ৩০ হাজার মানুষ। নদীর পানি থিতিয়ে পড়া জিনিসপত্রের মধ্যে খুঁজে খুঁজে স্বর্ণকণিকাগুলিকে আলাদা করতে গিয়ে পারদ ব্যবহার করছেন সোনাচক্রে জড়িতরা। তার ফলে নদীর পানিগুলি বিষিয়ে যাচ্ছে। যা স্থানীয় মানুষের পক্ষে হয়ে উঠছে রীতিমতো বিপজ্জনক।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাজনের নদীতে তরল সোনার স্রোত!

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে আমাজনের গভীর বনাঞ্চলের একটি অংশ থেকে বের হচ্ছে সোনার আলোর উজ্জ্বলতা। নদীগুলিতে বয়ে যাচ্ছে তরল সোনার স্রোত। পানির ধারার মতো। নদীগুলি যেন হয়ে উঠেছে ‘তরল সোনার নদী’!

ভূপৃষ্ঠের ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করতে করতে সেই তাক লাগানো ছবি তুলেছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। নাসার ‘আর্থ অবজারভেটরি’র ওয়েবসাইটে সেই সব ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

মহাকাশ স্টেশন থেকে পেরুর আমাজন বনাঞ্চলের যে অংশের (পেরুর ‘মাদ্রে দ্য দিয়স’ প্রদেশে) ছবি তোলা হয়েছে, সেই জায়গাটি মূলত সুউচ্চ পাহাড়ি এলাকা। সেখানে রয়েছে প্রচুর সোনার খনি। সেই খনিগুলি থেকে চোরাকারবারিরা লুকিয়ে লুকিয়ে বহু দিন ধরেই সোনা তুলে চলেছে বলে নাসার তরফে জানানো হয়েছে।

চোরাকারবারিরা সোনা তুলতে গিয়ে খনিগুলিতে পানি ঢুকে পড়ছে লাগোয়া নদীগুলি থেকে। মিশে যাচ্ছে নদীর পলিমাটি। সেই কাদার পানির স্রোতে মিশে থাকছে প্রচুর স্বর্ণকণিকা।

নাসার আর্থ অবজারভেটরির তরফে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাস্টিন উইলকিনসন লিখেছেন, ওই পানির উপরে পড়ে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হওয়ার জন্যই মহাকাশ স্টেশন থেকে তোলা ছবিতে মনে হচ্ছে যেন তরল সোনার স্রোত বয়ে যাচ্ছে পেরুর আমাজন বনাঞ্চলের ওই অংশের নদীগুলিতে।’’

উইলকিনসন জানিয়েছেন, পেরুর মাদ্রে দ্য দিয়স প্রদেশের ওই এলাকায় রয়েছে প্রচুর সোনার খনি। সেই খনিগুলি থেকে চোরাকারবারিরা সোনা তোলার কাজে জড়িত অন্তত ৩০ হাজার মানুষ। নদীর পানি থিতিয়ে পড়া জিনিসপত্রের মধ্যে খুঁজে খুঁজে স্বর্ণকণিকাগুলিকে আলাদা করতে গিয়ে পারদ ব্যবহার করছেন সোনাচক্রে জড়িতরা। তার ফলে নদীর পানিগুলি বিষিয়ে যাচ্ছে। যা স্থানীয় মানুষের পক্ষে হয়ে উঠছে রীতিমতো বিপজ্জনক।

[contact-form][contact-field label=”Name” type=”name” required=”true” /][contact-field label=”Email” type=”email” required=”true” /][contact-field label=”Website” type=”url” /][contact-field label=”Message” type=”textarea” /][/contact-form]