ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাকাশ থেকে ভেসে এলো এফ এম রেডিও সিগন্যাল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

মহাকাশে ভিনগ্রহী প্রাণীরা কি আদৌ আছে কোথাও। তারা কি মাঝেমধ্যেই পৃথিবীতে এসে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়ে যায়। সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ না থাকলেও তাদের না থাকার কথাও জোর দিয়ে বলতে পারেন না দুনিয়ার বড় বড় বিজ্ঞানীরাও। বিজ্ঞানীরা আজও খুঁজে চলেছেন ভিনগ্রহী প্রাণীদের। এরই মধ্যে বৃহস্পতির ‘চাঁদ’ গ্যানিমিড থেকে ভেসে এল এফএম সিগন্যাল! নাসার জুনো নামের মহাকাশযানের রাডারে ধরা পড়ল সেই সংকেত। যা থেকে শুরু নয়া জল্পনা।

অতিকায় বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যানিমিড। সেখান থেকেই ওই সংকেত ভেসে এল। এর আগে কিন্তু ওই উপগ্রহ থেকে কখনও কোনও ধরনের সংকেত মেলেনি। স্বভাবতই এমন খবরে কৌতূহলী মহাকাশপ্রেমীরা। কিন্তু তাদের সব আগ্রহে পানি ঢেলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই এফএম সংকেত মোটেই কোনও যন্ত্র থেকে আসছে না। ফলে এর থেকে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের প্রমাণ মেলার কথা ভাবলে ভুল হবে।

কিন্তু তাহলে ওই সংকেত এল কোথা থেকে? নাসার প্রতিনিধি প্যাট্রিক উইগিনস বলেন, ‘এটা ইটির ব্যাপার নয়। ব্যাপারটা নেহাতই প্রাকৃতিক।’

অর্থাৎ প্রকৃতির মধ্যেই তৈরি হয়েছে এই তরঙ্গ। অনেক সময়ই তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রে ইলেকট্রন আটকে পড়লে এই ধরনের তরঙ্গ তৈরি হয়। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ নামের এক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই খবর।

প্রসঙ্গত, এই সৌরজগতে গ্যানিমিডই একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ, যার নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে। সেই কারণে এখানে এই ধরনের কোনও তরঙ্গ থাকতে পারে বলে বহুদিন ধরেই মনে করছিলেন বিজ্ঞানীরা। এতদিনে তার প্রমাণ মিলল। এই তরঙ্গ বিশ্লেষণ করলে নতুন কোনও বৈজ্ঞানিক তথ্য মিলতে পারে বলে তাদের ধারণা।

উল্লেখ্য, মঙ্গল গ্রহের মাটির নিচে গবেষণার জন্য আমেরিকার মহাকাশচারী ও বিজ্ঞানীদের সঙ্গে এলিয়েনদের সহযোগিতা চুক্তিও হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের মহাকাশ কর্তারা। দূর থেকে ভেসে আসা রেডিও সংকেত ভিনগ্রহীদের নিয়ে কৌতুহল বাড়ছে পৃথিবীতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাকাশ থেকে ভেসে এলো এফ এম রেডিও সিগন্যাল

আপডেট সময় ১০:২৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

মহাকাশে ভিনগ্রহী প্রাণীরা কি আদৌ আছে কোথাও। তারা কি মাঝেমধ্যেই পৃথিবীতে এসে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়ে যায়। সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ না থাকলেও তাদের না থাকার কথাও জোর দিয়ে বলতে পারেন না দুনিয়ার বড় বড় বিজ্ঞানীরাও। বিজ্ঞানীরা আজও খুঁজে চলেছেন ভিনগ্রহী প্রাণীদের। এরই মধ্যে বৃহস্পতির ‘চাঁদ’ গ্যানিমিড থেকে ভেসে এল এফএম সিগন্যাল! নাসার জুনো নামের মহাকাশযানের রাডারে ধরা পড়ল সেই সংকেত। যা থেকে শুরু নয়া জল্পনা।

অতিকায় বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যানিমিড। সেখান থেকেই ওই সংকেত ভেসে এল। এর আগে কিন্তু ওই উপগ্রহ থেকে কখনও কোনও ধরনের সংকেত মেলেনি। স্বভাবতই এমন খবরে কৌতূহলী মহাকাশপ্রেমীরা। কিন্তু তাদের সব আগ্রহে পানি ঢেলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই এফএম সংকেত মোটেই কোনও যন্ত্র থেকে আসছে না। ফলে এর থেকে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্বের প্রমাণ মেলার কথা ভাবলে ভুল হবে।

কিন্তু তাহলে ওই সংকেত এল কোথা থেকে? নাসার প্রতিনিধি প্যাট্রিক উইগিনস বলেন, ‘এটা ইটির ব্যাপার নয়। ব্যাপারটা নেহাতই প্রাকৃতিক।’

অর্থাৎ প্রকৃতির মধ্যেই তৈরি হয়েছে এই তরঙ্গ। অনেক সময়ই তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রে ইলেকট্রন আটকে পড়লে এই ধরনের তরঙ্গ তৈরি হয়। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ নামের এক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই খবর।

প্রসঙ্গত, এই সৌরজগতে গ্যানিমিডই একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ, যার নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে। সেই কারণে এখানে এই ধরনের কোনও তরঙ্গ থাকতে পারে বলে বহুদিন ধরেই মনে করছিলেন বিজ্ঞানীরা। এতদিনে তার প্রমাণ মিলল। এই তরঙ্গ বিশ্লেষণ করলে নতুন কোনও বৈজ্ঞানিক তথ্য মিলতে পারে বলে তাদের ধারণা।

উল্লেখ্য, মঙ্গল গ্রহের মাটির নিচে গবেষণার জন্য আমেরিকার মহাকাশচারী ও বিজ্ঞানীদের সঙ্গে এলিয়েনদের সহযোগিতা চুক্তিও হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের মহাকাশ কর্তারা। দূর থেকে ভেসে আসা রেডিও সংকেত ভিনগ্রহীদের নিয়ে কৌতুহল বাড়ছে পৃথিবীতে।