ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিজিটাল সেন্টার: মাসে সেবা পায় ৬০ লাখ নাগরিক

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশের প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের অধিক ডিজিটাল সেন্টার থেকে প্রতিমাসে গড়ে ৬০ লাখ নাগরিক সেবা পাচ্ছেন। দেশজুড়ে এসব ডিজিটাল সেন্টারে কাজ করছেন প্রায় ১৩ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা।

ডিজিটাল সেন্টার চালুর ১০ বছরপূর্তিতে এমনই তথ্য জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বুধবার (১১ নভেম্বর) ডিজিটাল সেন্টার চালুর ১০ বছরপূর্তি উপলক্ষে এক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে এক উপস্থাপনায় এস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে এটুআইর পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী জানান, দেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের অধিক ডিজিটাল সেবাকেন্দ্র থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৬০ লাখ নাগরিক সেবা নিয়ে থাকেন। আর এসব ডিজিটাল সেন্টারে প্রায় ১৩ হাজার উদ্যোক্তা কাজ করছেন। যাদের মধ্যে পাঁচ হাজারের অধিক আছেন নারী উদ্যোক্তা। ২০২১ সাল নাগাদ আট হাজার ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রায় ৫শটি সেবা প্রায় ৭০ লাখ নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ২৫ হাজার ডিজিটাল সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে মাসে প্রায় এক কোটি নাগরিক প্রায় দুই হাজার ৮শটি সেবা নিতে পারবেন।

এসময় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমরা এক সময় ফিজিক্যাল কানেকটিভিটির দিকে বেশি গুরত্ব দিতাম। এটা আমাদের জন্য সহজ বাছাই ছিল। যেখানে ফিজিক্যাল কানেকোটিভিটি পৌঁছে দেওয়া হতো যেমন চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা সেসব জায়গায় বেশ উন্নতিও আমরা দেখতাম। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এখন ডিজিটাল কানেকটিভিটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সৌভাগ্যবান যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটি অনুধাবন করেছেন এবং আমাদেরকে সেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন বিশ্বের অনেক নেতা আমাদেরকে জিজ্ঞেস করেন যে, বাংলাদেশ এই ‘ম্যাজিক’ কিভাবে পেলো। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আইসিটি উন্নয়ন।

অন্যদিকে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলতেন ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। ঢাকার বাইরে যে হাজার হাজার গ্রাম আছে তার উন্নয়ন হলেই বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ হাসিনা তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নকে নিয়ে গেছেন। আর তার সুযোগ্য পুত্র এবং আইসিটি উপদেষ্টা যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেকচার তিনি শুরুতেই উদ্যোগ নিয়েছেন দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ফাইবার ক্যাবল পৌঁছে দেওয়ার। এর ফলে প্রায় তিন হাজার ৬শ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে আমরা দ্রুত গতির ইন্টারনেট ক্যাবল পৌঁছে দিয়েছি সেখান থেকে আবার আশেপাশে ক্যাবল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে ডিজিটাল ইকোনমিক হবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান পলক।

তিনি বলেন, সেন্টারগুলোর উদ্যোক্তাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে আমরা ডিজিটাল ইকোনমিক হাব বাড়াবো। এগুলোতে ই-কমার্সসহ বিভিন্ন সেবা যোগ করার ব্যবস্থা করব যেন নাগরিকেরা এখান থেকে সেবা পান এবং উদ্যোক্তাদের আয় বাড়ে।

সভায় বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জীসহ এলজিআরডি মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বক্তব্য রাখেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিজিটাল সেন্টার: মাসে সেবা পায় ৬০ লাখ নাগরিক

আপডেট সময় ০৯:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশের প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের অধিক ডিজিটাল সেন্টার থেকে প্রতিমাসে গড়ে ৬০ লাখ নাগরিক সেবা পাচ্ছেন। দেশজুড়ে এসব ডিজিটাল সেন্টারে কাজ করছেন প্রায় ১৩ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা।

ডিজিটাল সেন্টার চালুর ১০ বছরপূর্তিতে এমনই তথ্য জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বুধবার (১১ নভেম্বর) ডিজিটাল সেন্টার চালুর ১০ বছরপূর্তি উপলক্ষে এক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে এক উপস্থাপনায় এস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে এটুআইর পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী জানান, দেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজারের অধিক ডিজিটাল সেবাকেন্দ্র থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৬০ লাখ নাগরিক সেবা নিয়ে থাকেন। আর এসব ডিজিটাল সেন্টারে প্রায় ১৩ হাজার উদ্যোক্তা কাজ করছেন। যাদের মধ্যে পাঁচ হাজারের অধিক আছেন নারী উদ্যোক্তা। ২০২১ সাল নাগাদ আট হাজার ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রায় ৫শটি সেবা প্রায় ৭০ লাখ নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ২৫ হাজার ডিজিটাল সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে মাসে প্রায় এক কোটি নাগরিক প্রায় দুই হাজার ৮শটি সেবা নিতে পারবেন।

এসময় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমরা এক সময় ফিজিক্যাল কানেকটিভিটির দিকে বেশি গুরত্ব দিতাম। এটা আমাদের জন্য সহজ বাছাই ছিল। যেখানে ফিজিক্যাল কানেকোটিভিটি পৌঁছে দেওয়া হতো যেমন চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা সেসব জায়গায় বেশ উন্নতিও আমরা দেখতাম। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এখন ডিজিটাল কানেকটিভিটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সৌভাগ্যবান যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেটি অনুধাবন করেছেন এবং আমাদেরকে সেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন বিশ্বের অনেক নেতা আমাদেরকে জিজ্ঞেস করেন যে, বাংলাদেশ এই ‘ম্যাজিক’ কিভাবে পেলো। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আইসিটি উন্নয়ন।

অন্যদিকে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলতেন ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। ঢাকার বাইরে যে হাজার হাজার গ্রাম আছে তার উন্নয়ন হলেই বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে। এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ হাসিনা তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নকে নিয়ে গেছেন। আর তার সুযোগ্য পুত্র এবং আইসিটি উপদেষ্টা যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেকচার তিনি শুরুতেই উদ্যোগ নিয়েছেন দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ফাইবার ক্যাবল পৌঁছে দেওয়ার। এর ফলে প্রায় তিন হাজার ৬শ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে আমরা দ্রুত গতির ইন্টারনেট ক্যাবল পৌঁছে দিয়েছি সেখান থেকে আবার আশেপাশে ক্যাবল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে ডিজিটাল ইকোনমিক হবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান পলক।

তিনি বলেন, সেন্টারগুলোর উদ্যোক্তাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে ডিজিটাল সেন্টারগুলোকে আমরা ডিজিটাল ইকোনমিক হাব বাড়াবো। এগুলোতে ই-কমার্সসহ বিভিন্ন সেবা যোগ করার ব্যবস্থা করব যেন নাগরিকেরা এখান থেকে সেবা পান এবং উদ্যোক্তাদের আয় বাড়ে।

সভায় বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জীসহ এলজিআরডি মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বক্তব্য রাখেন।