ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মঙ্গলে ৪০০ বছর আগে জলাধার ছিল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

লাল গ্রহ মঙ্গলে পানির উৎপত্তি হয়েছিল আনুমানিক ৪৪০ কোটি বছর আগে। উল্কাপিণ্ডের অংশ খতিয়ে দেখে এমনটাই দাবি করেছেন জাপানের একদল গবেষক। ফলে সম্প্রতি লাল গ্রহ নিয়ে গবেষণায় সেখানে যে তিনটি জলধারার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, তা কি এত কোটি বছর আগেকারই? প্রশ্ন উঠছে।

কিন্তু উল্কার সঙ্গে মঙ্গল গ্রহের কী সম্পর্ক? বেশ কিছু বছর আগে সাহারা মরুভূমি থেকে বিজ্ঞানীরা একজোড়া উল্কাপিণ্ড আবিষ্কার করেছিলেন। ওই প্রাচীন উল্কাপিণ্ডগুলোর নামকরণ করা হয়েছিল যথাক্রমে এনডব্লিউএ ৭০৩৪, এনডব্লিউএ ৭৫৩৩। দফায় দফায় নানাবিধ পরীক্ষানিরীক্ষার পর জানা যায়, সেই উল্কাপিণ্ডগুলো আদপে মঙ্গল গ্রহজাত। কারণ, তাতে যে ধরনের শিলাসমূহের উপস্থিতি রয়েছে, তা কেবলমাত্র পৃথিবীর পড়শি গ্রহটিতেই মেলে।

এই ধরনের শিলা অতি-বিরল শ্রেণির। বিক্রি হলে প্রতি গ্রামে দাম উঠতে পারে ১০ হাজর ডলার পর্যন্ত। সম্প্রতি এর মধ্যে এনডব্লিউএ ৭০৩৪ পিণ্ডটির ৫০ গ্রাম অধিগ্রহণ করা হয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দলের তরফে, আরও ভালভাবে পরীক্ষা করার জন্য। ওই দলেই ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব টোকিওর অধ্যাপক তাকাশি মিকৌচি। গবেষণার পরে মিকৌচি বলছেন, ‘আমরা ওই নমুনা নিয়ে চারটি আলাদা আলাদা স্পেকট্রোস্কোপিক পরীক্ষা করেছি। আর তাতেই মিলেছে অভূতপূর্ব ফলাফল।’

মিকৌচির দাবি, শিলার গঠন সংক্রান্ত ওই পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে মঙ্গল গ্রহে জলাধার সৃষ্টি হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু অন্তত ৪৪০ কোটি বছর আগে। তার পর্যবেক্ষণ প্রকাশিত হয়েছে ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামের জার্নালে।

এতদিন বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল যে, মঙ্গলে পানির উৎপত্তি হয় অন্তত ৩৭০ কোটি বছর আগে। মিকৌচি ও তার দল জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডগুলোতে যে আগ্নেয় শিলা মিলেছে, তার উৎপত্তি হয়েছে ম্যাগমা থেকে। এতে শিলার জারণ হয়েছে বলে প্রমাণও মিলেছে। কিন্তু এই জারণ প্রক্রিয়া তখনই সম্ভব, যখন সেখানে পানির অস্তিত্ব থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মঙ্গলে ৪০০ বছর আগে জলাধার ছিল

আপডেট সময় ০৪:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

লাল গ্রহ মঙ্গলে পানির উৎপত্তি হয়েছিল আনুমানিক ৪৪০ কোটি বছর আগে। উল্কাপিণ্ডের অংশ খতিয়ে দেখে এমনটাই দাবি করেছেন জাপানের একদল গবেষক। ফলে সম্প্রতি লাল গ্রহ নিয়ে গবেষণায় সেখানে যে তিনটি জলধারার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, তা কি এত কোটি বছর আগেকারই? প্রশ্ন উঠছে।

কিন্তু উল্কার সঙ্গে মঙ্গল গ্রহের কী সম্পর্ক? বেশ কিছু বছর আগে সাহারা মরুভূমি থেকে বিজ্ঞানীরা একজোড়া উল্কাপিণ্ড আবিষ্কার করেছিলেন। ওই প্রাচীন উল্কাপিণ্ডগুলোর নামকরণ করা হয়েছিল যথাক্রমে এনডব্লিউএ ৭০৩৪, এনডব্লিউএ ৭৫৩৩। দফায় দফায় নানাবিধ পরীক্ষানিরীক্ষার পর জানা যায়, সেই উল্কাপিণ্ডগুলো আদপে মঙ্গল গ্রহজাত। কারণ, তাতে যে ধরনের শিলাসমূহের উপস্থিতি রয়েছে, তা কেবলমাত্র পৃথিবীর পড়শি গ্রহটিতেই মেলে।

এই ধরনের শিলা অতি-বিরল শ্রেণির। বিক্রি হলে প্রতি গ্রামে দাম উঠতে পারে ১০ হাজর ডলার পর্যন্ত। সম্প্রতি এর মধ্যে এনডব্লিউএ ৭০৩৪ পিণ্ডটির ৫০ গ্রাম অধিগ্রহণ করা হয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দলের তরফে, আরও ভালভাবে পরীক্ষা করার জন্য। ওই দলেই ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব টোকিওর অধ্যাপক তাকাশি মিকৌচি। গবেষণার পরে মিকৌচি বলছেন, ‘আমরা ওই নমুনা নিয়ে চারটি আলাদা আলাদা স্পেকট্রোস্কোপিক পরীক্ষা করেছি। আর তাতেই মিলেছে অভূতপূর্ব ফলাফল।’

মিকৌচির দাবি, শিলার গঠন সংক্রান্ত ওই পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে মঙ্গল গ্রহে জলাধার সৃষ্টি হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু অন্তত ৪৪০ কোটি বছর আগে। তার পর্যবেক্ষণ প্রকাশিত হয়েছে ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামের জার্নালে।

এতদিন বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল যে, মঙ্গলে পানির উৎপত্তি হয় অন্তত ৩৭০ কোটি বছর আগে। মিকৌচি ও তার দল জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডগুলোতে যে আগ্নেয় শিলা মিলেছে, তার উৎপত্তি হয়েছে ম্যাগমা থেকে। এতে শিলার জারণ হয়েছে বলে প্রমাণও মিলেছে। কিন্তু এই জারণ প্রক্রিয়া তখনই সম্ভব, যখন সেখানে পানির অস্তিত্ব থাকবে।