ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মাঠে ফিরে সব নতুন মনে হচ্ছে: মুমিনুল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

‘লকডাউন’ দেশের ক্রিকেটারদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। কোভিড-১৯ এর কারণে খেলোয়াড়রা খেলার প্রযুক্তিগত ও মানসিক দিক নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

তার মতে, যখন কোনো খেলোয়াড় খেলা নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন, তখন তার পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজিত ব্যক্তিগত অনুশীলনে শনিবার যোগ দেন মুমিনুল। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে মুমিনুল বলেন, ‘লকডাউনের সময় আমরা ক্রিকেট নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার সময় পেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের ক্রিকেট খেলা ছিল না, ফিটনেস নিয়ে কিছু কাজ ছিল, মনস্তাত্বিক দিক নিয়ে কিছু কাজ ছিল, প্রযুক্তিগত ও কৌঁশলগত দিক নিয়ে ভার্চুয়ালি কোচের সাথে কিছু কাজ ছিল। নিজেদের দক্ষতার উন্নতির জন্য অনেকেই কোচদের সাথে আলোচনা করেছেন। আমি মনে করি, প্রত্যক খেলোয়াড়ই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেছে। দীর্ঘমেয়াদে আমাদের কী উপকৃত হতে পারে, যখন আমরা ক্রিকেটে ব্যস্ত হয়ে পড়ব, তখন আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাব না। তাই এটি খুবই ভালো ছিল।’

তবে যাই হোক না কেন, মুমিনুল জানান, মাঠের খেলার খুব মিস করেছেন এবং আবারো নিজের পরিচিত জায়গায় ফিরে আসতে পেরে খুশি হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আবারো ক্রিকেটে ফিরতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। লকডাউনের পর আজই আমার প্রথম দিন, তাই সবকিছুই নতুন বলে মনে হচ্ছে। সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিতে তিন-চারদিন সময় লাগবে।’

মুমিনুলের সাথে মিরপুর স্টেডিয়ামে সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে আরও সাতজন খেলোয়াড় আজ ব্যক্তিগত অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন।

ঢাকা ছাড়াও, শনিবার থেকে আরও চারটি ভেন্যুতে ১২ জন ক্রিকেটার অনুশীলন শুরু করেছেন। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে পুনরায় অনুশীলন শুরু করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মেহেদী হাসান ও নুরুল হাসান সোহান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বক্তিগত অনুশীলনে নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদের সাথে যোগ দিয়েছেন পেসার আবু জায়েদ রাহি ও এবাদত হোসেন। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে নাইম হাসানের সঙ্গী হচ্ছেন, ইয়াসির আলি রাব্বি ও ইরফান শুক্কুর। রাজশাহীর কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে যোগ দিবেন বাঁ-হাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম।

আপতত, ছয় দিনের অনুশীলনের সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি। এরপরে আরও ক্রিকেটার অনুশীলনে যোগ দিলে এটি নতুন করে তৈরি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ব্যক্তিগত অনুশীলন হয়েছিল ১৯ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস

মাঠে ফিরে সব নতুন মনে হচ্ছে: মুমিনুল

আপডেট সময় ১০:২৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক

‘লকডাউন’ দেশের ক্রিকেটারদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। কোভিড-১৯ এর কারণে খেলোয়াড়রা খেলার প্রযুক্তিগত ও মানসিক দিক নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

তার মতে, যখন কোনো খেলোয়াড় খেলা নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন, তখন তার পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজিত ব্যক্তিগত অনুশীলনে শনিবার যোগ দেন মুমিনুল। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে মুমিনুল বলেন, ‘লকডাউনের সময় আমরা ক্রিকেট নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার সময় পেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের ক্রিকেট খেলা ছিল না, ফিটনেস নিয়ে কিছু কাজ ছিল, মনস্তাত্বিক দিক নিয়ে কিছু কাজ ছিল, প্রযুক্তিগত ও কৌঁশলগত দিক নিয়ে ভার্চুয়ালি কোচের সাথে কিছু কাজ ছিল। নিজেদের দক্ষতার উন্নতির জন্য অনেকেই কোচদের সাথে আলোচনা করেছেন। আমি মনে করি, প্রত্যক খেলোয়াড়ই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেছে। দীর্ঘমেয়াদে আমাদের কী উপকৃত হতে পারে, যখন আমরা ক্রিকেটে ব্যস্ত হয়ে পড়ব, তখন আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাব না। তাই এটি খুবই ভালো ছিল।’

তবে যাই হোক না কেন, মুমিনুল জানান, মাঠের খেলার খুব মিস করেছেন এবং আবারো নিজের পরিচিত জায়গায় ফিরে আসতে পেরে খুশি হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আবারো ক্রিকেটে ফিরতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। লকডাউনের পর আজই আমার প্রথম দিন, তাই সবকিছুই নতুন বলে মনে হচ্ছে। সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিতে তিন-চারদিন সময় লাগবে।’

মুমিনুলের সাথে মিরপুর স্টেডিয়ামে সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে আরও সাতজন খেলোয়াড় আজ ব্যক্তিগত অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন।

ঢাকা ছাড়াও, শনিবার থেকে আরও চারটি ভেন্যুতে ১২ জন ক্রিকেটার অনুশীলন শুরু করেছেন। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে পুনরায় অনুশীলন শুরু করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মেহেদী হাসান ও নুরুল হাসান সোহান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বক্তিগত অনুশীলনে নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদের সাথে যোগ দিয়েছেন পেসার আবু জায়েদ রাহি ও এবাদত হোসেন। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে নাইম হাসানের সঙ্গী হচ্ছেন, ইয়াসির আলি রাব্বি ও ইরফান শুক্কুর। রাজশাহীর কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে যোগ দিবেন বাঁ-হাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম।

আপতত, ছয় দিনের অনুশীলনের সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি। এরপরে আরও ক্রিকেটার অনুশীলনে যোগ দিলে এটি নতুন করে তৈরি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ব্যক্তিগত অনুশীলন হয়েছিল ১৯ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত।