ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রিজেন্টের মালিক শাহেদের সহযোগী শিবলী গ্রেপ্তার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা টেস্ট না করে ফলাফল দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ হওয়া রাজধানীর রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের অন্যতম সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নাখালপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি বলেন, ‘রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম ও প্রতারণার ঘটনায় মালিক শাহেদের সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাবের করা মামলায় শিবলী অন্যতম আসামি। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং মেয়াদপূর্তির পরও লাইসেন্স নবায়ন না করার অভিযোগ ওঠে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার ওই হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধের নির্দেশ দেয়। এরপর সেদিন সন্ধ্যায় উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর সড়কে রিজেন্ট হাসপাতালের শাখাটি ‘সিলগালা’ করে দেয় র‌্যাব। এরপর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে রিজেন্ট চেয়ারম্যান শাহেদসহ নয়জনকে পলাতক হিসেবে এজাহারে দেখানো হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হলো শাহেদের সহযোগীকে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজ, হাসপাতালের অ্যাডমিন আহসান হাবীব, এক্সরে টেকনিশিয়ান হাসান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হাকিম আলী, রিসিপশনিস্ট কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রজেক্ট অ্যাডমিন রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের এইচআর অ্যাডমিন অমিত অনিক, গাড়িচালক আব্দুস সালাম, এক্সিকিউটিভ অফিসার আব্দুর রশীদ খান জুয়েল, হাসপাতাল কর্মচারী তরিকুল ইসলাম, স্টাফ আব্দুর রশিদ খান, স্টাফ শিমুল পারভেজ, কর্মচারী দীপায়ন বসু এবং মাহবুব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রিজেন্টের মালিক শাহেদের সহযোগী শিবলী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১২:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা টেস্ট না করে ফলাফল দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ হওয়া রাজধানীর রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের অন্যতম সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নাখালপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি বলেন, ‘রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম ও প্রতারণার ঘটনায় মালিক শাহেদের সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাবের করা মামলায় শিবলী অন্যতম আসামি। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং মেয়াদপূর্তির পরও লাইসেন্স নবায়ন না করার অভিযোগ ওঠে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার ওই হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধের নির্দেশ দেয়। এরপর সেদিন সন্ধ্যায় উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর সড়কে রিজেন্ট হাসপাতালের শাখাটি ‘সিলগালা’ করে দেয় র‌্যাব। এরপর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. শাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে রিজেন্ট চেয়ারম্যান শাহেদসহ নয়জনকে পলাতক হিসেবে এজাহারে দেখানো হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হলো শাহেদের সহযোগীকে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজ, হাসপাতালের অ্যাডমিন আহসান হাবীব, এক্সরে টেকনিশিয়ান হাসান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হাকিম আলী, রিসিপশনিস্ট কামরুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের প্রজেক্ট অ্যাডমিন রাকিবুল ইসলাম, রিজেন্ট গ্রুপের এইচআর অ্যাডমিন অমিত অনিক, গাড়িচালক আব্দুস সালাম, এক্সিকিউটিভ অফিসার আব্দুর রশীদ খান জুয়েল, হাসপাতাল কর্মচারী তরিকুল ইসলাম, স্টাফ আব্দুর রশিদ খান, স্টাফ শিমুল পারভেজ, কর্মচারী দীপায়ন বসু এবং মাহবুব।