ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অস্থির সময়ে অ্যাংজাইটি অ্যাটাক সামলাতে যা করবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা-লকডাউন-ঘরবন্দি দিন মিলে সময়টা বড় অস্থির। এমন পরিস্থিতিতে নিজের এবং কাছের মানুষদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। আবার সংসার ও ঘরে বসে অফিস সামলানোর চাপও রয়ে গিয়েছে।

চাকরি থাকবে কি-না, বেতন কাটা হবে কি-না, কাটলেও কী পরিমাণে কাটা হবে…এসব নিয়েও উদ্বেগ অনেকের। আর এসব থেকে হতে পারে অ্যাংজাইটি অ্যাটাক।

মনোবিদদের মতে, এই মিশ্র পরিস্থিতিতে সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষজনই অস্থির হয়ে পড়ছেন। আর যাদের আগে থেকে মানসিক উদ্বেগ রয়েছে এসময় স্বাভাবিকভাবেই অসুখ বাড়বে। বাতাসে দূষণ কমার ফলে সাধারণ শ্বাসকষ্ট কমলেও অ্যাংজাইটি অ্যাটাক থেকে হওয়া শ্বাসকষ্ট কিন্তু দিন দিন বাড়ছে।

অ্যাংজাইটি অ্যাটাক সম্পর্কে জানুন

সাধারণত, কোনও কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা বেড়ে গেলে, বা ভয় পেলে অনেকেই জোরে জোরে শ্বাসপ্রশ্বাস নেন। কারও বা বুকে চাপ লাগে, অস্বস্তি হয়। মাথা ঘোরা, গা গোলানো, ঘাম হওয়া, দম বন্ধ লাগা এগুলো অ্যাংজাইটি অ্যাটাকের অন্যতম লক্ষণ।

ভয় পেলে মস্তিষ্কের রক্তে আপদকালীন হরমোন বা অ্যাড্রিনালিন বেশি পরিমাণে মেশে। তাই তখন রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ঠিক থাকলেও শ্বাসকষ্টের অনুভূতি হবে। সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমই এই অবস্থার জন্য দায়ী।

যা করবেন

>>প্রথমেই মনে রাখতে হবে, এমন পরিস্থিতি আপনার একার নয়। কমবেশি অনেকেরই। তাই এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। চাকরির জন্য নতুন কোথাও আবেদন করছেন বা নিজের অফিস নিয়ে চিন্তায় আছেন, লকডাউন কেটে না যাওয়া অবধি সেভাবে কোথাও কোনও সমাধান খুঁজে পাবেন না হয়তো। তাই এই সময়টুকু নিজেকে দিতে হবে।

>>খুব ভয় পেলে বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হলে প্রার্থনা কিংবা ধ্যান করুন। এমন কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন, যার সঙ্গে অনেক মনের কথা ভাগ করতে পারেন, যিনি আপনাকে বোঝেন।

>>নিয়মিত ব্যায়াম করলেও মানসিক উদ্বেগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

>>তাছাড়া আজকাল অনলাইনে মনোবিদের সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ নেওয়া যায়। কোনোভাবেই মনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অস্থির সময়ে অ্যাংজাইটি অ্যাটাক সামলাতে যা করবেন

আপডেট সময় ০৮:২০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা-লকডাউন-ঘরবন্দি দিন মিলে সময়টা বড় অস্থির। এমন পরিস্থিতিতে নিজের এবং কাছের মানুষদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। আবার সংসার ও ঘরে বসে অফিস সামলানোর চাপও রয়ে গিয়েছে।

চাকরি থাকবে কি-না, বেতন কাটা হবে কি-না, কাটলেও কী পরিমাণে কাটা হবে…এসব নিয়েও উদ্বেগ অনেকের। আর এসব থেকে হতে পারে অ্যাংজাইটি অ্যাটাক।

মনোবিদদের মতে, এই মিশ্র পরিস্থিতিতে সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষজনই অস্থির হয়ে পড়ছেন। আর যাদের আগে থেকে মানসিক উদ্বেগ রয়েছে এসময় স্বাভাবিকভাবেই অসুখ বাড়বে। বাতাসে দূষণ কমার ফলে সাধারণ শ্বাসকষ্ট কমলেও অ্যাংজাইটি অ্যাটাক থেকে হওয়া শ্বাসকষ্ট কিন্তু দিন দিন বাড়ছে।

অ্যাংজাইটি অ্যাটাক সম্পর্কে জানুন

সাধারণত, কোনও কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা বেড়ে গেলে, বা ভয় পেলে অনেকেই জোরে জোরে শ্বাসপ্রশ্বাস নেন। কারও বা বুকে চাপ লাগে, অস্বস্তি হয়। মাথা ঘোরা, গা গোলানো, ঘাম হওয়া, দম বন্ধ লাগা এগুলো অ্যাংজাইটি অ্যাটাকের অন্যতম লক্ষণ।

ভয় পেলে মস্তিষ্কের রক্তে আপদকালীন হরমোন বা অ্যাড্রিনালিন বেশি পরিমাণে মেশে। তাই তখন রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ঠিক থাকলেও শ্বাসকষ্টের অনুভূতি হবে। সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমই এই অবস্থার জন্য দায়ী।

যা করবেন

>>প্রথমেই মনে রাখতে হবে, এমন পরিস্থিতি আপনার একার নয়। কমবেশি অনেকেরই। তাই এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। চাকরির জন্য নতুন কোথাও আবেদন করছেন বা নিজের অফিস নিয়ে চিন্তায় আছেন, লকডাউন কেটে না যাওয়া অবধি সেভাবে কোথাও কোনও সমাধান খুঁজে পাবেন না হয়তো। তাই এই সময়টুকু নিজেকে দিতে হবে।

>>খুব ভয় পেলে বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হলে প্রার্থনা কিংবা ধ্যান করুন। এমন কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন, যার সঙ্গে অনেক মনের কথা ভাগ করতে পারেন, যিনি আপনাকে বোঝেন।

>>নিয়মিত ব্যায়াম করলেও মানসিক উদ্বেগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

>>তাছাড়া আজকাল অনলাইনে মনোবিদের সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ নেওয়া যায়। কোনোভাবেই মনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।