ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

জেনেভায় শ্রম সম্মেলনে আইনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১০৭তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের (আইএলসি) সাধারণ সভায় গত শুক্রবার যোগ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

সম্মেলনে আইনমন্ত্রী ৪০ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, শ্রম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. রুহুল আমীন ও মো. রেজাউল হক চৌধুরী, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, শ্রম সচিব আফরোজা খানসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়িক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি রয়েছেন।

গত ২৮ মে থেকে ওই আন্তর্জাতিক সম্মেলন জেনেভায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৯ জুন এটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলো- বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে কোন শুনানি হবে না। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ১০৫তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশকে কড়া সমালোচনা করা হয় এবং শ্রম অধিকার সুরক্ষার জন্য কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয়া হয় যা বিশেষ অনুচ্ছেদ নামে পরিচিত।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১০৬তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে পাঠান।

সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ওইসব শর্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিশেষ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা চালান। ফলে বিশেষ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

১০৬তম সম্মেলনে আইনমন্ত্রী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা যথাসময়ে বাস্তবায়ন করায় এবছর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার শুনানির তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে বিগত চার বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে কোন শুনানি হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ডর্টমুন্ডের অভিনব উদ্যোগ: ফোন ব্যবহার কমলে মিলবে পুরস্কার

জেনেভায় শ্রম সম্মেলনে আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১০৭তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের (আইএলসি) সাধারণ সভায় গত শুক্রবার যোগ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

সম্মেলনে আইনমন্ত্রী ৪০ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, শ্রম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. রুহুল আমীন ও মো. রেজাউল হক চৌধুরী, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, শ্রম সচিব আফরোজা খানসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়িক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি রয়েছেন।

গত ২৮ মে থেকে ওই আন্তর্জাতিক সম্মেলন জেনেভায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৯ জুন এটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশের জন্য সুখবর হলো- বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে কোন শুনানি হবে না। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ১০৫তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশকে কড়া সমালোচনা করা হয় এবং শ্রম অধিকার সুরক্ষার জন্য কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয়া হয় যা বিশেষ অনুচ্ছেদ নামে পরিচিত।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১০৬তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে পাঠান।

সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ওইসব শর্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিশেষ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা চালান। ফলে বিশেষ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

১০৬তম সম্মেলনে আইনমন্ত্রী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা যথাসময়ে বাস্তবায়ন করায় এবছর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার শুনানির তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে বিগত চার বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে কোন শুনানি হবে না।