ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

প্রধান বিরোধী দলের মিছিল-সমাবেশে বাধা কেন: নজরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনি ভাবে এখনো বাকশাল কায়েম করা হয়নি, তাহলে প্রধান বিরোধী দলের মিছিল-সমাবেশে বাধা কেন সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি বা তাদের অঙ্গ সংগঠন মিছিল সমাবেশ করতে পারবে না, আইন করে নির্দেশনা জারি করুক সরকার। বিশ্বও জানবে বাংলাদেশে বিরোধী দলকে সমাবেশ মিছিল করতে দেওয়া হয় না।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলাম খান সরকারের কাছে এ প্রশ্ন রাখেন।

মে দিবসে রাজধানীতে সমাবেশ ও র‌্যালি করার অনুমতি না পেয়ে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

শ্রমিক দলকে র‌্যালি সমাবেশের অনুমতি দেওয়ায় সরকারের নিন্দা জানিয়ে নজরুল বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যান খালি পড়ে থাকলেও জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সরকার দিনে দিনে আরও বেশি স্বৈরাচারী হয়ে উঠছে।’

শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদককে থানায় ডেকে নিয়ে র‌্যালি না করতে হুমকি দিয়েছে পুলিশ। অথচ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান খালি পড়ে আছে। কেউ যায়নি সেখানে। আমাদের সমাবেশ করতে দেওয়া হলো না।’

কেন দেওয়া হলো না?- প্রশ্ন রেখে এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘কারণ সরকারের কাছে রিপোর্ট আছে, শ্রমিকদলের বিশাল মিছিলে হাজার শ্রমিক যোগ দেবে। কিন্তু সরকার চায় না জাতীয়তাবাদী আদর্শের পক্ষে মিছিল হোক, স্লোগান হোক।’

সরকার ভীত হয়ে মিছিলও করতে দিচ্ছে না অভিযোগ করে নজরুল বলেন, ‘সরকারের এই জুলুম অত্যাচার একদিন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। যে কথা তারা শুনতে চান না, সে কথাই উচ্চারিত হবে আরও জোরে, আরও বেশি মানুষের কণ্ঠে।’

এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এটি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিবস। বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকার এখনো আদায় হয়নি। শ্রমিকদলকে অনুমতি না দেয়া, বিএনপি নেত্রীকে জেলে রাখা, গাজীপুর খুলনায় নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার সব একই সূত্রে গাঁথা।’

সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেইন বলেন, ‘সোমবার সারাদিন পুলিশের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করলেও পুলিশ নিশ্চুপ থাকে। সন্ধ্যা ৭টায় পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডেকে র‌্যালি করার অনুমতি দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও শ্রমিক সমাবেশ করতে না দেওয়ায় আবারও প্রমাণিত হলো পুলিশ একদলীয় কর্তৃত্ববাদী সরকারের হয়ে কাজ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

প্রধান বিরোধী দলের মিছিল-সমাবেশে বাধা কেন: নজরুল

আপডেট সময় ০৬:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনি ভাবে এখনো বাকশাল কায়েম করা হয়নি, তাহলে প্রধান বিরোধী দলের মিছিল-সমাবেশে বাধা কেন সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি বা তাদের অঙ্গ সংগঠন মিছিল সমাবেশ করতে পারবে না, আইন করে নির্দেশনা জারি করুক সরকার। বিশ্বও জানবে বাংলাদেশে বিরোধী দলকে সমাবেশ মিছিল করতে দেওয়া হয় না।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলাম খান সরকারের কাছে এ প্রশ্ন রাখেন।

মে দিবসে রাজধানীতে সমাবেশ ও র‌্যালি করার অনুমতি না পেয়ে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

শ্রমিক দলকে র‌্যালি সমাবেশের অনুমতি দেওয়ায় সরকারের নিন্দা জানিয়ে নজরুল বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যান খালি পড়ে থাকলেও জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সরকার দিনে দিনে আরও বেশি স্বৈরাচারী হয়ে উঠছে।’

শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদককে থানায় ডেকে নিয়ে র‌্যালি না করতে হুমকি দিয়েছে পুলিশ। অথচ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান খালি পড়ে আছে। কেউ যায়নি সেখানে। আমাদের সমাবেশ করতে দেওয়া হলো না।’

কেন দেওয়া হলো না?- প্রশ্ন রেখে এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘কারণ সরকারের কাছে রিপোর্ট আছে, শ্রমিকদলের বিশাল মিছিলে হাজার শ্রমিক যোগ দেবে। কিন্তু সরকার চায় না জাতীয়তাবাদী আদর্শের পক্ষে মিছিল হোক, স্লোগান হোক।’

সরকার ভীত হয়ে মিছিলও করতে দিচ্ছে না অভিযোগ করে নজরুল বলেন, ‘সরকারের এই জুলুম অত্যাচার একদিন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। যে কথা তারা শুনতে চান না, সে কথাই উচ্চারিত হবে আরও জোরে, আরও বেশি মানুষের কণ্ঠে।’

এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এটি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিবস। বাংলাদেশে শ্রমিকদের অধিকার এখনো আদায় হয়নি। শ্রমিকদলকে অনুমতি না দেয়া, বিএনপি নেত্রীকে জেলে রাখা, গাজীপুর খুলনায় নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার সব একই সূত্রে গাঁথা।’

সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেইন বলেন, ‘সোমবার সারাদিন পুলিশের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করলেও পুলিশ নিশ্চুপ থাকে। সন্ধ্যা ৭টায় পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডেকে র‌্যালি করার অনুমতি দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও শ্রমিক সমাবেশ করতে না দেওয়ায় আবারও প্রমাণিত হলো পুলিশ একদলীয় কর্তৃত্ববাদী সরকারের হয়ে কাজ করছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।