ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

যে খাবারগুলো একসঙ্গে খাওয়া বিপজ্জনক

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কিছু খাবার আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে দেহে বিষক্রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ-বালাই সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার মারাত্মক সব স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে…..

১. তরমুজ এবং পানি
তরমুজের ৯০-৯৫%-ই পানি। ফলে তরমুজ খাওয়ার পর আবার পানি খেলে দেহের পাঁচক রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

২. চা এবং দই
চা এবং দই দুটোই এসিডপ্রবণ। ফলে এই দুটো এক সঙ্গে খেলে দেহের আভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

৪. দুধ এবং কলা
এই দুটি খাবারের একসঙ্গে খেলে তা হজমপ্রক্রিয়ার ওপর ভারি চাপ ফেলে। ফলে এ দুটো খাবার একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

৫. দই এবং ফল
যখন অম্ল স্বাদযুক্ত খাবার দইয়ের সঙ্গে খাওয়া হয় তখন তারা অ্যাসিড তৈরি করে দেহের পরিপাকতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে।

৬. মাংস ও দুধ
বেশ কিছু সংখ্যক প্রাচীন গোত্রের মধ্যে বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, মায়ের দুধে কোনো বাচ্চাকে রান্না করা ক্ষমতার অযোগ্য পাপ। আর এই কিংবদন্তী থেকেই হয়তো এই বিশ্বাস জন্মায় যে মাংস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া যায় না।

৭. লেবু এবং দুধ
দুধে লেবু যুক্ত করা হলে তা জমে যায়। একই ঘটনা ঘটে পাকস্থলির ভেতরেও। যদিও সাধারণত বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, পাকস্থলিতে থাকা পাঁচক রস লেবুর চেয়েও বেশি অ্যাসিডযুক্ত। কিন্তু লেবু এবং দুধের মিশ্রনকে বিষাক্ত মনে করা হয়।

৮. দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক
বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়। ফলে খাবার খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পর গিয়ে সেসব ওষুধ খাওয়া উচিত।

৯. বায়বীয় পানীয়ের মঙ্গে মেনথল
কোলার সঙ্গে মিন্ট মেশালে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। আর এ কারণেই বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে এই দুটি মেশালে সায়ানাইড তৈরি হয়। এ বিশ্বাস হয়তো পুরোপুরি সত্য নয়। তবুও ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

যে খাবারগুলো একসঙ্গে খাওয়া বিপজ্জনক

আপডেট সময় ০১:৪২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কিছু খাবার আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে দেহে বিষক্রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ-বালাই সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার মারাত্মক সব স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে…..

১. তরমুজ এবং পানি
তরমুজের ৯০-৯৫%-ই পানি। ফলে তরমুজ খাওয়ার পর আবার পানি খেলে দেহের পাঁচক রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

২. চা এবং দই
চা এবং দই দুটোই এসিডপ্রবণ। ফলে এই দুটো এক সঙ্গে খেলে দেহের আভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

৪. দুধ এবং কলা
এই দুটি খাবারের একসঙ্গে খেলে তা হজমপ্রক্রিয়ার ওপর ভারি চাপ ফেলে। ফলে এ দুটো খাবার একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

৫. দই এবং ফল
যখন অম্ল স্বাদযুক্ত খাবার দইয়ের সঙ্গে খাওয়া হয় তখন তারা অ্যাসিড তৈরি করে দেহের পরিপাকতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে।

৬. মাংস ও দুধ
বেশ কিছু সংখ্যক প্রাচীন গোত্রের মধ্যে বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, মায়ের দুধে কোনো বাচ্চাকে রান্না করা ক্ষমতার অযোগ্য পাপ। আর এই কিংবদন্তী থেকেই হয়তো এই বিশ্বাস জন্মায় যে মাংস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া যায় না।

৭. লেবু এবং দুধ
দুধে লেবু যুক্ত করা হলে তা জমে যায়। একই ঘটনা ঘটে পাকস্থলির ভেতরেও। যদিও সাধারণত বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, পাকস্থলিতে থাকা পাঁচক রস লেবুর চেয়েও বেশি অ্যাসিডযুক্ত। কিন্তু লেবু এবং দুধের মিশ্রনকে বিষাক্ত মনে করা হয়।

৮. দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক
বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়। ফলে খাবার খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পর গিয়ে সেসব ওষুধ খাওয়া উচিত।

৯. বায়বীয় পানীয়ের মঙ্গে মেনথল
কোলার সঙ্গে মিন্ট মেশালে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। আর এ কারণেই বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে এই দুটি মেশালে সায়ানাইড তৈরি হয়। এ বিশ্বাস হয়তো পুরোপুরি সত্য নয়। তবুও ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।