ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, যে ভারতে ঝুঁকি আছে: আসিফ নজরুল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু

যে খাবারগুলো একসঙ্গে খাওয়া বিপজ্জনক

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কিছু খাবার আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে দেহে বিষক্রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ-বালাই সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার মারাত্মক সব স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে…..

১. তরমুজ এবং পানি
তরমুজের ৯০-৯৫%-ই পানি। ফলে তরমুজ খাওয়ার পর আবার পানি খেলে দেহের পাঁচক রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

২. চা এবং দই
চা এবং দই দুটোই এসিডপ্রবণ। ফলে এই দুটো এক সঙ্গে খেলে দেহের আভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

৪. দুধ এবং কলা
এই দুটি খাবারের একসঙ্গে খেলে তা হজমপ্রক্রিয়ার ওপর ভারি চাপ ফেলে। ফলে এ দুটো খাবার একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

৫. দই এবং ফল
যখন অম্ল স্বাদযুক্ত খাবার দইয়ের সঙ্গে খাওয়া হয় তখন তারা অ্যাসিড তৈরি করে দেহের পরিপাকতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে।

৬. মাংস ও দুধ
বেশ কিছু সংখ্যক প্রাচীন গোত্রের মধ্যে বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, মায়ের দুধে কোনো বাচ্চাকে রান্না করা ক্ষমতার অযোগ্য পাপ। আর এই কিংবদন্তী থেকেই হয়তো এই বিশ্বাস জন্মায় যে মাংস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া যায় না।

৭. লেবু এবং দুধ
দুধে লেবু যুক্ত করা হলে তা জমে যায়। একই ঘটনা ঘটে পাকস্থলির ভেতরেও। যদিও সাধারণত বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, পাকস্থলিতে থাকা পাঁচক রস লেবুর চেয়েও বেশি অ্যাসিডযুক্ত। কিন্তু লেবু এবং দুধের মিশ্রনকে বিষাক্ত মনে করা হয়।

৮. দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক
বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়। ফলে খাবার খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পর গিয়ে সেসব ওষুধ খাওয়া উচিত।

৯. বায়বীয় পানীয়ের মঙ্গে মেনথল
কোলার সঙ্গে মিন্ট মেশালে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। আর এ কারণেই বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে এই দুটি মেশালে সায়ানাইড তৈরি হয়। এ বিশ্বাস হয়তো পুরোপুরি সত্য নয়। তবুও ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়ংকর অবস্থায় ফ্রান্সের অর্থনীতি

যে খাবারগুলো একসঙ্গে খাওয়া বিপজ্জনক

আপডেট সময় ০১:৪২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কিছু খাবার আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে দেহে বিষক্রিয়াসহ নানা ধরনের রোগ-বালাই সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার একসঙ্গে খেলে আপনার মারাত্মক সব স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে…..

১. তরমুজ এবং পানি
তরমুজের ৯০-৯৫%-ই পানি। ফলে তরমুজ খাওয়ার পর আবার পানি খেলে দেহের পাঁচক রসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

২. চা এবং দই
চা এবং দই দুটোই এসিডপ্রবণ। ফলে এই দুটো এক সঙ্গে খেলে দেহের আভ্যন্তরীণ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

৪. দুধ এবং কলা
এই দুটি খাবারের একসঙ্গে খেলে তা হজমপ্রক্রিয়ার ওপর ভারি চাপ ফেলে। ফলে এ দুটো খাবার একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।

৫. দই এবং ফল
যখন অম্ল স্বাদযুক্ত খাবার দইয়ের সঙ্গে খাওয়া হয় তখন তারা অ্যাসিড তৈরি করে দেহের পরিপাকতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করে।

৬. মাংস ও দুধ
বেশ কিছু সংখ্যক প্রাচীন গোত্রের মধ্যে বিশ্বাস প্রচলিত ছিল যে, মায়ের দুধে কোনো বাচ্চাকে রান্না করা ক্ষমতার অযোগ্য পাপ। আর এই কিংবদন্তী থেকেই হয়তো এই বিশ্বাস জন্মায় যে মাংস এবং দুধ একসঙ্গে খাওয়া যায় না।

৭. লেবু এবং দুধ
দুধে লেবু যুক্ত করা হলে তা জমে যায়। একই ঘটনা ঘটে পাকস্থলির ভেতরেও। যদিও সাধারণত বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, পাকস্থলিতে থাকা পাঁচক রস লেবুর চেয়েও বেশি অ্যাসিডযুক্ত। কিন্তু লেবু এবং দুধের মিশ্রনকে বিষাক্ত মনে করা হয়।

৮. দুগ্ধজাত পণ্যের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক
বেশ কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলো আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়। ফলে খাবার খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পর গিয়ে সেসব ওষুধ খাওয়া উচিত।

৯. বায়বীয় পানীয়ের মঙ্গে মেনথল
কোলার সঙ্গে মিন্ট মেশালে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। আর এ কারণেই বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে এই দুটি মেশালে সায়ানাইড তৈরি হয়। এ বিশ্বাস হয়তো পুরোপুরি সত্য নয়। তবুও ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।