ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মৃত্যুর চার দিন পর ঘর থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, স্ত্রী আইসিইউতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: পানিসম্পদ মন্ত্রী মাত্র ১২৫ টাকায় তদবির ছাড়া চাকরি পাওয়া গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল: মীর হেলাল গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ভারত-আমেরিকার আধিপত্য মেনে নেব না: নাহিদ ইসলাম চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।