ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-জাপান ট্রাম্পের স্ত্রীকে বিষ প্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা, নিশানায় ছেলেও স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা চাপে পড়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করবে শুভেন্দু সরকার ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।