ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।