ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্য!

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা পার্বত্য অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্পের রহস্যের উদঘাটন করেছেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, টেকটনিক প্লেটের মধ্যে ঘন ঘন সংঘর্ষের কারণেই এই পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। শুধু হিমালয় পর্বতেই নয়- আল্পস, আপেন্নাইনস এবং জাগ্রোস পর্বতে ভূমিকম্পের হার অনেক বেশি। পাহাড়ের উচ্চতা যত বেশি হবে ভূমিকম্পের হার তত বেশি হবে।

২০১৫তে গোরখা-নেপাল সীমান্ত কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৮৷ এক বছর পর ৬.২ রিখটার স্কেলে কেঁপে উঠেছিল নরসিয়া এবং ইতালিতও৷ এই দুটি ভূমিকম্পের জন্যই দায়ী উচ্চতা। পার্বত্য অঞ্চলে কেন এত ভূমিকম্প হয়? সেই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল৷ পাহাড়ের উচ্চতা যত বাড়বে। তত টেকটনিক প্লেটেক মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। এই ভূমিকম্পের জন্য দায়ী থাকে তাপমাত্রাও। তাপমাত্রা কমলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়৷ জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ আকার নেয়। গবেষকেরা একটি ২ডি মডেলের মাধ্যমে এই সম্পূর্ণ বিষয়টি তারা তুলে ধরেছেন।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর।