ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

জাপান সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমুখী উপযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই এই সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ুন কবির জানান, এই সফরের মাধ্যমে একদিকে যেমন বাংলাদেশের জন্য জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত থাকা এবং তা আরও বৃদ্ধির সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছে, অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রও ব্যাপকভাবে প্রশস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জাপানের পক্ষ থেকে ৬ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই বিনিয়োগের খাত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে জাপান খুব শিগগিরই বাংলাদেশে একটি উচ্চপর্যায়ের ইকোনমিক মিশন পাঠাবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও কূটনৈতিক অবস্থান

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই নীতিকে ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই সফর সম্পন্ন করেছেন। যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ, কৃষি, মানবসম্পদ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে জাপানের নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। একই সঙ্গে এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধির সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে।

সার্বভৌমত্ব ও ভূরাজনৈতিক অবস্থান

  • জাপানের সঙ্গে ‘বিগ-বি’ (বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট) উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও সেখানে তৃতীয় কোনো দেশ নিয়ে কথা হয়নি।
  • অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলে তাদের উপস্থিতিতেই বাংলাদেশ তা করবে।
  • দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রশ্নে বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাটি ও মানুষের স্বার্থকে অসম্মান করে কোনো দেশের সঙ্গেই কোনো ধরনের চুক্তি করবে না বিএনপি সরকার।
আপলোডকারীর তথ্য

খুলনা রেঞ্জে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ায় ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

জাপান সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমুখী উপযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই এই সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ুন কবির জানান, এই সফরের মাধ্যমে একদিকে যেমন বাংলাদেশের জন্য জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত থাকা এবং তা আরও বৃদ্ধির সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছে, অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রও ব্যাপকভাবে প্রশস্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জাপানের পক্ষ থেকে ৬ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই বিনিয়োগের খাত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে জাপান খুব শিগগিরই বাংলাদেশে একটি উচ্চপর্যায়ের ইকোনমিক মিশন পাঠাবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও কূটনৈতিক অবস্থান

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই নীতিকে ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই সফর সম্পন্ন করেছেন। যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ, কৃষি, মানবসম্পদ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে জাপানের নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। একই সঙ্গে এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধির সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে।

সার্বভৌমত্ব ও ভূরাজনৈতিক অবস্থান

  • জাপানের সঙ্গে ‘বিগ-বি’ (বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট) উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও সেখানে তৃতীয় কোনো দেশ নিয়ে কথা হয়নি।
  • অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলে তাদের উপস্থিতিতেই বাংলাদেশ তা করবে।
  • দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রশ্নে বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাটি ও মানুষের স্বার্থকে অসম্মান করে কোনো দেশের সঙ্গেই কোনো ধরনের চুক্তি করবে না বিএনপি সরকার।