ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে সরকার গঠনের ভবিষ্যৎ

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তবে ১২০ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্টে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগার কোনো দলই স্পর্শ করতে পারেনি। এর ফলে দেশটি এখন চরম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র দরকষাকষি ও সমঝোতার চেষ্টা। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট—উভয়ের জন্যই সরকার গঠনের পথটি অত্যন্ত বন্ধুর। তবে পার্লামেন্টের আসন বণ্টনের হিসাব স্পষ্ট হলেও কে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনে ১৯টি আসন পেয়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জনকারী আরব দলগুলো এখন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কিংমেকার বা মূল নিয়ামক হয়ে উঠেছে। হিসাবমতে, গাদি আইজেনকোট যদি আরব দলগুলোকে সাথে নিতে পারেন, তবে ৬৭ আসনের একটি শক্তিশালী জোট গঠন করা তার পক্ষে সহজ। আরব দলগুলো সরাসরি সরকারে যোগ না দিলেও বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার টিকিয়ে রাখতে পারে। তবে এই পদক্ষেপটি আইজেনকোট ও তার ইহুদি মিত্রদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। উল্লেখ্য, ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আরব নাগরিক এবং তাদের সিংহভাগই ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। ঐতিহাসিকভাবে এদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ইহুদি ভোটারদের একটি বড় অংশ তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারে না। এর আগে ২০২১ সালে একটি আরব দল জোট সরকারে যোগ দিলেও সেই সরকার মাত্র ১৮ মাস টিকেছিল। এদিকে, নেতানিয়াহু এই ধরনের জোটকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরে বিরোধীদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। যেকোনো সম্ভাব্য জোট গঠনের স্বার্থেই রাজনৈতিক দলগুলোকে এমন কিছু কঠিন আপস করতে হবে, যা তাদের নিজ নিজ সমর্থকদের ক্ষোভের কারণ হতে পারে। এই ধরনের ঐক্যবদ্ধ সরকার দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কিংবা অতি-অর্থোডক্সদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো মোকাবিলায় কার্যকর হতে পারে। এই নির্বাচনে ভোট দিতে বিদেশ থেকে যে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক এসেছিলেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় পুনরায় আসবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

বিকল্প পথে নেতানিয়াহু চেষ্টা করছেন আইজেনকোটের ডানপন্থী সহযোগীদের নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে। এমনটি সফল হলে নেতানিয়াহু ৬৭টি আসনের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন, যেখানে আরব দলগুলোসহ অতি-অর্থোডক্স ও উগ্র-জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো বিরোধী দলে চলে যাবে। তবে এই পরিকল্পনায় বড় বাধা হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষা। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের নিরাপত্তা ব্যর্থতা, দুর্নীতি মামলা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করার অভিযোগের কারণে আইজেনকোট ও তার সহযোগীরা নেতানিয়াহুর সঙ্গে কাজ না করার শপথ নিয়েছিলেন। তাছাড়া বিরোধী ভোটারদের প্রধান দাবি—ওই ঘটনাগুলোর রাষ্ট্রীয় তদন্তের অনুমতি নেতানিয়াহু কখনোই দেবেন না। এছাড়া, এমন জোট গড়তে হলে নেতানিয়াহুকে তার দীর্ঘদিনের অনুগত মিত্রদের বিসর্জন দিতে হবে, যা তার জন্য সহজ নয়। তবে এই পথটিতে সবচেয়ে বড় বাধা হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ। একই সঙ্গে এই জোটের জন্য নেতানিয়াহুকে তার দীর্ঘদিনের অনুগত মিত্রদেরও ত্যাগ করতে হবে।

নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো কাজে লাগিয়ে জোট ভাঙার কৌশল নিয়েছেন। তিনি সাবেক মিত্র নাফতালি বেনেট বা অবিগদোর লিবারম্যানকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করতে পারেন। যদিও বসতি সম্প্রসারণ নীতি নিয়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধা তাদের জন্য অসম্ভব, তবুও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত তিক্ততা ও অতি-অর্থোডক্সদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ সংক্রান্ত মতপার্থক্য বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বিপরীতে, নেতানিয়াহুর দলের সদস্যরা তার প্রতি অত্যন্ত অনুগত হওয়ায় আইজেনকোটের পক্ষে নেতানিয়াহুর শিবির থেকে কাউকে ভাঙিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব। নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তাদের ভেঙে দেওয়ার কৌশল নিচ্ছেন। অন্যদিকে এই সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহু তার জোটকে আরও শক্ত করার সুযোগ পাবেন।

রাজনৈতিক দলগুলো যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী বছরের শুরুতেই ইসরাইলকে পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। ২০১৯ সালের পর একইভাবে চরম অচলাবস্থায় তিন বছরে পাঁচবার নির্বাচন হয়েছিল দেশটিতে। নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই ক্ষমতায় থাকবে। এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের কারণে বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ভোটার দ্বিতীয় দফায় অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগে নেতানিয়াহু তার জোটকে আরও সুসংহত করার চেষ্টা করবেন, যা বিরোধী শিবিরের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর একইভাবে চরম অচলাবস্থার কারণে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে পাঁচ বার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইসরাইলে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে নেতানিয়াহুর সরকারই দায়িত্ব পালন করবে।

আপলোডকারীর তথ্য

খুলনা রেঞ্জে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ায় ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে সরকার গঠনের ভবিষ্যৎ

আপডেট সময় ০৫:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তবে ১২০ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্টে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগার কোনো দলই স্পর্শ করতে পারেনি। এর ফলে দেশটি এখন চরম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র দরকষাকষি ও সমঝোতার চেষ্টা। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট—উভয়ের জন্যই সরকার গঠনের পথটি অত্যন্ত বন্ধুর। তবে পার্লামেন্টের আসন বণ্টনের হিসাব স্পষ্ট হলেও কে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনে ১৯টি আসন পেয়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জনকারী আরব দলগুলো এখন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কিংমেকার বা মূল নিয়ামক হয়ে উঠেছে। হিসাবমতে, গাদি আইজেনকোট যদি আরব দলগুলোকে সাথে নিতে পারেন, তবে ৬৭ আসনের একটি শক্তিশালী জোট গঠন করা তার পক্ষে সহজ। আরব দলগুলো সরাসরি সরকারে যোগ না দিলেও বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে একটি সংখ্যালঘু সরকার টিকিয়ে রাখতে পারে। তবে এই পদক্ষেপটি আইজেনকোট ও তার ইহুদি মিত্রদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। উল্লেখ্য, ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আরব নাগরিক এবং তাদের সিংহভাগই ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। ঐতিহাসিকভাবে এদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ইহুদি ভোটারদের একটি বড় অংশ তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারে না। এর আগে ২০২১ সালে একটি আরব দল জোট সরকারে যোগ দিলেও সেই সরকার মাত্র ১৮ মাস টিকেছিল। এদিকে, নেতানিয়াহু এই ধরনের জোটকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরে বিরোধীদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। যেকোনো সম্ভাব্য জোট গঠনের স্বার্থেই রাজনৈতিক দলগুলোকে এমন কিছু কঠিন আপস করতে হবে, যা তাদের নিজ নিজ সমর্থকদের ক্ষোভের কারণ হতে পারে। এই ধরনের ঐক্যবদ্ধ সরকার দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কিংবা অতি-অর্থোডক্সদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো মোকাবিলায় কার্যকর হতে পারে। এই নির্বাচনে ভোট দিতে বিদেশ থেকে যে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক এসেছিলেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় পুনরায় আসবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

বিকল্প পথে নেতানিয়াহু চেষ্টা করছেন আইজেনকোটের ডানপন্থী সহযোগীদের নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে। এমনটি সফল হলে নেতানিয়াহু ৬৭টি আসনের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারেন, যেখানে আরব দলগুলোসহ অতি-অর্থোডক্স ও উগ্র-জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো বিরোধী দলে চলে যাবে। তবে এই পরিকল্পনায় বড় বাধা হলো প্রতিশ্রুতি রক্ষা। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের নিরাপত্তা ব্যর্থতা, দুর্নীতি মামলা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করার অভিযোগের কারণে আইজেনকোট ও তার সহযোগীরা নেতানিয়াহুর সঙ্গে কাজ না করার শপথ নিয়েছিলেন। তাছাড়া বিরোধী ভোটারদের প্রধান দাবি—ওই ঘটনাগুলোর রাষ্ট্রীয় তদন্তের অনুমতি নেতানিয়াহু কখনোই দেবেন না। এছাড়া, এমন জোট গড়তে হলে নেতানিয়াহুকে তার দীর্ঘদিনের অনুগত মিত্রদের বিসর্জন দিতে হবে, যা তার জন্য সহজ নয়। তবে এই পথটিতে সবচেয়ে বড় বাধা হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ। একই সঙ্গে এই জোটের জন্য নেতানিয়াহুকে তার দীর্ঘদিনের অনুগত মিত্রদেরও ত্যাগ করতে হবে।

নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো কাজে লাগিয়ে জোট ভাঙার কৌশল নিয়েছেন। তিনি সাবেক মিত্র নাফতালি বেনেট বা অবিগদোর লিবারম্যানকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করতে পারেন। যদিও বসতি সম্প্রসারণ নীতি নিয়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট বাঁধা তাদের জন্য অসম্ভব, তবুও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত তিক্ততা ও অতি-অর্থোডক্সদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ সংক্রান্ত মতপার্থক্য বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বিপরীতে, নেতানিয়াহুর দলের সদস্যরা তার প্রতি অত্যন্ত অনুগত হওয়ায় আইজেনকোটের পক্ষে নেতানিয়াহুর শিবির থেকে কাউকে ভাঙিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব। নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তাদের ভেঙে দেওয়ার কৌশল নিচ্ছেন। অন্যদিকে এই সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহু তার জোটকে আরও শক্ত করার সুযোগ পাবেন।

রাজনৈতিক দলগুলো যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী বছরের শুরুতেই ইসরাইলকে পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। ২০১৯ সালের পর একইভাবে চরম অচলাবস্থায় তিন বছরে পাঁচবার নির্বাচন হয়েছিল দেশটিতে। নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই ক্ষমতায় থাকবে। এই দীর্ঘমেয়াদী সংকটের কারণে বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ভোটার দ্বিতীয় দফায় অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগে নেতানিয়াহু তার জোটকে আরও সুসংহত করার চেষ্টা করবেন, যা বিরোধী শিবিরের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর একইভাবে চরম অচলাবস্থার কারণে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে পাঁচ বার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইসরাইলে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে নেতানিয়াহুর সরকারই দায়িত্ব পালন করবে।